Home /News /life-style /
Hair Care Tips: ঘি থেকে শুরু করে কফি বা ভিনিগার! কোন কোন উপাদানে চুল হয়ে উঠবে রেশমের মতো মসৃণ?

Hair Care Tips: ঘি থেকে শুরু করে কফি বা ভিনিগার! কোন কোন উপাদানে চুল হয়ে উঠবে রেশমের মতো মসৃণ?

Herbal Hair Care: জেনে নেওয়া যাক, ঘন, মসৃণ, রেশমের মতো চুল পাওয়ার জন্য কীভাবে যত্ন নিতে হবে।

  • Share this:

Hair Care Tips: রূপচর্চার ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক উপাদান যেন সত্যিই আশীর্বাদ। কারণ তাতে কোনও রাসায়নিকের প্রভাব থাকে না। আর সবথেকে বড় কথা হল, রাসায়নিকযুক্ত যে কোনও উপাদান ত্বক ও চুলের যত্নে ব্যবহার করলে তা ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই রূপচর্চার ক্ষেত্রে সব সময় প্রাকৃতিক উপাদানের উপরেই জোর দেওয়া উচিত। আর চুলের যত্নের জন্য ভেষজ অথবা উদ্ভিজ্জ উপাদানের থেকে ভালো কিছুই হতে পারে না। জেনে নেওয়া যাক, ঘন, মসৃণ, রেশমের মতো চুল পাওয়ার জন্য কী ভাবে যত্ন নিতে হবে।

ক্লিনজিংয়ের জন্য:

চুলের ক্লিনজার আমাদের প্রকৃতির মধ্যেই রয়েছে। যা চুলকে আরও সতেজ করে তুলতে পারে। এর মধ্যে তিনটি উপাদান চুলের জন্য দারুণ কাজ করে। সবার আগে এক্ষেত্রে নিমের কথাই বলা যাক। প্রাচীন আয়ুর্বেদে নিমের গুণাগুণ সম্পর্কে অনেক তথ্যই পাওয়া যায়। এটি চুলের জন্যও খুবই ভালো। কারণ নিমে রয়েছে অ্যান্টি-ফাঙ্গাল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান। এর পাশাপাশি নিম অ্যান্টিসেপটিক হিসেবেও কাজ করে। চুল ও স্ক্যাল্পকে পরিষ্কার করার পাশাপাশি চুলের ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে নিম। একইসঙ্গে আবার চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে।

আরও পড়ুন- ফের বদলাল রণবীর কাপুর আলিয়া ভাটের বিয়ের তারিখ! এতবার বদল নিয়ে ধন্দে অনুরাগীরা

নিমের পরেই হেয়ার ক্লিনজার বলা যায় টি-ট্রি অয়েলকে। যা চুল ও স্ক্যাল্পের ময়লা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

আর হেয়ার ক্লিনজিংয়ের জন্য ভালো তৃতীয় উপাদান হল ডাবের জল। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-ফাঙ্গাল এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান। আর এই ধরনের উপাদান চুলকানি, খুশকি এবং অন্যান্য সংক্রমণও প্রতিরোধ করে। তাই এটি চুল ঝরার সমস্যা কমায় এবং চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে।

কন্ডিশনিংয়ের জন্য:

কফি পাউডার চুলের জন্য খুব ভালো এক্সফোলিয়েটর, যা ভালো কন্ডিশনার হিসাবেও কাজ করে। কফি মাস্ক তৈলাক্ত স্ক্যাল্প ও চুলের জন্য দারুণ উপকারী। কারণ এটি স্ক্যাল্পকে এক্সফোলিয়েট করে এবং মৃত কোষ সরিয়ে মাথার ত্বকে প্রয়োজনীয় তেলের ভারসাম্য বজায় রাখে। কফি অ্যাসিডধর্মী হওয়ায় এটি স্ক্যাল্প এবং চুলের পিএইচ স্তরের ভারসাম্যও বজায় রাখতে সাহায্য করে।

অ্যাপল সাইডার ভিনিগার আর একটি প্রাকৃতিক উপাদান, যা ভালো কন্ডিশনারের কাজ করে। এর মধ্যে প্রাকৃতিক ভাবে উচ্চ মাত্রায় অ্যাসিটিক অ্যাসিড উপাদান এবং পিএইচ স্তর রয়েছে, যা প্রায় সকল প্রকারের চুলের জন্যই ভালো।

আর একটি সহজ এবং প্রাকৃতিক উপায়ে চুলের কন্ডিশনিং করা যায়। সেটা হল, রাইস ওয়াটার প্রোটিন। রাইস প্রোটিনে কেরাটিন থাকে, যা আমাদের চুলকে সুস্থ রাখতে এবং চুলের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে এটি চুলকে চকচকে, মসৃণ এবং ভালো ভাবে ময়েশ্চারাইজ করে।

আরও পড়ুন- ৬৩-তেও তরতাজা, চিরযৌবনা রণবীরের মা অভিনেত্রী নীতু কাপুরের সৌন্দর্যের রহস্য ফাঁস!

হেয়ার সিরাম হিসাবে:

দেশি ঘি খুব ভালো হেয়ার সিরাম। কারণ এতে ভিটামিন-ই এবং অ্যান্টি-এজিং উপাদান থাকে। ঘি আসলে তেলের মতোই স্ক্যাল্পের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

আমন্ড অয়েল চুল মেরামত এবং মজবুত করে। সেই সঙ্গে আমন্ডের লুব্রিকেটিং উপাদান চুলে নানা ধরনের স্টাইলিং করার সময়ে ফ্রিকশন কমায়। আমন্ড অয়েল সরাসরি স্ক্যাল্পে ঘষলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং এর মধ্যে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট স্ক্যাল্পের জন্যও খুব ভালো কাজ করে। এটি শুষ্ক চুলে আর্দ্রতাও আনে এবং চুলের ভঙ্গুরতা প্রতিরোধ করে।

ভালো পুরোনো আমলকী চুল পড়া এবং অকালে চুল ধূসর হয়ে যাওয়ার সমস্যা রুখে দিতে পারে। ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ আমলকী চুলের গোড়া মজবুত করে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি, চুলের ঘনত্ব বাড়িয়ে খুসকির সমস্যা কমাতেও খুবই কার্যকর আমলকী। সেই সঙ্গে এটি চুলকে ময়েশ্চারাইজও করতে সহায়তা করে।

Published by:Madhurima Dutta
First published:

Tags: Hair Care, Hair Care Tips

পরবর্তী খবর