Blood Pressure Control: প্রয়োজন নেই একগাদা ওষুধের, ঘরোয়া টোটকাতেই নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা

ওষুধ ছাড়াও অন্যান্য প্রাকৃতিক প্রতিকার রয়েছে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করার।

ওষুধ ছাড়াও অন্যান্য প্রাকৃতিক প্রতিকার রয়েছে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করার।

  • Share this:

#কলকাতা: উচ্চ রক্তচাপ (High Blood Pressure) একটি বিপজ্জনক শারীরিক অবস্থা যা সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ মানুষকে প্রভাবিত করে। রক্তচাপ অতি মাত্রায় বেড়ে গেলে বেড়ে গেলে হার্টের ক্ষতি হতে পারে; স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাকও হতে পারে। একবার উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা ধরা পড়লে দেরি না করে প্রতিকার করা দরকার। অন্যথায় এটি মারাত্মক হতে পারে। যদিও রক্তচাপের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের অসংখ্য উপায় রয়েছে। ওষুধ ছাড়াও অন্যান্য প্রাকৃতিক প্রতিকার রয়েছে যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করতে পারে। রইল রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের এরকমই পাঁচটি উপায় রইল।

আরও পড়ুন- দুর্গাপুজোয় ২ দিনের জন্য বেড়াতে যেতে চান? এই ৩ ডেস্টিনেশন আপনাকে হাতছানি দিচ্ছে

১) নুন বা সোডিয়াম খাওয়া কম করতে হবে

বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে বেশি সোডিয়াম গ্রহণ করলে উচ্চ রক্তচাপ হয়। সোডিয়ামও স্ট্রোকের কারণ হতে পারে। এমনকি সোডিয়াম গ্রহণের দৈনিক পরিমাণে সামান্য হ্রাসও উচ্চ রক্তচাপের ক্ষেত্রে ৫ থেকে ৬ মিমি এইচজি চাপ কমিয়ে দিতে পারে। সোডিয়াম গ্রহণের প্রভাব ব্যক্তিভেদে ভিন্ন। তথাকথিত সুস্থ ব্যক্তিরও লবণযুক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া সীমিত করা উচিত। সাধারণ ব্যক্তিদের দিনে ২,৩০০ মিলিগ্রামের বেশি লবণ খাওয়া উচিত নয়।

২) বেশি করে পটাসিয়াম খেতে হবে

যাঁরা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন তাদের জন্য পটাসিয়াম একটি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। এই খনিজ রক্তনালীর উপর চাপ কমায়। প্রক্রিয়াজাত এবং প্যাকেটজাত খাবার বেশিরভাগই সোডিয়াম দিয়ে তৈরি করা হয় এবং সেই কারণেই শারীরিক ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য ডায়েটে আরও পটাসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যোগ করতে হবে। কিছু খাবার যা আমরা অন্তর্ভুক্ত করতে পারি ডায়েটে তা হল:

শাকসবজি: শাক, টমেটো, আলু এবং মিষ্টি আলু

ফল: তরমুজ, কলা, অ্যাভোকাডো, কমলা এবং এপ্রিকট

অন্যান্য: বাদাম এবং বীজ, দুধ, দই, টুনা এবং স্যামন মাছ

৩) প্রতি দিন এক্সারসাইজ করতে হবে

নিয়মিত ব্যায়াম প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে সুস্থ থাকতে এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমাতে প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিয়মিত ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট ব্যায়াম করতে হবে। যাঁরা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন তাঁদের জন্য এটি আরও বেশি প্রয়োজনীয়। নিয়মিত ব্যায়াম হার্ট শক্তিশালী করে এবং ধমনীর উপর চাপ কমায়। এমনকি প্রতি দিন ৪০ মিনিট হাঁটাও আমাদের সুস্থ ও নিরাপদ রাখতে যথেষ্ট।

৪) স্বল্প মাত্রায় মদ্যপান করা ও ধূমপান বন্ধ করা

সিগারেট এবং অ্যালকোহল উভয়ই উচ্চ রক্তচাপের জন্য দায়ী। অ্যালকোহল এবং নিকোটিন উভয়ই সাময়িকভাবে রক্তচাপের মাত্রা বাড়িয়ে রক্তনালীর ক্ষতি করতে পারে। যেহেতু উভয় জিনিসই স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে বলে জানা যায়, তাই উপকারের জন্য এগুলো ত্যাগ করা ভালো।

৫) পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট এড়িয়ে চলা

পরিশোধিত কার্বস এবং চিনিও উচ্চ রক্তচাপের কারণ হতে পারে। রুটি এবং সাদা চিনির মতো খাবারগুলি সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ যাঁদের আছে তাঁদের লো-কার্ব ডায়েটে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরিশোধিত ময়দার বদলে হোল গ্রেন এবং সাদা চিনির বদলে গুড় বা মধু খাওয়া ভালো।

Published by:Suman Majumder
First published: