সিগারেটের ধোঁয়ার মতোই ক্ষতিকারক ধূপকাঠির ধোঁয়া, হতে পারে ক্যানসারও !

Representational Image

ফুসফুসে ক্যান্সার, শিশুদের লিউকোমিয়া এবং ব্রেইন টিউমারের সঙ্গে ধূপকাঠির যে সম্পর্ক রয়েছে, তা ইতিমধ্যেই গবেষণায় প্রমানিত।

  • Share this:

    #কলকাতা: সন্ধে হলেই ঠাকুরঘরে জ্বলতে শুরু করে ধূপকাঠি ৷ ঘরে সুন্দর গন্ধ ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আমরা প্রায় সবাই ব্যবহার করে থাকি ধূপ ৷ পুজোর ক্ষেত্রে ধূপকাঠি অতি প্রয়োজনীও একটি জিনিস ৷ কিন্তু জানেন কি ? এই ধূপকাঠিই আপনার জীবনে ডেকে আনতে পারে বিপদ ! চিকিৎসকদের নতুন গবেষণা অনুযায়ী, ধূপকাঠির ধোঁয়া নাকি সিগারেটের ধোঁয়া থেকেও ক্ষতিকারক বেশি !

    আমেরিকার এক বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন গবেষণা অনুযায়ী, ধূপকাঠির ধোঁয়া সিগারেটের ধোয়ার চাইতে বেশি মিউটাজেনিক, জেনোটক্সিক এবং সাইটোটক্সিক। যার অর্থ হল, ধূপের ধোঁয়া শরীরের কোষে জেনেটিক মিউটেশন ঘটাতে পারে এবং কোষের ডিএনএতে এমন সব পরিবর্তন আনতে পারে যা ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় অনেক গুণ।

    এই গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, যাদের ফুসফুসজনিত রোগ রয়েছে বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা আছে তাদের ধূপের গন্ধে বেশিক্ষণ না থাকাই ভাল। শুধু তাই নয়, শিশু এবং প্রেগন্যান্ট মহিলাদেরও এই ধোঁয়া থেকে যত সম্ভব দূরে থাকা উচিৎ।

    যে কোনও ধরণের ধোঁয়াই শিশুদের ফুসফুস গঠনের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলে। ধূপকাঠি শুধু নয় রান্নার ধোঁয়াও বিশ্বজুড়ে মানুষের ফুসফুসের বিভিন্ন রোগের জন্য দায়ী।

    ধূপকাঠিতে নিকোটিন থাকে না একথা ঠিক ৷ কিন্ত কাঠির ওপর বিভিন্ন সুগন্ধি এসেনশিয়াল অয়েল এবং কাঠের গুঁড়োর প্রলেপ দিয়ে তৈরি করা হয় ধূপকাঠি। একে যখন পোড়ানো হয় তখন বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে ক্ষতিকর বিভিন্ন রাসায়নিক কণা।

    ফুসফুসে ক্যান্সার, শিশুদের লিউকোমিয়া এবং ব্রেইন টিউমারের সঙ্গে ধূপকাঠির যে সম্পর্ক রয়েছে, তা ইতিমধ্যেই গবেষণায় প্রমানিত।

    First published: