• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • বাচ্চার জন্য ভ্যাক্সিনেশান কার্ড মেনে চলা কেন জরুরি

বাচ্চার জন্য ভ্যাক্সিনেশান কার্ড মেনে চলা কেন জরুরি

ভ্যাক্সিনেশান কার্ড এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে কারণ গোটা বিশ্ব এখন সংক্রামক রোগের ভয়ে আতঙ্কিত।এই ভ্যাক্সিনেশান কার্ড আপনার শিশুর স্বাস্থ্য এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার হিস্ট্রি-র জলজ্যান্ত রেকর্ড।

ভ্যাক্সিনেশান কার্ড এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে কারণ গোটা বিশ্ব এখন সংক্রামক রোগের ভয়ে আতঙ্কিত।এই ভ্যাক্সিনেশান কার্ড আপনার শিশুর স্বাস্থ্য এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার হিস্ট্রি-র জলজ্যান্ত রেকর্ড।

ভ্যাক্সিনেশান কার্ড এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে কারণ গোটা বিশ্ব এখন সংক্রামক রোগের ভয়ে আতঙ্কিত।এই ভ্যাক্সিনেশান কার্ড আপনার শিশুর স্বাস্থ্য এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার হিস্ট্রি-র জলজ্যান্ত রেকর্ড।

  • Share this:

    ভ্যাক্সিনেশান কার্ড হল, বাবা-মায়েদের জন্য শিশুদের ভ্যাক্সিনেশানের সময়সূচী ট্র্যাক করার সবচেয়ে সহজ ও স্মার্ট উপায় এবং এর ফলে শিশুর মধ্যে বহু জটিল রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা নিশ্চিত ভাবে তৈরি করা যায়। এটি হল তাদের সুস্বাস্থ্যের পাসপোর্ট।

    এই মহামারীর ফলে আমাদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বহু রুটিন বিপর্যস্ত হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের টীকাকরণ বা ভ্যাক্সিনেশান সময়সূচীর ক্ষেত্রে এই কথা ভীষণ ভাবে প্রযোজ্য। প্রত্যেক শিশুর জীবনের প্রথম পাঁচ বছরে, বেশ কয়েকটি টিকা দেওয়া জরুরি, যার উপরে তার ভবিষ্যৎ রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা গঠন নির্ভর করে। এই কারণে এই ভ্যাক্সিনগুলি শিশুদের পক্ষে অত্যন্ত জরুরি, যার ফলে শিশুদের শরীরে হুপিং কাশি, হেপাটাইটিস A, মেনিনজাইটিস এবং পোলিও-র মতো রোগের প্রতিরোধ ক্ষমতা সারা জীবনের জন্য তৈরি হয়ে যায়। শিশুদের ১-২ বছর বয়স পর্যন্ত বাবা-মায়েরা তাদের ভ্যাক্সিনেশান বিষয়ে সতর্ক থাকেন, কিন্তু বহু ক্ষেত্রেই বাচ্চা একটু বড় হওয়ার পরে সেটা কিছুটা কমে যায়।

    এই ক্ষেত্রে বাবা-মায়েদের মনে রাখতে হবে, বাচ্চা বড় হওয়ার মানে এটা নয় যে তার এই রোগ প্রতিরোধক টিকাগুলির আর প্রয়োজন নেই। বরং ১-৫ বছরের শিশুদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিকা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়, যেমন- হেপাটাইটিস A (এ), চিকেন পক্স, MMR (এমএমআর), মেনিনজাইটিস ACWY (এসিডব্লিউওয়াই)ভ্যাক্সিন, DTP-HIB-HepB (ডিটিপি-এইচআইবি-হেপ বি)বুস্টার, PCV (পিসিভি)বুস্টার, অ্যানুয়াল ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাক্সিন ইত্যাদি।

    এই ভ্যাক্সিনগুলির মধ্যে যে কোনও একটি না নেওয়ার অর্থ হল, আপনার সন্তানের স্বাস্থ্যের প্রতি দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি গ্রহণ করা। এই কারণেই শিশু বিশেষজ্ঞরা বাবা-মায়েদের, একটি ভ্যাক্সিনেশান কার্ড দেন: যা হল আপনার সন্তানের সুস্বাস্থ্যের পাসপোর্ট। এই ভ্যাক্সিনেশান কার্ড টিকা দেওয়ার সময়সূচী স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি এটি সেই টিকাগুলি গ্রহণ করার গুরুত্বের উপরেও জোর দেয়। বাবা-মায়েরা এই কার্ড অনুযায়ী তাদের ভবিষ্যতের কর্মসূচী সম্পর্কে পরিকল্পনা করতে পারেন এবং এমনকী কোনও ভ্যাক্সিন নেওয়া মিস হয়ে গেলেও তা পরবর্তী কালে মনে করে নিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

    ্যএটি এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি, যা স্কুলের ভর্তির আবেদনের সময় বা ট্র্যাভেল ভিসার আবেদন করার সময় কাজে লাগবে। এই কার্ড দেখে চিকিৎসকরা অনুমান করতে পারেন যে, কোনও শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কোন স্তরে রয়েছে, এবং অন্য কী কী টিকা দেওয়া এখনও বাকি রয়েছে। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল, ভ্যাক্সিনেশান কার্ড একটি সচেতনতা তৈরি করতে সাহায্য করে যার ফলে শৈশব অবস্থার কঠিন রোগগুলির বিরুদ্ধে একটি সামগ্রিক সুরক্ষা কবচ গড়ে তোলা সম্ভব হয় উপযুক্ত টিকা দেওয়ার মাধ্যমে। এটি শিশুর বাবা-মাকে একটি নির্দিষ্ট সময়সূচী মেনে চলতে সাহায্য করে, যে নির্দিষ্ট বয়সসীমার মধ্যে সেই টিকা দেওয়া না হলে বা টিকা দিতে বিলম্ব হলে, শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি না-ও হতে পারে। অধিকাংশ বাবা-মা বর্তমানে ভ্যাক্সিনেশান কার্ডের মতো স্ট্যান্ডার্ড গাইড মেনে চললেও, বর্তমানে এমন কিছু ডিজিটাল অ্যাপ্লিকেশান রয়েছে যেগুলি শিশুকে যথা সময়ে টিকা দেওয়ার কথা মনে করিয়ে দেবে। এমনই একটি পরিষেবা হল Indian Academy of Paediatrics(ভারতীয় পেডিয়াট্রিক্স অ্যাকাডেমি) দ্বারা নির্মীত Immunize India(ইমিউনাইজ ইন্ডিয়া) অ্যাপ। এই রকম আরও অনেক অ্যাপ রয়েছে যার মাধ্যমে শিশুর ভ্যাক্সিনেশান কার্ড এবং রেকর্ড ডিজিটালাইজ করতে বাবা-মাকে সাহায্য করে।

    এই সুবিধাগুলির সৌজন্যে, ভ্যাক্সিনেশান কার্ডের সময়সূচী মেনে চলা এবং শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে চলা বাবা-মায়েদের পক্ষে আর খুব একটা কঠিন হবে না। তাঁরা আপনাকে সঠিক পরামর্শ দেবেন যে আপনার সন্তানকে কোন ভ্যাক্সিন ঠিক কোন সময়ে দেওয়া উচিত। এই ভ্যাক্সিন রুটিন আপনার শিশুর চিকিৎসকের সাথে কথা বলে আরও নিপুণ করে তুলতে পারেন। এবং ঠিক এই ভাবেই, ভ্যাক্সিনেশান কার্ড সঠিক ভাবে মেনে চলার মাধ্যমে আপনি নিজের সন্তানের শরীরে উপযুক্ত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও সুরক্ষা কবচের ভিত গড়ে তুলতে পারবেন।

    ডিসক্লেমার: এটি GlaxoSmithKline Pharmaceuticals Limited–এর তরফে একটি জনসচেতনতামূলক উদ্যোগ। ডাঃ অ্যানি বেসান্ত রোড, ওয়ার্লি, মুম্বাই ৪০০ ০৩০, ভারত। এই প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্যের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরি এবং এখানে কোনও রকম চিকিৎসার পরামর্শ অন্তর্ভুক্ত নেই। যে কোনও প্রশ্ন বা সমস্যার ক্ষেত্রে, আরও বিশদ তথ্য জানতে অনুগ্রহ করে আপনার শিশুর চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করুন। ভ্যাক্সিন দ্বারা প্রতিরোধ সম্ভব এমন রোগের সম্পূর্ণ তালিকার জন্য এবং প্রতিটি রোগের সম্পূর্ণ ভ্যাক্সিনেশান সময়সূচীর জন্য আপনার শিশুর চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করুন। GSK প্রোডাক্টের কোনও রকম অবাঞ্ছিত প্রভাব রিপোর্ট করার জন্য কোম্পানিকে মেইল করে জানান এখানে- india.pharmacovigilance@gsk.com.

    NP-IN-MLV-OGM-200042, DOP Dec 2020

    এটি একটি পার্টনারড পোস্ট

    Published by:Elina Datta
    First published: