Home /News /life-style /
রোগা হওয়ার অভিনব উপায়

রোগা হওয়ার অভিনব উপায়

representational image

representational image

শুধুই কি লো ক্যালরি ডায়েট? রোগা হওয়ার কি আর কোনও রাস্তা নেই? আছে বই কী! এমন কিছু সহজ উপায়ও আছে, যা রোজকার জীবনে মেনে চললে দেখবেন, ওজন কমানো বা খাওয়ার উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা-- কোনও কিছুতেই আর বেগ পেতে হচ্ছে না! রইল তারই হদিশ

  • Share this:

    #কলকাতা: শুধুই কি লো ক্যালরি ডায়েট? রোগা হওয়ার কি আর কোনও রাস্তা নেই? আছে বই কী! এমন কিছু সহজ উপায়ও আছে, যা রোজকার জীবনে মেনে চললে দেখবেন, ওজন কমানো বা খাওয়ার উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা-- কোনও কিছুতেই আর বেগ পেতে হচ্ছে না! রইল তারই হদিশ-

    জল খাওয়া- বেশি করে জল খেলে খিদের বোধ কমে! কাজেই আপনি কম পরিমাণে খাবেন, ওজনও কম বাড়বে। দিনে কমপক্ষে ৮-১০ গ্লাস জল খাওয়া ভাল। খাওয়ার আগেও জল খেয়ে খেতে বসুন।

    রাতের খাবার- রাতের খাবার খুব ভারী হলে, ঘুমের মধ্যে শরীর ক্যালরি পোড়াতে পারে না। চেষ্টা করুন, শুতে যাওয়ার অন্তত দু'ঘণ্টা আগে খাওয়া সারতে এবং অবশ্যই হালকা খাবার খান।

    ব্রেকফাস্ট- সকালের খাবার ভুলেও বাদ দেবেন না। সারারাত বিশ্রামে থাকার পর, সকালে আমাদের মেটাবলিজমকে নতুন করে কাজ শুরু করতে হয়। তারও ফুয়েল চাই।

    গ্রিল করুন- কোনও কিছু ভেজে খাওয়ার থেকে গ্রিল করে খাওয়া ভাল। ভাজা খাবার তেল টানে আর গ্রিলড খাবার বাড়তি তেল ঝরিয়ে দেয়।

    সোক করুন- ভাজা খাবার তেল থেকে তোলা মাত্রই টিস্যু বা অ্যাবসর্বেন্ট কিচেন পেপারে রেখে মুড়িয়ে নিন। এতে অতিরিক্ত তেল ট্যিসু শুষে নেবে।

    শেষ পাতে ফল- শেষ পাতে মিষ্টি না খেয়ে, ফল খান।ফল খেতেও মিষ্টি, স্বাস্থ্যকরও!

    representational image representational image

    খাওয়ার সময়ে টাইমার সেট করে নিন- খাওয়ার সময় ২০-২৫ মিনিটের টাইমার সেট করে রাখুন। ধীরে ধীরে খাবারটা এনজয় করুন। সময় শেষ হলেই খাওয়া বন্ধ করে দিন। দেখবেন, তৃপ্তিতে মন ও পেট দুই-ই ভরবে, অথচ বেশি পরিমাণে খাওয়া  হবে না।

    সবজি খান- লাঞ্চ এবং ডিনারে সবজি ও শেষ পাতে ফলের পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। এতে দুটো কাজ হয়। প্রথম, ভাত বা রুটি কম খাওয়ার ফলে শরীরে কার্বোহাইড্রেট কম যায়। দ্বিতীয়, সবজি ও ফলে ফাইবার এবং জলের মাত্রা বেশি থাকায়, ওজন তেমন বাড়ে না!

    হোল গ্রেন খান- খাবারের তালিকায় ঢেঁকিছাঁটা চাল, ওট, বার্লি, হোল হুইট, দালিয়া রাখুন। এতে ক্যালরি কম, কোলেস্টেরল প্রোফাইলও ভাল থাকে।

    চিউইং গাম- অনেক সময়েই, খিদে না থাকলেও কিছু খেতে ইচ্ছে করে। ওই সময়ে খুব স্ট্রং ফ্লেভারের চিউইং গাম চিবোন। খাওয়ার ইচ্ছেও মিটবে, ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

    ক্যালরি পোড়ান- টার্গেট রাখুন, দিনে অন্তত ১০০ ক্যালরি পোড়ানোর। তা যে ভাবেই হোক- ২০ মিনিটে ১ মাইল হেঁটে, ১০ মিনিট জগিং করে কিংবা ৩০ মিনিট ঘরবাড়ি ধোয়া- মোছা করে।

    বারে বারে খান- খিদে বাড়িয়ে একবারে পেট পুড়ে খাওয়ার প্রবণতা ছাড়ুন। বরং সারাদিনে, বারে বারে অল্প পরিমাণে খান।

    ফ্লেভার- খাবারে লঙ্কা ও নানারকমের ফ্লেভার ব্যবহার করুন। এর গন্ধে আমাদের টেস্ট বাড খুব তাড়াতাড়ি তৃপ্ত হয়ে যায়। তাই বেশি খেয়ে ফেলার আগেই মনে হয় পেট ভরে গিয়েছে।

    চিনি নয়- চা, কফি বা খাবারে চিনির বদলে মধু ব্যবহার করুন। মধুতে চিনির থেকে ক্যালরি কম।

    First published:

    Tags: Innovative way, Loose weight

    পরবর্তী খবর