• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • সে কী! সরু গলিতে হাঁটলে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা বেশি! আক্রান্ত হবে আপনার শিশু!

সে কী! সরু গলিতে হাঁটলে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা বেশি! আক্রান্ত হবে আপনার শিশু!

ছোট স্পেস বা সরু করিডর দিয়ে হাঁটলে দ্রুত ছড়াতে পারে করোনাভাইরাস। সমীক্ষা বলছে, এ ক্ষেত্রে বড়দের তুলনায় বাচ্চাদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

ছোট স্পেস বা সরু করিডর দিয়ে হাঁটলে দ্রুত ছড়াতে পারে করোনাভাইরাস। সমীক্ষা বলছে, এ ক্ষেত্রে বড়দের তুলনায় বাচ্চাদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

ছোট স্পেস বা সরু করিডর দিয়ে হাঁটলে দ্রুত ছড়াতে পারে করোনাভাইরাস। সমীক্ষা বলছে, এ ক্ষেত্রে বড়দের তুলনায় বাচ্চাদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

  • Share this:

#কলকাতা: ছোট স্পেস বা সরু করিডর দিয়ে হাঁটলে দ্রুত ছড়াতে পারে করোনাভাইরাস। সমীক্ষা বলছে, এ ক্ষেত্রে বড়দের তুলনায় বাচ্চাদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কোনও গ্রুপের পিছন পিছন ছোট করিডর দিয়ে হাঁটলে, সেই গ্রুপের কেউ আক্রান্ত হলে, তাঁর ড্রপলেটস থেকে পিছনে যাঁরা থাকবেন, তাঁদের সংক্রমণ হতে পারে।

Physics of Fluids জার্নালে প্রকাশিত সমীক্ষা বলছে, স্পেস বা জায়গা কতটা বড় বা ছোট, তার উপরে নির্ভর করবে, করোনা হাওয়ায় কতটা ছড়াবে। অর্থাৎ কারও ড্রপলেটস হাওয়ায় কতটা পর্যন্ত যেতে পারে, তার উপরেই নির্ভর করছে সংক্রমণের সম্ভাবনা! এর আগের বেশ কয়েকটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, কাচের জানালা, সাধারণ জানালা, এয়ার কন্ডিশনার বা কাচের দরজা থাকলে কী ভাবে করোনাভাইরাস ছড়াতে পারে। এই সবটাই ইনডোরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

সম্প্রতি বেশ কয়েকটি গবেষণা বলছে, কেউ যদি সরু বারান্দা বা করিডরে হাঁটতে হাঁটতে কাশেন বা হাঁচেন, তা হলে তাঁর ড্রপলেটস আশেপাশের, বিশেষ করে পিছনে যাঁরা থাকবে, তাঁদের উপরে গিয়ে পড়তে পারে। তবে, এই ড্রপলেটসের ফ্লো কতটা হবে, তা নির্ভর করবে তার শারীরিক গঠনের উপরে। এই সংক্রান্ত একটি গবেষণার লেখক Xiaolei Yang বলেন, ড্রপলেটস মুখ থেকে দু' মিটার পর্যন্ত নিচে আসতে পারে। এ ক্ষেত্রে পিছনে থাকা মানুষটির উচ্চতার উপর নির্ভর করবে যে তার গায়ে সেটি লাগবে কি না!

তাঁর কথা অনুযায়ী, সামনের ব্যক্তি যদি উচ্চতায় অনেকটা লম্বা হন, আর পিছনের ব্যক্তির যদি উচ্চতা কম থাকে, তা হলে তাঁর গায়ে ড্রপলেটস লাগতে পারে। এ ক্ষেত্রে বাতাসের গতির উপরেও নির্ভর করছে দু'মিটার নিচ পর্যন্তই ড্রপলেট উড়তে পারে না তারও বেশি এই বিষয়টি। ন্যারো করিডরে হাঁটলেও একজনের থেকে অন্যজন কতটা দূরত্ব মেনে চলছেন, সেটিও এ ক্ষেত্রে দেখার বিষয়। অনেকটা দূরত্ব থাকলে হাওয়ায় ড্রপলেটস ছড়িয়ে সেখান থেকে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা না-ও থাকতে পারে।

তবে, সমীক্ষা বলছে, কোনও একজন আক্রান্ত হলে, হাঁচি-কাশির মাধ্যমে তাঁর ড্রপলেটস যখন বাতাসে ছড়াচ্ছে, তখন তা বাবলের (Bubble) আকার নিতে পারে। ফলে তা ভেসে অনেকটা দূর পর্যন্ত যেতে পারে। ইয়ং বলেন, অনেক সময়ে এমনও হতে পারে, আক্রান্তের কাছাকাছি যিনি আছেন, তাঁর বদলে দূরে থাকা ব্যক্তি বেশি আক্রান্ত হতে পারেন। তাই একটা সরু গলিতে সে ভাবে দূরত্ব মেনে চলা খুবই সমস্যার। ফলে যে কেউ ওই ড্রপলেটস ইনহেল করতে পারেন!

বিজ্ঞানীরা এ ক্ষেত্রে বাচ্চাদের (Kids) ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, যেহেতু ড্রপলেটস নিচের দিকে অগ্রসর হয়, তাই কোনও বড় ব্যক্তির পিছনে যদি বাচ্চারা থাকে, তা হলে তাদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি হতে পারে!

Published by:Shubhagata Dey
First published: