• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • No Tobacco Day | ক্ষণিকের সুখ ডেকে আনছে চিরস্থায়ী সর্বনাশ!‌ ‌বাড়াচ্ছে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি

No Tobacco Day | ক্ষণিকের সুখ ডেকে আনছে চিরস্থায়ী সর্বনাশ!‌ ‌বাড়াচ্ছে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি

(Photo courtesy: AFP Relaxnews/ Studio-Annika/ istock.com)

(Photo courtesy: AFP Relaxnews/ Studio-Annika/ istock.com)

তথ্য ঘাঁটলে দেখা যাবে, সারা পৃথিবীতে ৮০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছে ধূমপানের কারণে। আর প্যাসিভ স্মোকিংয়ের কারণে প্রাণ গিয়েছে ১২ লক্ষ মানুষের।

  • Share this:

    গণস্বাস্থ্যের উন্নতিতে অন্যতম বাধা ধূমপান। ধূমপানের প্রবণতা দেশের মানুষের শরীরে কুপ্রভাব ফেলে, হাজার সরকারি, বেসরকারি বিজ্ঞাপনেও সেই বার্তা মাথায় ঢুকছে না মানুষের। তার ফলও ভুগছে পৃথিবী। তাই ধূমপান বিরোধী দিবসে নতুন করে সিগারেট ও অন্য তামাকজাত দ্রব্য বর্জনের ডাক দিচ্ছেন অনেকেই। তথ্য ঘাঁটলে দেখা যাবে, সারা পৃথিবীতে ৮০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছে ধূমপানের কারণে। আর প্যাসিভ স্মোকিংয়ের কারণে প্রাণ গিয়েছে ১২ লক্ষ মানুষের।

    ধূমপান একবারে প্রভাব না ফেললেও ধীরে ধীরে মানুষের শরীরে ক্ষতি করে চলে। ফলে ক্ষণিকের সুখ চিরস্থায়ী অসুখের চেহারা নেয়। অনেকটা টাইম বোমের মতো। ধীরে ধীরে সে বিস্ফোরণের দিকে এগিয়ে যায়। একসময় ফেটে যায়, যখন আর কিছুই করার থাকে না।

    CK Birla Hospitals, CMRI–এর চিকিৎসক রঞ্জন দাস সতর্ক করে বলেছেন, ‘‌করোনা সংক্রমণের সময় ফুসফুস জনিত সমস্যাই প্রধান হয়েছে দাঁড়িয়েছে। আর তামাকজাত দ্রব্য সেই ফুসফুসেই সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। মানুষের শরীরের অন্যতম প্রধান অঙ্গ হিসাবে ফুসফুসের ওপর এই প্রভাব বিস্তারের ফলে করোনা সংক্রমণের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। লকডাউনের মধ্যে অনেকেই দীর্ঘক্ষণ ঘরে থাকা, একাকীত্ব ইত্যাদি কাটাতে ঘনঘন সিগারেট খাচ্ছেন। তাঁরা মনে মনে নিজেকে আশা দিচ্ছেন, লকডাইন উঠে গেলে অভ্যাস ত্যাগ করবেন। যদি ত্যাগ করতে হয়, তাহলে এখনই করা ভাল।’‌

    CK Birla Hospitals – BM Birla–এর চিকিৎসক অঞ্জন সিয়োতিয়া বলছেন, ধূমপানের ফলে সরাসরি হৃদযন্ত্রে প্রভাব পড়ে ও রক্তচাপ বাড়ে। হৃদযন্ত্রের ধমনীর পথ এটি বন্ধ করে দেয়। এমনকি রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ার মতো সমস্যাও অত্যাধিক ধূমপানের ফলে দেখা দেয়। সব মিলিয়ে এগুলি মানু্ষের শরীরে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।’‌

    তামাকজাত দ্রব্যের মধ্যে সিগারেট সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়। অনেকেই বলেন, কাজের চাপ থেকে মাঝে মাঝে মানসিক আরাম পেতে সাহায্য করে সিগারেট। অনেকে বলেন, ‘‌মৃত্যু তো হবেই, যেকদিন বাঁচি, আনন্দে বাঁচি।’‌ কিন্তু এসব ছেঁদো কথায় বৃহত্তর সত্যকে আড়াল করা যায় না। সাময়িক আনন্দ পেতে যাঁরা ধূমপান করছেন, তাঁদের হয়ত এক ভয়াল ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে, যা তাঁরা জানেন না।

    Published by:Uddalak Bhattacharya
    First published: