Home /News /life-style /
Summer Care: ব্রন ঠেকানোর অব্যর্থ দাওয়াই, গ্রীষ্মের ত্বকচর্চার রুটিন বদলালেই বাজিমাত!

Summer Care: ব্রন ঠেকানোর অব্যর্থ দাওয়াই, গ্রীষ্মের ত্বকচর্চার রুটিন বদলালেই বাজিমাত!

চকোলেট দেওয়া ফেসমাস্ক এপিডার্মাল অংশের পুনরুজ্জীবনে সাহায্য করে, হাইড্রেশন বা আর্দ্রতা ফিরিয়ে নিয়ে আসে, আর্দ্রতা লক করার পাশাপাশি এই মাস্ক অতিরিক্ত মেলানিন হ্রাস করে হাইপারপিগমেন্টেশনের বিরুদ্ধে কাজ করতেও সাহায্য করে।

চকোলেট দেওয়া ফেসমাস্ক এপিডার্মাল অংশের পুনরুজ্জীবনে সাহায্য করে, হাইড্রেশন বা আর্দ্রতা ফিরিয়ে নিয়ে আসে, আর্দ্রতা লক করার পাশাপাশি এই মাস্ক অতিরিক্ত মেলানিন হ্রাস করে হাইপারপিগমেন্টেশনের বিরুদ্ধে কাজ করতেও সাহায্য করে।

Summer Care: গরমকাল এলেই ত্বকের পরিচর্যার নিয়ম বা রুটিন বদলানো অত্যন্ত জরুরি।

  • Share this:

     কোথাও বেরোনোর আগে অথবা কোনও অনুষ্ঠানের আগে সাজগোজের কত-ই না প্ল্যান থাকে! কিন্তু সেই মুহূর্তে আচমকাই মুখে বেরোনো একটা অবাধ্য ব্রনই দায়িত্ব নিয়ে সব প্ল্যানে জল ঢেলে দিতে পারে!

    আসলে ত্বকের এই অবাঞ্ছিত ব্রনর সমস্যায় শুধু মহিলারাই ভোগেন না, পুরুষদেরও এই সমস্যা থেকে নিস্তার নেই। আর সারা বছরই কম-বেশি ব্রনর সমস্যা দেখা দিতে পারে, তবে বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে ব্রনর সমস্যা আরও বেড়ে যায়। কারণ বাইরে বেরোলেই সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শরীরে লাগে। কার সঙ্গে ঘাম বেশি হওয়ায় ত্বকের উপর তার প্রভাব পড়তে থাকে। তাই গরমকাল এলেই ত্বকের পরিচর্যার নিয়ম বা রুটিন বদলানো অত্যন্ত জরুরি।

    আরও পড়ুন : জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে সরগরম রাজনীতি! কিন্তু কেন্দ্র-রাজ্য কর পায় কত? দেখুন আসল সত্যিটা...

    ত্বককে সুন্দর ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল রাখতে আমরা সাধারণত সানস্ক্রিন, ময়েশ্চারাইজার, সিরাম ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু গরমের দিনে এইসব জিনিস মুখের ঘামের সঙ্গে মেশে। তার ফলে বন্ধ হয়ে যায় ত্বকের ছিদ্রগুলি আর এর জেরেই ব্রনর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাছাড়া ব্রন বিভিন্ন আকারের হতে পারে। যেমন- মৃদু কোমিডোনাল ব্রন অর্থাৎ ব্ল্যাকহেডস এবং হোয়াইটহেডস। এই ধরনের সমস্যা কমাতে স্যালিসাইলিক অ্যাসিড অথবা বেনজিল পারঅক্সাইড সমৃদ্ধ ফেসওয়াশ ব্যবহার করা যায়। আবার প্রদাহজনিত ব্রন, পাস্চুলস এবং নোডিউলোসিস্টিক ব্রনর ক্ষেত্রে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

    গ্রীষ্মকালে ব্রন প্রতিরোধ করার কিছু জরুরি টিপস:

    গরমকালে দিনে দু’বার করে ফোমিং ফেসিয়াল ক্লিনজার ব্যবহার করতে হবে। নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী ক্লিনজার বাছতে হবে। তবে মনে রাখতে হবে যে, মুখ অত্যধিক ধুলেও ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় এবং ব্রনর অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়।

    দিনের বেলা বাইরে বেরোনোর সময় তো বটেই, ঘরে থাকলেও সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে।

    ভারি লোশন কিংবা ক্রিম ব্যবহার না-করাই ভালো। কারণ এগুলি মুখের ছিদ্রগুলো বন্ধ করে দেয়। তার বদলে লাগানো যেতে পারে হালকা কোনও ময়েশ্চারাইজার অথবা জেল ভিত্তিক সানস্ক্রিন।

    ঘাম বসে মুখের ত্বক চ্যাটচ্যাটে হয়ে গেলে ফেস মিস্ট ব্যবহার করা উচিত। এতে তরতাজা অনুভূত হবে।

    স্ক্রাব ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ এতে ত্বক আরও শুষ্ক হয়ে যেতে পারে এবং অস্বস্তি অনুভূত হয়। যার ফলে ব্রনর চিকিৎসা করা কঠিন হয়ে পড়ে।

    ব্রনয় নখ লাগানো অথবা ব্রন খোঁটা উচিত নয়। কারণ এর থেকে ত্বকে প্রদাহ ও জ্বালা আসবে, এমনকী এতে ত্বকে দাগ পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে।

    ‘মাস্কনে’ (Maskne) হল এক ধরনের ব্নণ, যা ত্বকে ঘষা লেগে বা চাপের ফলে সৃষ্টি হয়। আসলে অনেক সময় মাস্ক পরলে আচ্ছাদিত অংশের আর্দ্রতা বেড়ে গিয়ে মুখের ছিদ্রগুলি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এর ফলে ব্রন দেখা দিতে পারে। মাস্কনে প্রতিরোধ করতে সব সময় পরিষ্কার মাস্ক ব্যবহার করতে হবে এবং প্রতিদিন অন্তত দু’বার করে মুখ পরিষ্কার করা বাঞ্ছনীয়।

    গরমকালে ব্রনর হাত থেকে বাঁচতে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা অত্যন্ত জরুরি।

    পুল কিংবা সমুদ্রে স্নান করে ঘরে ফেরার পরে আবার স্নান করে নেওয়া উচিত। কারণ নুন জল কিংবা ক্লোরাইড মুখের ত্বকে বেশিক্ষণ থাকলে তা ক্ষতিকর।

    First published:

    Tags: Skin Care, Summer

    পরবর্তী খবর