Home /News /life-style /
Relation With Neighbours: বিপদে-আপদে পাশে থাকে পাড়া-প্রতিবেশী, কীভাবে বজায় রাখবেন সুসম্পর্ক?

Relation With Neighbours: বিপদে-আপদে পাশে থাকে পাড়া-প্রতিবেশী, কীভাবে বজায় রাখবেন সুসম্পর্ক?

পড়শিদের সঙ্গে কীভাবে সুন্দর সম্পর্ক বজায় রাখা যেতে পারে, জেনে নিন।

  • Share this:

#কলকাতা: আপন-পর কেউ থাক বা না-থাক কিন্তু পাড়া-পড়শি (Neighbour) সব সময় পাশে থাকে৷ এমনটাই প্রচলিত ধারণা৷ এটা একদমই ঠিক৷ কারণ কোনও বিপদ-আপদ ঘটলে সবার আগে পাড়া-প্রতিবেশীরাই ছুটে আসেন৷ কারণ আত্মীয়-পরিজন অথবা বন্ধু-বান্ধবরা তো আর সব সময় আশপাশে থাকেন না৷ ধরা যাক, আমরা বাড়িতে নেই৷ কোথাও বেড়াতে গিয়েছি৷ এ বার সারাক্ষণ মনে চলতে থাকবে, বাড়িতে চোর-ডাকাত পড়েনি তো! তখন কোনও প্রতিবেশীকে একটা ফোন করে জেনে নেওয়া যায় যে, বাড়ি নিরাপদে আছে কি না৷ ঠিক এই কারণে কোনও সমস্যায় মুশকিল আসান সেই প্রতিবেশীরাই! তাই পড়শিদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রেখে চলা বুদ্ধিমানের কাজ৷ জেনে রাখা যাক, পড়শিদের সঙ্গে কী ভাবে সুন্দর সম্পর্ক বজায় রাখা যেতে পারে৷

আরও পড়ুন- হার্ট ভাল রাখতে কোন চা ভাল? কোনটাই বা উপকারী নয়? জেনে নিন

সৌজন্য বিনিময়:

যখনই পড়শির সঙ্গে দেখা হবে, তখনই সৌজন্যমূলক হাসির বিনিময় হোক৷ সাধারণ হাই-হ্যালো, কেমন আছেন, সুপ্রভাত - এই ধরনের বার্তা বিনিময় হতে পারে৷ মোটামুটি একটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলতে চেষ্টা করতে হবে৷ তবে বেশি গায়ে-পড়া বন্ধুত্ব করা ঠিক নয়৷ কারণ অনেকেই এটা পছন্দ করেন না৷

বিরক্ত না-করা:

প্রতিবেশীদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখতে শালীনতা বজায় রাখতে হবে৷ আর একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে যে, ‘আমি যেন কোনও পাড়া-পড়শির বিরক্তির কারণ না-হয়ে উঠি’৷ তাই প্রচণ্ড জোরে শব্দ করে মিউজিক বাজানো যাবে না, অযথা চেঁচামেচি অথবা আপনার বাড়ির ঝামেলা যেন প্রতিবেশীর বিরক্তির কারণ না-হয়৷ দেখা হলে সৌজন্য বিনিময় করা যায়, তা বলে বকবক করতে শুরু করা ঠিক নয়৷ তা হলে প্রতিবেশী আমাদের এড়িয়ে যাবেন৷

সাহায্যের হাত:

পড়শির বিপদ-আপদেও ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে৷ তাঁরা কোনও রকম সমস্যায় পড়লে সঙ্গে সঙ্গে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে৷ এতে সম্পর্ক মজবুত হবে৷ ধরা যাক, প্রতিবেশীর বাড়িতে কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে, সেই কারণে তাঁদের বাড়ির সকলে বাইরে অপেক্ষা করছেন৷ এই পরিস্থিতিতে তাঁদের নিজের ঘরে অপেক্ষা করতে বলাই যায় এবং চা-কফিও অফার করা যেতে পারে৷ আবার পড়শিরা বাড়ি নেই, সেই সময় তাঁদের কোনও পার্সেল এল, সেটা নিজের কাছে রেখে দেওয়া যায় এবং পড়শি বাড়ি ফিরলে তাঁকে সেটা দিয়ে দেওয়া যায়৷

উৎসবে উপহার:

দুর্গাপুজো অথবা দিওয়ালি অথবা অন্য কোনও উৎসবে কার্ডের সঙ্গে ছোট্ট একটা উপহার নিজের প্রতিবেশীকে দেওয়া যায়৷ উপহার দামী হতে হবে, তার কোনও ব্যাপার নেই৷ একটা কেক অথবা চকলেট অথবা গ্রিন টি-এর সেট দেওয়া যেতেই পারে৷ কারণ এগুলো প্রতিবেশী ব্যবহার করতে পারবেন৷ আর নিজের বাড়িতে অনুষ্ঠান হলে তো কথাই নেই, নিমন্ত্রণ করে পাত পেড়ে খাওয়ানো যায় প্রতিবেশী ও তাঁর পরিবারকে৷

ছোট ছোট বিষয় এড়িয়ে চলা:

পড়শির অনেক বিষয় পছন্দ না-ও হতে পারে৷ সে ক্ষেত্রে ছোটখাটো বিষয় হলে তাতে পাত্তা না-দেওয়াই ভালো৷ কারণ মনে রাখতে হবে যে, আমরা কেউই একদম পারফেক্ট নই৷ সকলের মধ্যেই কোনও-না-কোনও খামতি থাকেই৷ কাজেই, ছোটখাটো অপছন্দের বিষয় এড়িয়ে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ৷ আর রাগ হলেও রাগ দমন করে রাখতে হবে, কারণ পড়শিদের সঙ্গেই তো বসবাস করতে হবে!

Published by:Suman Majumder
First published:

Tags: Relationship

পরবর্তী খবর