• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • এই অভ্যেসের জন্যেও স্কুলে বাচ্চাদের নিয়ে উপহাস করে সবাই? চমকে দিচ্ছে নয়া সমীক্ষা!

এই অভ্যেসের জন্যেও স্কুলে বাচ্চাদের নিয়ে উপহাস করে সবাই? চমকে দিচ্ছে নয়া সমীক্ষা!

সমীক্ষা অনুসারে ২৫২টি পরিবারের মধ্যে ১৭ শতাংশেরও উপরে স্বীকার করে নিয়েছে যে তাঁদের এবং তাঁদের সন্তানেরা এ কারণে অপদস্থ হয়েছেন বহু বার!

সমীক্ষা অনুসারে ২৫২টি পরিবারের মধ্যে ১৭ শতাংশেরও উপরে স্বীকার করে নিয়েছে যে তাঁদের এবং তাঁদের সন্তানেরা এ কারণে অপদস্থ হয়েছেন বহু বার!

সমীক্ষা অনুসারে ২৫২টি পরিবারের মধ্যে ১৭ শতাংশেরও উপরে স্বীকার করে নিয়েছে যে তাঁদের এবং তাঁদের সন্তানেরা এ কারণে অপদস্থ হয়েছেন বহু বার!

  • Share this:

সবার প্রথমে জানিয়ে রাখা উচিৎ যে এই সমীক্ষাটি পরিচালিত হয়েছে মার্কিন মুলুকের স্কুলগুলোয়। আর সে জায়গা থেকেই আমাদের সচেতন হওয়ার দরকার আছে বইকি!

কেন না, যদি বিশ্বের প্রথম সারির দেশের নাগরিকদের মধ্যে সৌজন্যবোধের অভাব দেখা যায়, তা হলে আমাদের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশে অবস্থা আরও করুণ হওয়ারই সম্ভাবনা রয়েছে! কেন না, দৈনন্দিন জীবনসমস্যা এ দেশের অনেককেই ভিতর থেকে একেবারে নির্মম করে দেয়!

সেই কারণে মার্কিন মুলুকের স্কুলগুলোয় আমেরিকান কলেজ অফ অ্যালার্জি, অ্যাজমা অ্যান্ড ইমিউনোলজি পরিচালিত এই সমীক্ষা দাবি করছে যে খাদ্যাভ্যাসের কারণে না কি শিশুদের উপহাসের শিকার হতে হয়। কোনও খাবারে তাদের অ্যালার্জি থাকলে স্বাভাবিক ভাবেই তারা সেটা এড়িয়ে যেতে চায়, তাদের মা-বাবারাও সেই খাবার থেকে দূরে রাখেন তাদের। আর ওই বিশেষ কোনও খাবার না খাওয়ার অভ্যাসই শিশুদের ফেলে অন্য শিশু এবং বড়দের উপহাসের মুখে। বড়দের এই তালিকায় স্কুলের শিক্ষক থেকে শুরু করে অন্য শিশুদের অভিভাবক- সবাই আছেন! এমনকি শুধু শিশুরাই নয়, পাশাপাশি তাদের মা-বাবাকেও অনেক সময়েই সামাজিক ভাবে অপদস্থ হতে হয় সন্তানের কোনও বিশেষ খাবারে অ্যালার্জি থাকলে। সমীক্ষা অনুসারে ২৫২টি পরিবারের মধ্যে ১৭ শতাংশেরও উপরে স্বীকার করে নিয়েছে যে তাঁদের এবং তাঁদের সন্তানেরা এ কারণে অপদস্থ হয়েছেন বহু বার!

এই সমীক্ষার রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পরে স্বাভাবিক ভাবেই কিছুটা জনসচেতনতা বেড়েছে। জানা গিয়েছে যে ওই পরিবারগুলির মধ্যে ১৩ শতাংশ সরাসরি কথা বলেছে নিজেদের সন্তানের সঙ্গে, ৭ শতাংশ যাঁরা উপহাস করেছেন তাঁদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন, ১৭ শতাংশ এ বিষয়ে সচেতন করেছেন ক্লাসটিচারকে। তবে ১৫ শতাংশ কোনও ঝুঁকি না নিয়ে একেবারে শরণাপন্ন হয়েছেন স্কুল প্রিন্সিপালের। তাতে অন্যদের কতটা বদলানো গিয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়, তবে প্রাথমিক ভাবে উপহাসের শিকার হতে থাকা ওই শিশুরা অবস্থার হাত থেকে নিষ্কৃতি পেয়েছে।

আমাদের দেশে যেহেতু এখনও পর্যন্ত এমন কোনও সমীক্ষা হয়নি, তাই নিজের সন্তানের সঙ্গে কথা বলে দেখুন। এখন না হয় অতিমারী আবহে স্কুল বন্ধ রয়েছে, কিন্তু ইতিপূর্বে তাকে স্কুলে কোনও কারণে উপহাসের শিকার হতে হয়েছে কি না, সেটা যাচিয়ে নিন! তার পর সরাসরি কথা বলুন স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে!

Published by:Elina Datta
First published: