লাইফস্টাইল

corona virus btn
corona virus btn
Loading

প্রেগনেন্সির সময় শরীর থাক সুস্থ, এই ব্যায়ামগুলোই রাখবে ঝরঝরে!

প্রেগনেন্সির সময় শরীর থাক সুস্থ, এই ব্যায়ামগুলোই রাখবে ঝরঝরে!
photo source collected

এর জন্য যোগ-ব্যায়াম বা অন্যান্য ব্যায়ামের অভ্যাস করা জরুরি। তাতে মা ও সন্তান উভয়ই ভালো থাকতে পারে।

  • Share this:

প্রেগনেন্সির সময় মানসিক ভাবে ও শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকা প্রয়োজন, এমনই বলে থাকেন চিকিৎসকরা। সব সময়ে হাসি-খুশি থাকার পাশাপাশি শরীরের দিকেও নজর দিতে হয়। এর জন্য যোগ-ব্যায়াম বা অন্যান্য ব্যায়ামের অভ্যাস করা জরুরি। তাতে মা ও সন্তান উভয়ই ভালো থাকতে পারে। তাই প্রেগনেন্সির সময় কী কী ব্যায়াম করা যেতে পারে, দেখে নেওয়া যাক-

পেলভিক ফ্লোর এক্সারসাইজ

পেলভিক অংশে ইউরিনারি ব্লাডার, ইউট্রাস, রেক্টাম থাকে। প্রেগনেন্সির সময় এই অংশের পেশিতে চাপ পড়ে, ফলে পেশি দুর্বল হয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই প্রতি দিন এই অংশের একটু ব্যায়াম করলে ভালো।

পেলভিক ফ্লোর বা অ্যানাসের অংশ শরীরের ভিতরের দিকে টেনে ধীরে ধীরে ছাড়লে পেশির ব্যায়াম হবে। এতে ওই এলাকায় কোনও টান ধরা বা ব্যথা, অস্বস্তি কমতে পারে। কোমরের অংশে ব্যথা থাকলে, তাতেও উপশম মিলতে পারে।

হাঁটাচলা করা

যেহেতু এই সময় একাধিক হরমোনাল চেঞ্জ হয়, তাই শরীরে ব্যথা, অস্বস্তি আসতে পারে। জয়েন্টে ব্যথা হতে পারে। যার থেকে উপশম দিতে পারে প্রতি দিন হাঁটার অভ্যাস। আশেপাশে কোনও পার্ক থাকলে বা মসৃণ রাস্তা থাকলে, সেখানে হাঁটা যেতে পারে। এতে শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে ও ফুসফুস ভালো থাকে। পাশাপাশি প্রকৃতিক সান্নিধ্যে আসলে মনও ভালো থাকে। যা প্রেগনেন্সির সময় অত্যন্ত জরুরি।

সুইমিং

শরীরে খুব চাপ না দিয়ে এক্সারসাইজ করা যেতে পারে। তার জন্য সব চেয়ে ভালো সুইমিং। এটি অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে। জলে থাকলে ব্যথারও উপশম হতে পারে।

পাইলেটস ও যোগ ব্যায়াম

প্লাসেন্টা ও রিল্যাক্সিন নামে দু'টি হরমোন প্রেগনেন্সির সময় ওভারি থেকে নিঃসরণ হয়। যার ফলে পেশি ও জয়েন্টে চোট আসার সম্ভাবনা থাকে। পাইলেটস, যোগ ব্যায়ামের মতো যোগ অভ্যাস করলে এই সময়ে পেশির ব্যথা বা চোট লাগার সম্ভাবনা কমায়। পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখতেও যোগ ব্যায়ামের গুরুত্ব রয়েছে।

এই ব্যায়ামগুলি সাধারণত প্রেগনেন্সির সময়ই করা যেতে পারে। তবে, যদি কারও প্রেগনেন্সির সময়ে অন্যান্য শারীরিক সমস্যা থাকে বা কমপ্লিকেটেড প্রেগনেন্সি হয়, তা হলে অবশ্যই চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ করে শরীরচর্চা শুরু করা উচিৎ। এবং এই সময়ে কোনও সমস্যা হলেই দ্রুত চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা প্রয়োজন।

Published by: Elina Datta
First published: December 23, 2020, 11:04 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर