corona virus btn
corona virus btn
Loading

মদ খাওয়া কমালে শরীরে কেমন প্রভাব পড়ে, জানেন?

মদ খাওয়া কমালে শরীরে কেমন প্রভাব পড়ে, জানেন?

বাঙালি সমাজে এখন আর অ্যালকোহল পান করা নিয়ে তেমন ট্যাবুও নেই। কিন্তু সমস্যা হয় নিয়মিত পান করার অভ্যেস থাকলে

  • Share this:

কর্পোরেট পার্টি কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে ঘরোয়া আড্ডা, একটু-আধটু অ্যালকোহল পান হয়েই যায়। বাঙালি সমাজে এখন আর অ্যালকোহল পান করা নিয়ে তেমন ট্যাবুও নেই। কিন্তু সমস্যা হয় নিয়মিত পান করার অভ্যেস থাকলে। বেশি অ্যালকোহলযুক্ত পানীয়ে আসক্ত হয়ে পড়লে শারীরিক নানা সমস্যা দেখা দেয়। উচ্চ রক্তচাপ, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, রক্ত জমাট বাধা, কার্ডিওমায়োপ্যাথি, স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন জানিয়েছে পুরুষদের জন্য সারা দিনে ২টো ড্রিঙ্ক নেওয়া এবং মেয়েদের জন্য একটি ড্রিঙ্ক নেওয়া স্বাভাবিক। এর বেশি পরিমাণে অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় পান করলেই নানা সমস্যা হতে শুরু করে। নিয়ন্ত্রিত পরিমাণে পান করলে কী কী উপকার হয়?

ব্যথা কমে

২০০৩ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত মোট ১৫০০ জনের উপরে এক সমীক্ষা চালানো হয়েছে। দেখা গিয়েছে যাঁদের শরীরে ব্যথার সমস্যা রয়েছে, তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই নিয়মিত পান করেন। ধূমপান বেশি করলে, মানসিক অবসাদের শিকার হলে, ড্রাগ নিলে শরীরে ব্যথার প্রবণতা থাকে। অ্যালকোহল পান কমিয়ে দেওয়ার পর ব্যথা কমেছে, এমন প্রমাণও মিলেছে সমীক্ষায়।

লিভার ভালো থাকে বেশি অ্যালকোহল পানে ফ্যাটি লিভার হয়ে যায়, লিভারে চাপ পড়ে। সিরোসিস অব লিভারও হতে পারে। ইতিবাচক দিকটি হল, পান করার অভ্যাস কমালেই লিভারের উন্নতি হতে থাকে।

স্মৃতি শক্তি বাড়ে অ্যালকোহল পান করলে মানুষের রক্তচাপ ও রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। এর ফলে মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ করে যে রক্তনালী- সেগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যার ফলে স্মৃতি লোপ পেতে পারে।

ওজন কমে নিয়মিত মদ্যপানে ওজন বাড়ে, এ পরীক্ষিত সত্য। অর্থাৎ ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে মদ্যপান কমাতেই হবে।

ঘুম ভালো হয় নিয়মিত মদ্যপান গভীর ঘুম নষ্ট করে দেয়। ঘুম ভেঙে ভেঙে যায়, ফলে পরের সকাল থেকেই ক্লান্ত লাগতে শুরু করে। অন্য দিকে অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় কম পান করলে ঘুম ভালো হয়।

মাত্রাতিরিক্ত মদ্যপানের ফলে বিস্মৃতি, মানসিক অবসাদ, অল্পেই বিরক্তি বা মেজাজ হারানো, হাইপারটেনশন, গর্ভপাত, ক্যানসারের সম্ভাবনা বৃদ্ধি, ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। লিভারের ক্ষতি হয়, মস্তিষ্কের টিস্যু ক্ষয় হয়, হার্টের পেশি দুর্বল হয়ে অ্যারিথমিয়া ও স্ট্রোকের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। হজমের সমস্যা, স্বাভাবিক কামক্রিয়ায় বাধা, বয়সের তুলনায় বৃদ্ধ লাগার পাশাপাশি বুদ্ধিবৃত্তিগত ক্রিয়াও কমে যায়।

Published by: Elina Datta
First published: October 17, 2020, 6:46 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर