লাইফস্টাইল

corona virus btn
corona virus btn
Loading

জনপ্রিয় মিষ্টিমুখ তো বটেই! শীতে শরীর তরতাজা রাখতে গাজরের হালুয়ার বিকল্প নেই

জনপ্রিয় মিষ্টিমুখ তো বটেই! শীতে শরীর তরতাজা রাখতে গাজরের হালুয়ার বিকল্প নেই

শীতকালের অন্যতম জনপ্রিয় সবজি গাজর। আর শীলকাল মানেই ইন্ডিয়ান ডিশে অ্যাড হয় ভারতীয়দের অন্যতম পছন্দের ডেসার্ট গাজরের হালুয়া।

  • Share this:

#কলকাতা: শীতকালের অন্যতম জনপ্রিয় সবজি গাজর। আর শীলকাল মানেই ইন্ডিয়ান ডিশে অ্যাড হয় ভারতীয়দের অন্যতম পছন্দের ডেসার্ট গাজরের হালুয়া। অনেকে হয় তো এই খাবার স্বাদের খাতিরেই খেয়ে থাকেন, কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলেন, ডেসার্ট হলেও এই খবারের একাধিক পুষ্টিগুণ রয়েছে। বিশেষ করে এই আবহাওয়ায় এই খাবার শরীরের অনেক উপকার করে। তা হলে জেনে নেওয়া যাক কেন শীতে গাজরের হালুয়া মাস্ট হ্যাভ?

*গাজরের উপকারিতা: শীতকালে ঠাণ্ডা লাগা, সর্দি-কাশি লেগেই থাকে। তার কারণ, শীতে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকের শরীরে কমে যায়। এর ফলে সহজেই ঠাণ্ডা বাতাস বা ঋতু পরিবর্তনের ফলে শরীর খারাপ হয়। বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন, এই সময় তাই রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো অত্যন্ত প্রয়োজন। আর এতেই সাহায্য করতে পারে গাজর। এতে প্রচুর পরিমাণে বেটা ক্যারোটিন থাকে, যা ভিটামিন A-র উৎস। পাশাপাশি থাকে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টসও। যা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও যে কোনও ইনফেকশন থেকে বাঁচায়।

*গাজরের হালুয়ায় বাড়তে পারে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা: গাজরের হালুয়া বানাতে গাজর ছাড়াও দুধ, আমন্ড, এলাচের প্রয়োজন হয়। গরুর দুধ বা মোষের দুধে ভিটামিন D থাকে, থাকে প্রোবায়োটিক্স (Probiotics) ও ইমিউনোগ্লোবিউলাইন (Immunoglobulin)। যা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা মজবুত করে। ভাইরাস প্রতিরোধ করে। এ দিকে এলাচে থাকে ভিটামিন C, যা সর্দি-কাশি প্রতিরোধ করে। আমন্ডে থাকে ভিটামিন E, যা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

*ওজন কমাতে সাহায্য করে: শীতকালে সে ভাবে ক্যালোরি বার্ন না হওয়ায় বেশিরভাগ মানুষেরই ওজন বেড়ে যায়। পাশাপাশি শীতে শরীরেরও এনার্জি দরকার হয়, ফলে ক্যালোরিযুক্ত খাবার অল্প খেতে হয়। তাই ওজন বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু গাজর এমন একটি সবজি যা খেলে অনেকক্ষণ পেট ভরতি থাকতে পারে এবং এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা হজমের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। এতে ক্যালোরিও কম থাকে, ফলে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা থাকে না।

এ দিকে, যাঁদের ওজন অনেক বেশি, তাঁদের কোলেস্টেরলের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়, যা কার্ডিয়াক অ্যারেস্টও ঘটাতে পারে। কিন্তু গাজর খেলে তা ব্যাড কোলেস্টেরল কমায় ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে।

*ত্বক ভাল রাখে: কথায় আছে পেটে খেলে পিঠে সয়। গাজরও ঠিক তেমন। পেটে দিলে একাধিক ত্বকের সমস্যা দূর করতে পারে। তার জন্য ত্বকে কসমেটিক প্রোডাক্ট ব্যবহার না করলেও চলে। শীতে আবহাওয়ার পরিবর্তনের জন্য ও বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকায়, ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়। ত্বকে বিভিন্ন ধরনের ব়্যাশেস আসতে পারে। এই সব থেকে প্রাকৃতিক ভাবে মুক্তি দিতে পারে গাজর। এতে বেটা ক্যারোটিনের আকারে ভিটামিন A থাকে, যা ত্বকের কোষগুলি নিয়মিত প্রতিস্থাপন করে। ফলে ত্বক খারাপ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। ও বিভিন্ন ব়্যাশেস থেকেও মুক্তি দেয়।

*গাজরে অ্যান্টি-ক্যানসার উপাদান থাকে: বেশ কিছু সমীক্ষা বলছে, ক্যারোটেনয়ডস (Carotenoids), ফেনোলিকস (Phenolics), পলিঅ্যাসেটিলেনেস (Polyacetylenes) ও অ্যাসকরবিক অ্যাসিড (Ascorbic Acid)-এই গাজরে চার ধরনের ফাইটোকেমিক্যাল (Phytochemical) থাকে গাজরে। যা টিউমার ও ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা কমায়।

Published by: Shubhagata Dey
First published: January 4, 2021, 11:26 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर