লাইফস্টাইল

corona virus btn
corona virus btn
Loading

ডায়াবেটিসের সমস্যা? অ্যালোভেরার জুসের এক চুমুকই কাজ করবে মন্ত্রের মতো!

ডায়াবেটিসের সমস্যা? অ্যালোভেরার জুসের এক চুমুকই কাজ করবে মন্ত্রের মতো!

শহর আর গ্রামের জীবনযাত্রায় যে বিস্তর ফারাক আছে, সে সকলেই জানে।

  • Share this:

#কলকাতা: শহর আর গ্রামের জীবনযাত্রায় যে বিস্তর ফারাক আছে, সে সকলেই জানে। কংক্রিটের জঙ্গলে ক্রমাগত কমতে থাকা সবুজ আর বাড়তে থাকা স্ট্রেস ধীরে ধীরে গ্রাস করছে জীবনের অনেকটাই। বয়সের অনেক আগেই বুড়িয়ে যাচ্ছেন অনেকে। আর এই সবটুকুর কারণ হিসেবে ভেসে ওঠে দু'টো শব্দ- লাইফস্টাইল ডিজিজ। অর্থাৎ এমন কিছু অসুখ যার গোড়ায় আছে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রার প্রভাব। লাইফস্টাইল ডিজিজের মধ্যে সবার প্রথমেই নাম আসবে ডায়াবেটিসের। সাধারণ লব্জে সুগার নামে পরিচিত হলেও ব্যাপারটা মোটেও মিষ্টি নয়। রক্তে চিনির পরিমাণ বৃদ্ধি হওয়াতেই শুধু এটা সীমাবদ্ধ থাকে না। ধীরে ধীরে নষ্ট করে দেয় শরীরের অনেক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ। সুতরাং সময় মতো ধরা না পড়লে বিষয়টি জটিল আকার ধারণ করতে পারে। যদিও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার অনেক ওষুধ আছে, কিন্তু স্বাভাবিক উপায়ে রক্তে চিনির পরিমাণ কম করতে হলে অ্যালোভেরার হাত ধরতে হবে। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলা এবং ত্বকে উজ্জ্বলতা নিয়ে আসাই কিন্তু অ্যালোভেরার একমাত্র কাজ নয়। ডায়াবেটিস রোগীদের কাছে অ্যালোভেরা জুস হল অমৃতের সমান।

কারণ অ্যালোভেরা জুস বা জেল প্রাকৃতিক ভাবে রক্তে চিনির পরিমাণ কম করে। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খেলে কোনও ওষুধ বা অন্য জুস ছাড়াই ফাস্টিং-এ সুগার কাউন্ট অনেক কম আসে। এছাড়া অ্যালোভেরা বাড়তি মেদ কম করতে এবং ওজন কমাতেও সাহায্য করে। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকলেও সেটা খুব একটা বেশি নয়। যে কোনও ধরনের ডায়াবেটিসের জন্য এই অ্যালোভেরা ভালো। সাধারণত দেখা যায় যে প্রথম স্তরে এই রোগ ধরা পড়লেই অনেকেই খুব একটা সচেতন হন না। কিছু দিন পরে কমে যাবে ভেবে নিয়ে তাঁরা আগের মতোই জীবনযাপন করেন। এতে ফল হিতে বিপরীত হয়। সামান্য বেড়ে যাওয়া সুগার রীতিমতো দৈত্যাকার ধারণ করে। এই রকম অবস্থায় অর্থাৎ প্রথম প্রথম ডায়াবেটিস ধরা পড়লে নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস পান করা উচিৎ। যাঁদের ডায়াবেটিস আছে, তাঁরা তো এর সুফল নেবেনই! কিন্তু যাঁদের পরিবারে অনেকের এই রোগ আছে, তাঁদেরও এই উদ্ভিদের সাহায্য নেওয়া দরকার। তবে নিজে থেকে অ্যালোভেরা জুস বা জেল সেবন না করে এই বিষয়ে আগে একবার চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেওয়া উচিৎ। তিনি যেমন অনুপাত বলে দেবেন, সে রকমটাই মেনে চলা কাম্য!

Published by: Akash Misra
First published: January 11, 2021, 7:31 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर