লাইফস্টাইল

corona virus btn
corona virus btn
Loading

অল্প বয়সেই গুরুতর ভাবে ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত হন ভারত ও পাকিস্তানের মহিলারা !

অল্প বয়সেই গুরুতর ভাবে ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত হন ভারত ও পাকিস্তানের মহিলারা !
  • Share this:

#কলকাতা: বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভারত ও পাকিস্তানের মহিলারাই গুরুতর ভাবে ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত হন। তাও আবার খুব অল্প বয়সেই। সম্প্রতি এমনই তথ্য উঠে এল এক সমীক্ষা থেকে। ১৯৯০-২০১৪ সাল পর্যন্ত ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউট সারভেইলেন্স এপিডেমিওলজি অ্যান্ড এন্ড রেজাল্টস প্রোগ্রাম থেকে নানা তথ্য সংগ্রহ করার মাধ্যমে এবং ভারত, পাকিস্তান ও আমেরিকার মহিলাদের উপরে সমীক্ষা চালানোর পর ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ ক্যানসারে এ নিয়ে একটি সমীক্ষাপত্র প্রকাশিত হয়। সেই সমীক্ষাপত্র থেকে জানা গিয়েছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভারত ও পাকিস্তানের মহিলারাই ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত হন। এ ক্ষেত্রে নিউ জার্সির রাটগারস স্কুল অফ পাবলিক হেল্থ অ্যান্ড রাটগারস ক্যানসার ইনস্টিটিউটের গবেষকরা জানাচ্ছেন, এই মহিলাদের ক্ষেত্রে সব চেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এঁরা খুব অল্প বয়সেই ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন।

এ বিষয়ে রাটগারস স্কুল অফ পাবলিক হেল্থের সাউথ এশিয়ান কোয়ান্টিটিভ হেল্থের ডিরেক্টর জয়া এম সতগোপান জানাচ্ছেন, এই গবেষণাগুলির হাইপোথিসিস ভবিষ্যতে এই রোগের ধরন বুঝতে এবং তা নিরাময়ে উল্লেখযোগ্য ভাবে সাহায্য করবে। তাঁর কথায় দক্ষিণ এশিয়ার মহিলাদের মধ্যে ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা ধীরে ধীরে বেড়ে চলেছে। তাই এ নিয়ে অদূর ভবিষ্যতে একাধিক গবেষণার প্রয়োজনীয়তাও রয়েছে।

সমীক্ষাপত্র সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০০-২০১৬ সাল পর্যন্ত ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত প্রায় ৪,৯০০ ভারতীয় ও পাকিস্তানের মহিলার উপরে গবেষণা চালানো হয়েছে। গবেষকরা রোগের চরিত্র, রোগের চিকিৎসা ও এই রোগ থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার প্রক্রিয়া নিয়ে নানা গবেষণা করেছেন। দেখা যায়, বছরের পর বছর ক্রমেই বেড়ে চলেছে ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত মহিলাদের সংখ্যা। আর খুব অল্প বয়সেই এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন তাঁরা। তবে এই রোগে মৃত্যুর পরিসংখ্যান দেখলে বোঝা যাবে, অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারত ও পাকিস্তানের মহিলাদের মৃত্যুর সংখ্যা অবশ্য কম। এ দিকে খানিকটা হলেও স্বস্তি পাওয়া যায়।

ভারত ও পাকিস্তান, উভয় দেশেরই আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি এই রোগ থেকে মুক্তির পথে অনেক ক্ষেত্রেই বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলে মনে করছেন গবেষকরা। তাঁদের কথায় নানা কুসংস্কার ও ধারণার কবলে পড়ে অনেক সময়েই এই রোগের সঠিক চিকিৎসা করা হয় না। চিকিৎসা থেকে সেরে উঠতে অনেক সময় লেগে যায়। বহু ক্ষেত্রেই আক্রান্তের পরিবার চেষ্টা না করে অল্পতেই পিছু হটে যায়। এ ক্ষেত্রে তাই সঠিক চিকিৎসাপরিষেবা এবং আক্রান্তদের কাছে যথাসময়ে সেই পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

একই কথা বলেছেন রাটগারস স্কুল অফ পাবলিক হেল্থের ক্যানসার প্রিভেনসন অ্যান্ড কন্ট্রোল রিসার্চ প্রোগ্রামের এলিসা ভি বান্দেরা। এই রোগের বাড়বাড়ন্তের জন্য তিনিও জনসংখ্যা ও সংশ্লিষ্ট দেশগুলির আর্থসামাজিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিস্থিতিকে দায়ী করেছেন। তবে সব ক্ষেত্রেই বলা হয়েছে সঠিক চিকিৎসা পরিষেবা ও মানুষজনের সচেতনতার কথা।

Published by: Dolon Chattopadhyay
First published: October 28, 2020, 9:35 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर