জ্বর হয়েছে ? ডেঙ্গি নয়তো ? বুঝবেন কীভাবে জেনে নিন

জ্বর হয়েছে ? ডেঙ্গি নয়তো ? বুঝবেন কীভাবে জেনে নিন
representative image

ডেঙ্গি এক ধরনের ভাইরাল ফিভার। প্রথমেই বুঝতে হবে, জ্বর হলেই সেটা ডেঙ্গি নয়! এর জন্য প্রয়োজন সচেতনতা। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সঠিক ওষুধ খান। অসুখ জটিল ( হেমারেজিক, শক সিনড্রম) না হলে সাধারণ চিকিৎসাতেই রোগ সেরে যায়।

  • Share this:

ডেঙ্গু বর্তমান সময়ের সবচেয়ে পীড়াদায়ক রোগের একটি। এই জ্বরে আক্রান্ত একদিকে যেমন দূর্বল হয়ে পড়ে অন্যদিকে এর রেশ শরীরে থেকে যায় দীর্ঘদিন। কিন্তু আপনি কীভাবে বুঝবেন যে আপনার ডেঙ্গি হয়েছে না কী ভাইরাল ফিভার। প্রথমেই বুঝতে হবে, জ্বর হলেই সেটা ডেঙ্গি নয়! এর জন্য প্রয়োজন সচেতনতা। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সঠিক ওষুধ খান। অসুখ জটিল ( হেমারেজিক, শক সিনড্রম) না হলে সাধারণ চিকিৎসাতেই রোগ সেরে যায়। ডেঙ্গু জ্বরের অন্যতম লক্ষণ হলো অত্যধিক তাপমাত্রা। কখনো কখনো শরীরের তাপমাত্রা ১০৫ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠে যেতে পারে। এ ছাড়া আরো কিছু লক্ষণ রয়েছে ডেঙ্গু জ্বরের।

এই জ্বরের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো এটি স্বল্পমেয়াদি হয়।স্বল্পমেয়াদি বলতে চার থেকে পাঁচ দিন বা এক সপ্তাহ। ওই জ্বর যদি এ সময়ের বাইরে চলে যায়, তাহলে আপনি ধরে নেবেন এটি ডেঙ্গু জ্বর নয়। তাহলে আপনি চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন যে অন্য কোনো কারণে আপনার এই জ্বরটা হলো কি না।

আপনার সারা শরীরে ব্যথা, মাথাব্যথা, ম্যাজম্যাজ করা, এর পর ডেঙ্গু জ্বরে বমির ভাব থাকে, এমনকি বমিও হতে পারে। অনেক সময় খাবারে অরুচি থাকে। অনেকের আবার জ্বরের সঙ্গে শরীরে লাল দাগ পড়তে পারে।

ডেঙ্গি সাধারণত শহর এলাকার রোগ। এই রোগের বাহক মশা এডিশ ইজিপ্টাই সাধারণত পরিষ্কার জলে ডিম পাড়ে। তিন চার দিন ধরে জমিয়ে রাখা জল, বাতানুকূল যন্ত্রের কোনও অংশে জমে থাকা জল, সুইমিং পুলের জলে ডেঙ্গির মশা জন্মায়। তা ছাড়া ফেলে রাখা টায়ার, ডাবের খোলাতে বৃষ্টির জল জমে থাকলে সেখানেও জন্ম হয় ডেঙ্গির বাহক মশার।

ডেঙ্গি জ্বরে গা ব্যাথা, অস্থি সন্ধিত ও চোখের পিছনে ব্যাথা হয়, বমি পায়। কিছু ক্ষেত্রে পেটের অসুখও হয়।

অন্য কোনও জ্বরের ওষুধ নয়, ডেঙ্গি হলে প্যারাসিটামল খান। বিশেষ করে আই প্রফেন, আইবিইউ প্রফেন জাতীয় জ্বরের ওষুধ খাবেন না। জ্বর না কমলে চিকিৎসককে দেখিয়ে ডেঙ্গি নির্ণয়ের পরীক্ষা করান। সমস্ত জেলা হাসপাতালেই এখন ম্যাক এলাইজা, এনএসওয়ান (এলাইজা পদ্ধতিতে) পরীক্ষা হয়। জ্বরের দুই তিন দিনের মাথায় এনএসওয়ান পরীক্ষা হয়। চার পাঁচ দিনের মাথায় হয় ম্যাকএলাইজা পরীক্ষা।

ডেঙ্গির চিকিৎসা ভাইরাল জ্বরের মতই। ঠিক মতো খাবার, জল খেতে হবে। জটিলতা হলে চিকিৎসকের অধীনে থাকাই ভাল। প্লেটলেট খুব নেমে ৩০ বা ২০ হাজারে চলে এলে বাইরে থেকে শরীরে প্লেটলেট দিতে হয়।

First published: 07:10:11 PM Aug 19, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर