ওজন কমাতে এগ ডায়েটেই হতে পারে ব্রহ্মাস্ত্র , জানেন কী?

weight loss here is a look at this unique diet plan

ছোট্ট একটা ডিমে যে কতটা প্রোটিন থাকে আর তা শরীরের পক্ষে কতটা প্রয়োজন, সেটা আমাদের অজানা নয়। কিন্তু ওজন কমানোয় ও নিত্যনতুন ডায়েট ট্রাই করে দেখার সময়ে ডিমের কথা মাথায় আসে না।

  • Share this:

#কলকাতা: ছোট্ট একটা ডিমে যে কতটা প্রোটিন থাকে আর তা শরীরের পক্ষে কতটা প্রয়োজন, সেটা আমাদের অজানা নয়। কিন্তু ওজন কমানোয় ও নিত্যনতুন ডায়েট ট্রাই করে দেখার সময়ে ডিমের কথা মাথায় আসে না। অথচ ওজন কম করাতেও ডিমের বিরাট ভূমিকা আছে। ডিমে আছে ওমেগা থ্রি এবং প্রোটিন, তাই পুষ্টিকর খাদ্যের তালিকায় সবার আগে নাম আসে ডিমের। শুধু ফিটনেস নয়, যদি প্রতিদিনের ডায়েটে ডিম রাখা যায়, তাহলে দূর হয় বাড়তি মেদও।

কী ভাবে সাহায্য করে এই এগ ডায়েট?

বলা হচ্ছে, সারা দিনে যদি একটাও অন্তত বড় মিল শুধুই ডিম দিয়ে হয়, তাহলে ওজন কমে। ডিম খেলে কোনও ব্যক্তির পেশির কোনও ক্ষতি হয় না। এক্ষেত্রে সারা দিনে তিনটে মিল থাকবে, যার মধ্যে প্রচুর জলপানের সুযোগ থাকবে এবং ছোটখাটো মুখরোচক স্ন্যাক্স বাদ থাকবে। সেদ্ধ ডিমের ডায়েট বা ডিমের যে কোনও রকমের ডায়েট এক্ষেত্রে অনুসরণ করা যাবে।

কী কী সুবিধা পাওয়া যাবে এগ ডায়েট থেকে?

১) খাবার হজমের শক্তি বাড়ায়- কতটা খাবার হজম হচ্ছে. তার উপরেই নির্ভর করছে ওজন কতটা কমবে! এই হজমে সাহায্য করে অ্যামাইনো অ্যাসিড। ডিমে নয় প্রকার অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকে, যা খাবার দ্রুত হজম করিয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে।

২) মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য উন্নত করে ওজন কম করায় সাহায্য করে- ডিমে কোলাইন বলে একটি উপাদান আছে যা মস্তিষ্কের উন্নতি এবং তাকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে। ওজন কম হওয়া এবং সুস্থ মস্তিষ্কের একটি যোগাযোগ আছে। কোলাইন এবং লুটেইন, যা ডিমে আছে সেগুলো স্মৃতি ধরে রাখা, পেশি সুগঠিত করা, মুড ঠিক রাখা, অস্থিরতা কম করা, অবসাদ কম করা ইত্যাদিতে সাহায্য করে, তার সঙ্গে সঙ্গেই ওজন কম করার বিষয়টিও সামলায়।

৩) থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে রাখে- ডিমে আছে আয়োডিন ও সেলেনিয়াম, যা থাইরয়েড হরমোনে সামঞ্জস্য আনে। থাইরয়েডের সঙ্গে ওজন বাড়া-কমার একটি সম্পর্ক আছে।

৪) অনেকক্ষণ পেট ভর্তি রাখে- ডিম খেলে অনেকটা এনার্জি পাওয়া যায়, আবার পেটও ভর্তি থাকে। তাই বেশি খাবারের প্রয়োজন হয় না।

৫) ক্যালোরি গ্রহণ নিয়ন্ত্রণে রাখে- যখন ওজন কমানোর প্রসঙ্গ আসে, তখন শরীর কতটা ক্যালোরি নিচ্ছে, সেটার হিসেব রাখা দরকার। একটা ডিমে আছে ৭৪ ক্যালোরি, রয়েছে ৬ গ্রাম প্রোটিন, এতে আছে ভিটামিন আর ফ্যাটও। তাই একটা ডিম খেলে অনেকটাই ক্যালোরির প্রয়োজন পুষিয়ে যায়।

৬) পেটের চর্বি কম করে- ডিমের কুসুমে আছে ভিটামিন D। ভিটামিন D পেটের চর্বি কমাতে সাহায্য করে।

Published by:Subhapam Saha
First published: