লাইফস্টাইল

corona virus btn
corona virus btn
Loading

রোজের ডায়েটে অবশ্যই রাখুন এই খাবারগুলো, ব্লাড সুগার থাকবে এক্কেবারে নিয়ন্ত্রণে

রোজের ডায়েটে অবশ্যই রাখুন এই খাবারগুলো, ব্লাড সুগার থাকবে এক্কেবারে নিয়ন্ত্রণে

চিকিৎসকেরা বলে থাকেন, ডায়াবেটিসের ফলে কিডনি, লিভার, হার্টের মতো শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ নষ্ট হতে থাকে। কাজেই ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত প্রয়োজন। এর জন্য সবার আগে দরকার ডায়েটে নিয়ন্ত্রণ।

  • Share this:

#কলকাতা: ব্লাড সুগার (Blood Sugar) আজকালকার দিনে একটা বিরাট সমস্যা। ভারতের বেশিরভাগ বাড়িরই কোনও না কোনও সদস্য ডায়াবেটিস (Diabetes) বা হাই ব্লাড সুগারের সমস্যায় ভুগছেন। এতে শরীর নিজে থেকে ইনসুলিন (Insulin) তৈরি করতে পারে না। ডায়াবেটিসের জন্য বা অনিয়ন্ত্রিত ব্লাড সুগারের জন্য আনুষঙ্গিক একাধিক শারীরিক সমস্যা হতে পারে।

চিকিৎসকেরা বলে থাকেন, ডায়াবেটিসের ফলে কিডনি (Kidney), লিভার (Liver), হার্টের (Heart) মতো শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ নষ্ট হতে থাকে। কাজেই ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত প্রয়োজন। এর জন্য সবার আগে দরকার ডায়েটে (Diet) নিয়ন্ত্রণ।

ডায়েট বা খাবার ঠিক রাখলে অনেকাংশেই সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়। সে ক্ষেত্রে ডায়েটে এই খাবারগুলি অ্যাড করলে সুগার নিয়ন্ত্রণে আরও সাহায্য হতে পারে। পাশাপাশি যাঁদের সুগার অনিয়ন্ত্রিত অবস্থায় রয়েছে, তাঁরাও সুস্থ থাকতে পারবেন।

ব্রোকোলি বা সেই জাতীয় (Broccoli): ব্রোকোলি, বাঁধাকপি, ফুলকপি, মুলোর মতো সবজি খেলে সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে। ব্রোকোলি (Broccoli) খেলে তা সালফোরাফেন (Sulforaphane) নিঃসরণ করে। যাতে ব্লাড-সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে। পাশাপাশি এই সবজিতে থাকা বিভিন্ন উপাদান ইনসুলিনেও প্রভাব ফেলে ফলে টাইপ ২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ হতে পারে। যাঁদের ডায়াবেটিস নেই, তাঁরা এই সবজি খেলে ডায়াবেটিস হওয়া আটকাতে পারবেন।

শস্য বীজ (Seeds): তিসি বীজ (Flax Seed), কুমড়োর দানা বা এই জাতীয় বীজ খেলে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে তা প্রভাব ফেলে। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টস, ফাইবার ও হেলদি ফ্যাট থাকে যা খাবার হজম করতে সাহায্য করে। সুগারও নিয়ন্ত্রণে রাখে।

রসুন (Garlic): ভারতীয়রা, এমনকি বিদেশের লোকজনও রসুনকে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের উপাদান হিসেবে মনে করেন। এটি ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ায় ও ইনসুলিন নিঃসরণ বাড়িয়ে তোলে। ফলে রসুন খাবারে বা স্যালাডে ব্যবহার অত্যন্ত কার্যকরী ফল দেয়।

দানা শস্য (Legumes): মুসুর ডাল, বিনস, ছোলার মতো সবজি বেশি করে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে গ্লাইসেমিক কন্ট্রোলে থাকে। যে কোনও তরকারিতে বা খাবারে, বিশেষ করে স্যালাডেও এই সব খাবার অ্যাড করা যেতে পারে।

ওটস (Oats): কোনও খাবার কতটা ও ঠিক কী ভাবে সুগারে প্রভাব ফেলে তা দেখা হয় Glycemic Index (GI)-এর দ্বারা। গ্লাইসেমিক কম থাকলে বোঝা যাবে ডায়াবেটিস কন্ট্রোলে রয়েছে। এই ক্ষেত্রে GI-তে ওটসের স্কোর রয়েছে ৫৫। তাই এই খাবার খেলে ব্লাড সুগার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং শরীরও ভালো থাকে। কারণ ওটসে প্রচুর পরামণে ফাইবার থাকে যা হজম প্রক্রিয়া ঠিক রাখে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

Published by: Shubhagata Dey
First published: December 14, 2020, 7:08 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर