• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • মানসিক অবসাদ থেকে বাঁচতে ওয়ার্ক ফ্রম হোমে বেশিক্ষণ ল্যাপটপ বা ফোন নয়, জানুন ঘুমের সঠিক সময়

মানসিক অবসাদ থেকে বাঁচতে ওয়ার্ক ফ্রম হোমে বেশিক্ষণ ল্যাপটপ বা ফোন নয়, জানুন ঘুমের সঠিক সময়

শরীর দুর্বল লাগা, ক্লান্ত লাগা - প্রোটিন শরীরে এনার্জি দেয়। তাতে কাজ করতে ইচ্ছে করে। অ্য়াক্টিভ থাকা যায়। যদি শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি থাকে তা হলে সারা দিন ক্লান্ত লাগতে পারে। ঘুম-ঘুম ভাব থাকতে পারে। সাধারণত যেমন ক্লান্ত লাগে, তার থেকে বেশিই ক্লান্তি আসতে পারে।

শরীর দুর্বল লাগা, ক্লান্ত লাগা - প্রোটিন শরীরে এনার্জি দেয়। তাতে কাজ করতে ইচ্ছে করে। অ্য়াক্টিভ থাকা যায়। যদি শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি থাকে তা হলে সারা দিন ক্লান্ত লাগতে পারে। ঘুম-ঘুম ভাব থাকতে পারে। সাধারণত যেমন ক্লান্ত লাগে, তার থেকে বেশিই ক্লান্তি আসতে পারে।

এই প্যানডেমিক বা ওয়র্ক ফ্রম হোম কালচারে মানসিক অবসাদে ভোগার প্রবণতা যেন আরও বেড়ে গিয়েছে। বাঁচতে মেনে চলুন বিশেষজ্ঞের এই সহজ পরামর্শ

  • Share this:

মানসিক অবসাদ আজকাল এক খুব পরিচিত সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকেই অসম্ভব ক্লান্তি বা মানসিক অবসাদে ভোগেন। এই প্যানডেমিক বা ওয়র্ক ফ্রম হোম কালচারে মানসিক অবসাদে ভোগার প্রবণতা যেন আরও বেড়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দৈনন্দিন জীবনশৈলীর কিছু অভ্যাসই আপনার মানসিক অবসাদের বিষয়টিকে দখলে রাখে। অর্থাৎ আপনি চাইলেই বিষয়টিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। আবার অবহেলা হলে তা বেড়েও যেতে পারে। সম্প্রতি সেই প্রসঙ্গই তুলে এনেছে এক সমীক্ষা। সমীক্ষা জানাচ্ছে, স্ক্রিন টাইম কমলে অর্থাৎ স্মার্টফোন বা ল্যাপটপে সারাক্ষণ ডুবে থাকার সময় কমলে, ঘুম ও ডায়েট ঠিক থাকলে আপনাকে কোনও রকম অবসাদের সম্মুখীন হতে হবে না। পাশাপাশি গুরুত্ব দিতে হবে শরীরচর্চার বিষয়টিকেও।

ইউনাইটেড কিংডম বায়োব্যাঙ্কের প্রায় ৮৫,০০০ মানুষের উপরে সমীক্ষাটি করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ওয়েস্টার্ন সিডনি ইউনিভার্সিটির গবেষকদল এই সমস্ত মানুষের জীবনশৈলী ও অবসাদ সম্পর্কিত নানা তথ্য নিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন। পরে তাঁদের এই সমীক্ষাটি BMC Medicine-এ প্রকাশিত হয়। আর সেই সমীক্ষা সূত্রেই জানা গিয়েছে, মানুষজনের অবসাদ বা বিষণ্ণতার সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে রয়েছে তাঁদের কাজকর্ম, শরীরচর্চা, হেলদি ডায়েট ও পর্যাপ্ত (৭-৯ ঘণ্টা) ঘুম।

তবে আপনি যদি ধূমপান করেন অথবা দিনের অধিকাংশ সময় ফোন বা ল্যাপটপের স্ক্রিনে ডুবে থাকেন, তা হলে কিন্তু ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে এই মানসিক অবসাদ। গবেষকরা জানাচ্ছেন, এখানে অ্যালকোহল গ্রহণের ফ্রিকোয়েন্সির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িত ডিপ্রেশনের ফ্রিকোয়েন্সি। একই কথা বলছেন ওয়েস্টার্ন সিডনি ইউনিভার্সিটির NICM রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রফেসর ও সমীক্ষার সহলেখক প্রফেসর জেরোম স্যারিস। তাঁর কথায়, সাধারণত অবসাদ দূর করতে আমরা শরীরচর্চা বা মেডিটেশনের কথা বলি। তবে এই সবের পাশাপাশি আরও কিছু বিষয় রয়েছে। এদের মধ্যে অন্যতম হল, পর্যাপ্ত ঘুমোনো এবং যতটা সম্ভব কম সময় দেওয়া ফোন বা ল্যাপটপের স্ক্রিনে।

এছাড়াও একটি যথাযথ ডায়েট এই ডিপ্রেশনের বিষয়টিকে আংশিক ভাবে নিয়ন্ত্রিত করে।  তিনি আরও জানিয়েছেন, সমীক্ষার এই ফলাফল আগামী দিনে জনস্বাস্থ্য সম্পর্কিত নানা নিয়মনীতি রূপায়ণেও কার্যকরী ভূমিকা নেবে। মানুষজন যাতে খাওয়াদাওয়া ও ঘুমের পাশাপাশি একটি সুস্থ জীবনধারণের অভ্যাস তৈরি করে, সেই বিষয়টিও সুনিশ্চিত করবে।

Published by:Elina Datta
First published: