উচ্চ রক্তচাপ, দ্রুত হৃদস্পন্দন আর দারুণ স্ট্রেস? ওষুধ ছাড়ুন, উল বুনুন! দাওয়াই নয়া সমীক্ষার!

উচ্চ রক্তচাপ, দ্রুত হৃদস্পন্দন আর দারুণ স্ট্রেস? ওষুধ ছাড়ুন, উল বুনুন! দাওয়াই নয়া সমীক্ষার!

Representational Image

টাইমস অফ ইন্ডিয়ায় সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদন জানিয়েছে যে বিলেতে এই সমীক্ষা চালানো হয়েছিল পাক্কা ২,৩৭৯ জন মানুষের উপরে।

  • Share this:

#কলকাতা: রামকৃষ্ণ ঠাকুর বলেছিলেন যে থিয়েটার দেখলে না কি লোকশিক্ষা হয়! ওঁর সময়ে সিনেমা সবে জন্ম নিচ্ছে, তাই এখন আমরা পরমহংসের কথাটাকে ছায়াছবি হিসেবেই ধরব!

কেন না, বিলেতের হালফিলের এক সমীক্ষা দাবি করেছে যে উল বোনা না কি শখের মধ্যে সেরা, জীবনে দারুণ স্ট্রেস আর শরীরে বাড়াবাড়ি রকমের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে এর চেয়ে ভাল দাওয়াই আর হয় না। তা, বিলেতের সমীক্ষা ২০২০ সালে এসে যে কথা বলল, সে কথা তো ২০১৯ সালেই 'সোয়েটার' নামে ছবিতে প্রমাণ করে দিয়েছেন পরিচালক শিলাদিত্য মৌলিক, না কি?

ছবির কথাটা এ ক্ষেত্রে না তুললেই নয়। কেন না ছবিতে দেখিয়েছেন মৌলিক- টুকু নামের এক মেয়ের জীবনে হাজার সমস্যা। মূল সমস্যা অবশ্য ভাল ঘরে বিয়ে হওয়া। তাই হবু পাত্রের মা সোয়েটার বুনে দেখাতে বললে টুকু দ্বারস্থ হয় পিসির। পিসির বাড়িতে উল বোনা শিখে কী ভাবে তার মন শান্ত হল, জীবন হল স্থিতিশীল, তাই সোয়েটার ছবির গল্প। পাশাপাশি না বললেই নয়, ওই ছবিতেই রয়েছে সাম্য নামে এক ব্লাড ক্যান্সার রোগীর চরিত্রও। জীবনের জটিলতা ভুলে থাকতে, নিজের মনকে শান্ত রাখতে সেও টুকুর পিসির স্কুলে উল বোনা শেখে!

মানে এতক্ষণে আর কিছু হোক না হোক, এটুকু বুঝে নেওয়া গিয়েছে যে স্ট্রেস আর রক্তচাপের সঙ্গে উল বোনার সম্পর্ক আছেই। বোনাটা যদি ধাতে পরিণত হয়, তা হলে এই দুই সমস্যা থাকে বেশ ভাল মতন নিয়ন্ত্রণে। পাশাপাশি জব্দ হয় দ্রুত হৃদস্পন্দনের হারের সমস্যাও।

টাইমস অফ ইন্ডিয়ায় সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদন জানিয়েছে যে বিলেতে এই সমীক্ষা চালানো হয়েছিল পাক্কা ২,৩৭৯ জন মানুষের উপরে। যদিও বিশ্বের কোন প্রান্তে কারা এই সমীক্ষাটি করেছেন, সে তথ্য খবরে প্রকাশ পায়নি।

যাই হোক, খবর মোতাবেকে এই ২,৩৭৯ জনকে সমীক্ষা চলাকালীন জুড়ে দেওয়া হয়েছিল নিজের নিজের শখের কাজে। আর কাজ শুরুর আগে হাতের কবজিতে বেঁধে দেওয়া হয়েছিল এক ব্যান্ড যা রক্তচাপ মেপে রাখবে। বলাই বাহুল্য, সমীক্ষা শুরুর আগেও একবার এই ২,৩৭৯ জনের রক্তচাপ মেপে নেওয়া হয়েছিল।

তো, ফলাফল দেখাল চোখে আঙুল দিয়ে- যাঁরা উল বুনেছেন, তাঁদের মন ধীরে ধীরে শান্ত হয়ে এসেছে, রক্তচাপও নেমে এসেছে আদর্শ পর্যায়ে। হৃদস্পন্দনের হারও হয়েছে স্বাভাবিক একাগ্র মনোযোগের জেরে। তা হলে এ বার উল বোনাটা শিখবেন না কি?

Published by:Siddhartha Sarkar
First published:

লেটেস্ট খবর