• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • রান্না করার ঝামেলা এড়াতে ফ্রোজেন ফুডই ভরসা? নিজের কি ক্ষতি করছেন জানেন?

রান্না করার ঝামেলা এড়াতে ফ্রোজেন ফুডই ভরসা? নিজের কি ক্ষতি করছেন জানেন?

Photo Source- Facebook

Photo Source- Facebook

বাজারে পরোটা, রুটি, সসেজ, মোমো, শিঙাড়া প্রায় সব কিছুই পাওয়া যায়। তবে এসব ফ্রোজেন খাবারে অনেক সময় এমন কিছু উপাদান ব্যবহার করা হয় যা স্বাস্থ্যের জন্য ভাল নয়।

  • Share this:

    #কলকাতা:  ফ্রোজেন খাবারের ছড়াছড়ি এখন চারিদিকেই৷ অনেকেই সুপারমার্কেটের দোকান থেকে এইসব ফ্রোজেন খাবার কিনে থাকেন ব্যস্ত সময়ে রান্নার ঝামেলা কমাতে। ‘ফ্রোজেন’ অবস্থায় এখন বাজারে পরোটা, রুটি, সসেজ, মোমো, শিঙাড়া প্রায় সবকিছুই  পাওয়া যায়। তবে এ সব ফ্রোজেন খাবারে অনেক সময় এমন কিছু উপাদান ব্যবহার করা হয় যা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়।

    ‘ফ্রোজেন ফুড’ -এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা করো নেওয়া যাক-

    উচ্চ রক্ত চাপের ঝুঁকি: আমেরিকার ‘সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন’-এর তথ্যানুসারে অর্ধেক  তৈরি  প্রক্রিয়াজাত খাবারের মাধ্যমে শরীরে প্রায় ৭০ শতাংশ সোডিয়াম গ্রহণের সম্ভাবনা থাকে। আর সোডিয়াম  উচ্চ রক্ত চাপের ঝুঁকি বাড়ায়। ‍যা থেকে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের মতো মরণব্যাধি আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

    ধমনির ক্ষতি হতে পারে: কিছু খাবারে যেমন- ‘ফ্রোজেন পিৎজা’ এবং ‘পাই’তে কিছুটা হলেও ক্ষতিকারক ‘হাইড্রোজিনেটেড অয়েল’ ব্যবহার করা হয়। এই তেল হল প্রক্রিয়াজাত দেহের জন্য ক্ষতিকর। ‘আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন’-এর মতে যে কোনও ‘ফ্রোজেন’ খাবার কেনার আগে পড়ে নেওয়া উচিত সেখানে কোনও ক্ষতিকর উপাদান আছে কি-না।

    মাথা-ব্যথা ও গলা ফোলার সমস্যা: ফ্রোজেন  অনেক খাবারেই ‘মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট’ বা এমএসজি ব্যবহার করা হয়। এটা এক ধরনের স্বাদ বর্ধক উপাদান। কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে এই উপাদান থেকে মাথা-ব্যথা, গলা-ফোলার মত সমস্যা দেখা দেয়। যা থেকে সারা শরীরে ঘামও দেখা দিতে পারে।

    পেশির ক্ষতি করে: ‘ফ্রোজেন ফুড’ স্বাস্থ্যকর দেখানোর জন্য  অনেক সময় তাতে ক্যালরি কম এমন  উল্লেখ করা হয়। তবে দেহের প্রয়োজনের তুলনায় কম ক্যালরি গ্রহণ করাও স্বাস্থ্যকর নয়।

    আরও ক্ষতিকর বিষয়: ‘এনভাইরনমেন্টাল ওয়ার্কিং গ্রুপ’ বা ইডব্লিউজি’য়ের তথ্যানুসারে ফ্রোজেন ফুডের মতো প্রক্রিয়াজাত খাবারে কম করে হলেও ২ হাজার সিনথেটিক রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়ে থাকে। পুষ্টিবিদ  ডন আনডুরাগা জানান,  তাঁরা এখনও জানেন না এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাবগুলো কীরকম হতে পারে। তবে যে কোনও সিনথেটিক জিনিসের একটা ক্ষতিকর প্রভাব থাকে। তাই সাবধান  থাকাই মঙ্গল৷

    Published by:Simli Dasgupta
    First published: