• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • করোনা ঠেকাতে ফেস মাস্কের চেয়ে সেরা বন্ধু আর নেই! বলছে গবেষণা!

করোনা ঠেকাতে ফেস মাস্কের চেয়ে সেরা বন্ধু আর নেই! বলছে গবেষণা!

গবেষণা এও বলছে যে আনলক পর্বে বিভিন্ন বার, রেস্তোরাঁ ও খুচরো বিপণন কেন্দ্র খুলে দেওয়ায় করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা বাড়তে পারে।

গবেষণা এও বলছে যে আনলক পর্বে বিভিন্ন বার, রেস্তোরাঁ ও খুচরো বিপণন কেন্দ্র খুলে দেওয়ায় করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা বাড়তে পারে।

গবেষণা এও বলছে যে আনলক পর্বে বিভিন্ন বার, রেস্তোরাঁ ও খুচরো বিপণন কেন্দ্র খুলে দেওয়ায় করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা বাড়তে পারে।

  • Share this:

করোনাই একমাত্র বিষয় যা নিয়ে এই পৃথিবীতে আপাতত লাগাতার গবেষণা চলছে। শোনা যাচ্ছে ফেস মাস্কের ব্যবহারিক উপকারিতা নিয়ে নানা কথা। সম্প্রতি নতুন একটি গবেষণাও বলছে যে মাস্ক পরলে এই অতিমারী রোধ করা সম্ভব। কানাডার সাইমন ফ্রেসার বিশ্ববিদ্যালয় (এসএইউ) পর্যবেক্ষণ করে দেখেছে যে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক হয়ে যাওয়ার ফলে করোনা ২৫% কমেছে। দু'মাস ধরে অন্টারিওর ৩৪টি পাবলিক হেলথ ইউনিটে সমীক্ষা চালিয়ে গবেষকদল এই সিদ্ধান্তে এসেছে। পাশাপাশি চলেছে তুলনামূলক গবেষণাও। খুঁটিয়ে দেখা হয়েছে যে সব ইউনিট আগে থেকেই মাস্ক পরছে এবং যারা পরে পরছে তাদের মধ্যে তফাত কতটা। কেন না, জুলাই ও অগস্টে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক ছিল না। তার পরে সেটা বাধ্যতামূলক হওয়ার দরুন নতুন কোভিড কেস ২৫ থেকে ৩১% হ্রাস পেয়েছে।

গবেষণা এও বলছে যে আনলক পর্বে বিভিন্ন বার, রেস্তোরাঁ ও খুচরো বিপণন কেন্দ্র খুলে দেওয়ায় করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা বাড়তে পারে। শুধু তাই নয়, এতে মাস্ক পরার প্রকৃত প্রয়োজনীয়তার গুরুত্বও হ্রাস পাবে। ভিড়ের মধ্যেই যদি যেতে হয়, সে ক্ষেত্রে মাস্ক পরে থাকলেও সংক্রমণের ঝুঁকি থেকেই যায়! গবেষণা তাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছে, যে সব অঞ্চলকে ব্যবসা ও অন্যান্য কাজে দোকান খোলার ছাড় দেওয়া হয়নি সেখানে করোনার সংক্রমণ ৪৮ থেকে ৫৭% কমে গিয়েছে। কানাডার বিভিন্ন প্রভিন্সে বিশ্লেষিত ডেটা বলছে মাস্ক পরায় কোভিডের সংক্রমণ অনেক কম

হয়েছে। মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই কোভিড কেস উল্লেখযোগ্য ভাবে ৪৬% কমে গিয়েছে।

কথা হল, মাস্ক পরলে যে করোনার প্রকোপ কমে যায়, সেই বিষয়ে গবেষকরা নিশ্চিত ঠিকই। কিন্তু তাঁদের নমুনা সংগ্রহের সময়সীমা এতটাই কম যে তাঁরা বুঝতে পারছেন না এর প্রভাব কতটা দীর্ঘস্থায়ী হবে। যদিও এই বিষয়ে তাঁরা নিশ্চিত যে অন্যান্য কিছু বিষয়ের সঙ্গে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হলে করোনা সংক্রমণ অনেকটাই কমবে।

সমস্যার ব্যাপার- পৃথিবীর বেশ কিছু দেশে এখন শুরু হয়েছে মাস্কবিরোধী আন্দোলন! এ হেন আন্দোলনকারীরা বলছেন যে আদতে এক ইন্ডাস্ট্রিকে পরিপুষ্ট করার জন্য মাস্ক ব্যবহারে জোর দেওয়া হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে প্রশ্ন থেকেই যায়- শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে!

Published by:Uddalak Bhattacharya
First published: