Relationship: অন্য সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন! পার্টনারকে ‘চিট’ করতে মন চাইছে না? সমাধান মিলবে এই উপায়ে

সম্পর্ক ছেড়ে বেরিয়ে আসতে গিয়ে যদি কোনও ঝামেলার সৃষ্টি হয়! বিনীতভাবে নিজের ভুল স্বীকার করে নেওয়া ভাল।

সম্পর্ক ছেড়ে বেরিয়ে আসতে গিয়ে যদি কোনও ঝামেলার সৃষ্টি হয়! বিনীতভাবে নিজের ভুল স্বীকার করে নেওয়া ভাল।

  • Share this:

#Realationship:

জেনেবুঝে কাউকে ঠকিয়ে সম্পর্ক ধরে রাখা কঠিন। নিজের কাছের মানুষকে মিথ্যে বলার মধ্যে কোনও বাহাদুরি নেই, বরং আমরা যতই গাঢ়ভাবে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়তে থাকি ততই আমাদের মধ্যে পার্টনারকে চিট করার অপরাধবোধ জন্ম নেয়। দুই নৌকোয় পা দিয়ে চলতে গিয়ে নিজেকে মানসিকভাবে অত্যাচার করার কোন মানে হয় না। এইসব ক্ষেত্রে একটিই মাত্র উপায় আছে, যতই শক্ত হোক বা সে সম্পর্ক যতই গাঢ় হোক ধৈর্য ধরে সম্পর্ক থেকে নিজেকে সরিয়ে আনা। এক্ষেত্রে এই কয়েকটি উপায় আমাদের নানাভাবে সাহায্য করতে পারে।

নিজেকে সময় দেওয়া

কোনও সম্পর্কই তাড়াহুড়ো করে শেষ করা যায় না। তবে যে সম্পর্ক আমরা রাখতেই চাইছি না তাকে বেশি দূর টেনে না নিয়ে যাওয়াই ভালো। সেক্ষেত্রে উল্টোদিকের মানুষটিকে ধৈর্য ধরে সম্পর্ক না রাখার কারণগুলো বোঝানো যেতে পারে। এতে প্রথম প্রথম মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়লেও এটাই সবচেয়ে ম্যাচিওর ডিসিশন হবে। মনে রাখবেন সম্পর্কের রাশ হাত থেকে বেড়িয়ে গেলে আমাদের আর কিছু করার থাকবে না।

নিজের ভুল স্বীকার করা

যেহেতু আমরা সবটা জেনেবুঝে সম্পর্কে জড়িয়েছি তাই ভুলটা আমাদের। সম্পর্ক ছেড়ে বেড়িয়ে আসতে গিয়ে যদি কোনও ঝামেলার সৃষ্টি হয় তাহলে বিনীতভাবে নিজের ভুল স্বীকার করে নেওয়া ভালো। আর কখনও এই ধরণের সম্পর্কে জড়াতে চাইনা এটাও জানিয়ে দেওয়া উচিত।

পুনরায় সম্পর্কে না জড়ানো

হঠাৎ কোনও অনুষ্ঠান বা পার্টিতে দেখা হলে আমাদের পুরোনো সম্পর্কের কাছে ফিরে যেতে ইচ্ছে করে। কিন্তু বারবার একই সম্পর্কে জড়ালে আখেরে আমাদেরই ক্ষতি হবে। নিজেকে সঠিক সময়ে সরিয়ে নিতে না পারলে ভবিষ্যতে অন্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হবে।

থেরাপির সাহায্য নেওয়া

জেনেবুঝে নিজের কাছের মানুষকে বা অন্য কারোর পার্টনারকে ঠকাতে গিয়ে অনেকের মনেই তীব্র অনুশোচনার জন্ম নেয়। এর থেকে নানান ধরণের মানসিক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। এক্ষেত্রে মনের কথা বলার মতো মানুষ না থাকলে থেরাপির সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে আমরা সবাই ভুল করে থাকি এবং ইচ্ছে থাকলে সেটাকে শুধরে নেওয়াও সম্ভব।

কাছের মানুষদের সাহায্য নেওয়া

যারা কাছের মানুষ তারা আমাদের শত ভুলও ক্ষমা করে দেন। এই সময় চেষ্টা করতে হবে যারা আমাদের মানসিকভাবে সাপোর্ট দেবে তাদের কাছাকাছি থাকার। এতে করে ধীরে ধীরে আমরা সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারব।

Published by:Suman Majumder
First published: