• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • HEALTH YOU MIGHT BE MORE AT RISK FROM REUSED FACE MASKS THAN NOT WEARING ONE STUDY FINDS TC SDG

মাস্ক না পরার চেয়েও ভয়ঙ্কর ব্যবহৃত মাস্কের পুনরায় ব্যবহার! চাঞ্চল্যকর দাবি গবেষকদের

করোনা সংক্রমণ আটকাতে থ্রি লেয়ারড বা ত্রি-স্তরীয় মাস্ক আদর্শ। কিন্তু প্রথমবার ব্যবহারেই এটি সব চেয়ে বেশি কার্যকরী। পরের দিকে মাস্কটিকে বারবার ব্যবহার করলে ধীরে ধীরে তা কার্যক্ষমতা হারাতে থাকে।

করোনা সংক্রমণ আটকাতে থ্রি লেয়ারড বা ত্রি-স্তরীয় মাস্ক আদর্শ। কিন্তু প্রথমবার ব্যবহারেই এটি সব চেয়ে বেশি কার্যকরী। পরের দিকে মাস্কটিকে বারবার ব্যবহার করলে ধীরে ধীরে তা কার্যক্ষমতা হারাতে থাকে।

  • Share this:

#কলকাতা: সংক্রমণকালে প্রাথমিক স্বাস্থ্যবিধি সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর সেই সূত্রেই বর্তমান দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অঙ্গ হল মাস্ক। প্রশাসনের তরফেও মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করে দেওয়া হয়েছে। তবে মাস্ক ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন অত্যন্ত জরুরি। কী মাস্ক ব্যবহার করা হচ্ছে সেটা দেখা খুব প্রয়োজনীয়। এ ক্ষেত্রে আগে থেকে এক-দুইবার ব্যবহৃত মাস্ক ফের ব্যবহার করলে তা খুব একটা কাজে দেবে না। এর থেকে বরং মাস্ক না পরলেও চলে। সম্প্রতি এমনই জানাচ্ছে এক সমীক্ষা।

এ নিয়ে Daily Mail-এর একটি প্রতিবেদনে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। সমীক্ষার সঙ্গে যুক্ত University of Massachusetts Lowell এবং ক্যালিফোর্নিয়া ব্যাপটিস্ট ইউনিভার্সিটির গবেষকরা জানাচ্ছেন, করোনা  সংক্রমণ আটকাতে থ্রি লেয়ারড বা ত্রি-স্তরীয় মাস্ক আদর্শ। স্বাস্থ্য কর্মীরা যে থ্রি-লেয়ারড মাস্ক পরে থাকেন তা সংক্রমণ দূরে রাখতে অত্যন্ত কার্যকরী। কিন্তু প্রথমবার ব্যবহারেই এটি সব চেয়ে বেশি কার্যকরী। পরের দিকে মাস্কটিকে যখন বারবার ব্যবহার করা শুরু হয়, তখন ধীরে ধীরে সংশ্লিষ্ট মাস্কটির কার্যক্ষমতা হারাতে থাকে। এর জেরে পরের দিকে হাঁচি কাশির ড্রপলেট (Droplets) আটকানোর ক্ষমতা হারায় মাস্কগুলি। ভাইরাসের সংক্রমণ থেকেও মাস্ক ব্যবহারকারীকে সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়।

তা ছাড়া দুই-তিনবার জলে ধুয়ে ফেলার পর মাস্কগুলি বেশ ঢিলে যায়। যা মুখে পরলে খুব একটা উপকার পাবেন না ব্যবহারকারী। কারণ মাস্কের আকার-আয়তন যদি ঠিক না থাকে, তা হলে মুখ ও নাক অনুযায়ী তা ঠিক করে বসবে না। গবেষকদের কথায়, এই বিষয়টির উপরেও বিবেচনার করতে হবে। এই বিষয়ে UMass Lowell-এর বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপত ড. জিনজিয়াং জি জানিয়েছেন, একটি পুনরায় ব্যবহৃত মাস্ক ধীরে ধীরে কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। কারণ এই ধরনের মাস্কের সাহায্যে ৫ মাইক্রোমিটার উপরের ভাইরাস কণাগুলিকে আটকানো যায়। কিন্তু ২.৫ মাইক্রোমিটার আকারের নিচে থাকা ভাইরাস কণাগুলিকে আটকানো যায় না। আর এগুলি সহজেই মাস্কের মধ্যে দিয়ে মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। এর জেরে সংক্রমণের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এ ক্ষেত্রে মাস্কের মাঝের স্তর অর্থাৎ মিডল লেয়ার ভাইরাসের কণা ফিল্টার করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ।

Physics of Fluids-এ প্রকাশিত এই সমীক্ষায় একটি কম্পিউটার মডেলকে ব্যবহার করে মানবশরীরে ভাইরাসের সংক্রমণকে বোঝার চেষ্টা করা হয়েছে। গবেষকরা দেখার চেষ্টা করেছেন, কীভাবে সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম কণা একটি নতুন মাস্ক ও একটি পুনরায় ব্যবহৃত মাস্কের মধ্যে দিয়ে প্রবেশ করে এবং কোন ক্ষেত্রে সংক্রমণের হার বেশি। এ ক্ষেত্রে নতুন ও পুনরায় ব্যবহৃত মাস্কের  ফিল্টার প্রসেসও যে আলাদা, সেটি লক্ষ্য করা গিয়েছে। নতুন মাস্ক যেখানে ৬০ শতাংশের বেশি ভাইরাসকে আটকাতে, সেখানে একটি পুনরায় ব্যবহৃত মাস্ক তার অর্ধেকও করতে পারে না!

Published by:Shubhagata Dey
First published: