corona virus btn
corona virus btn
Loading

সাবধান! প্রেগনেন্সিতে অতিরিক্ত ওজন বাড়ছে না তো? গর্ভস্থ সন্তান পড়তে পারে চরম বিপদে

সাবধান! প্রেগনেন্সিতে অতিরিক্ত ওজন বাড়ছে না তো? গর্ভস্থ সন্তান পড়তে পারে চরম বিপদে
photo source collected

গর্ভবতী থাকাকালীন সব মহিলারই ওজন সাধারণভাবে বেড়ে যায়। কিন্তু এইসময় কোনও হবু মায়ের ওজন অতিরিক্ত পরিমাণে বাড়লে তার থেকে ঘটে যেতে পারে বিপদ!

  • Share this:
সব মায়েরাই চান, তাঁর সন্তান থাকুক দুধে-ভাতে। কিন্তু সন্তানকে ভালো রাখার জন্য মায়েদের কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিত। গর্ভবতী থাকাকালীন একজন মাকে নিজের বিশেষ যত্ন নিতে হয়। যে সন্তান আসতে চলেছে, তার জন্মদাত্রী যদি নিজে সুস্থ না থাকে তাহলে প্রভাব পড়তে পারে সেই শিশুরও উপরে। গর্ভবতী থাকাকালীন সব মহিলারই ওজন সাধারণভাবে বেড়ে যায়। কিন্তু এইসময় কোনও হবু মায়ের ওজন অতিরিক্ত পরিমাণে বাড়লে তার থেকে ঘটে যেতে পারে বিপদ! গবেষণায় দেখা গিয়েছে, গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি সদ্যোজাতর এলার্জির কারণ হয়ে উঠতে পারে। কিছু কিছু এলার্জির লক্ষণ অনেকসময় বাচ্চার বড়সড় বিপদও ডেকে আনে। আসন্ন সন্তানকে বাঁচাতে তাই হবু মায়ের প্রথম থেকেই সাবধান হওয় উচিত। নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর রিপোর্ট অনুসারে, গর্ভবতী থাকাকালীন একজন হবু মায়ের ওজন যদি অতিরিক্ত বেড়ে যায়, তাহলে পরে তাঁর বাচ্চা অ্যাজমা এবং এলার্জির শিকার হতে পারে।
জামা নেটওয়ার্ক-এর চাইনিজ রিসার্চাররা গর্ভাবস্থায় ওজন বৃদ্ধি এবং সন্তানের উপর তার ফলাফল, এই নিয়ে ১৫,১৪৫ জন মা-সন্তান জুটির উপর গবেষণা চালান। তাতে দেখা গিয়েছে, যেইসব বাচ্চাদের ওজন বয়সের তুলনায় অতিরিক্ত, তাদের পরবর্তীলকালে ১৩ শতাংশ বেশি অ্যাজমা হওয়ার ঝুঁকি থাকে। গবেষণায় উঠে এসেছে আরও এক তথ্য। ২২ থেকে ৩৩ পাউন্ড পর্যন্ত রয়েছে তাঁদের নিজেদের এবং সন্তানের ক্ষেত্রে কোনও অসুবিধা দেখা দেয়নি। কিন্তু যাদের ৩৩ থেকে ৫৫ পাউন্ডের মধ্যে ওজন ঘোরাফেরা করছে, সেইসব মায়েদের সন্তানেরাই পরবর্তীকালে এলার্জি রাইনাইটিস এবং ফুড এবং ড্রাগ এলার্জির শিকার সহজে হচ্ছে। সাংহাই জিয়াও টং ইউনিভার্সিটির গবেষক ইয়েতিং চেন জানান, পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ২৫% এলার্জি রোগে আক্রান্ত। যে করেই হোক তাঁদের এর থেকে মুক্তি পেতে হবে। গবেষকদের মতে, মা হতে চলার সময় নিজেকে সাবধান রাখলেই পরবর্তীকালে বাচ্চা এলাৰ্জির থেকে মুক্ত থাকবে। সব এলার্জিই বিপদ ডেকে আনে না, তবুও সন্তানের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে এই রোগের থেকে তাকে মুক্ত রাখার প্রাথমিক দায়িত্ব একজন মাকেই নিতেই হবে।
Published by: Elina Datta
First published: September 18, 2020, 3:17 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर