অতিরিক্ত এনার্জিতে ভরপুর শিশুদের কী ভাবে সামলাবেন? রইল টিপস

অতিরিক্ত এনার্জিতে ভরপুর শিশুদের কী ভাবে সামলাবেন? রইল টিপস
কী ভাবে বাচ্চাদের হাইপার-অ্যাকটিভ এনার্জি কাজে লাগানো যায়?

কী ভাবে বাচ্চাদের হাইপার-অ্যাকটিভ এনার্জি কাজে লাগানো যায়?

  • Share this:

#কলকাতা: বাচ্চারা হাসিখুশি থাকুক, খেলাধুলো করুক আর দিনভর তাঁদের এনার্জির মাত্রা বজায় থাকুক- এটা কে না চায়? মুশকিল হয় তখনই, যখন সারা দিন প্রচুর দৌড়ঝাঁপ করার পরও বাচ্চার এনার্জির মাত্রা এতটুকু কমে না, উল্টে তার সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে বাবা-মায়ের হাল বেহাল হয়ে যায়!

তা হলে কী ভাবে বাচ্চাদের হাইপার-অ্যাকটিভ এনার্জি কাজে লাগানো যায়?

১)ক্যারাটে বা সাঁতারের ক্লাসে ভর্তি- ছোট বয়সে এটা বোঝা সম্ভব নয় যে কী ভাবে এনার্জির সঠিক ব্যবহার করা যায়। তাই বড়দের উচিৎ ছোটদের সঠিক পথ দেখানো। সাঁতার বা মার্শাল আর্ট শিখলে অনেকটাই এনার্জি ক্ষয় হয়। পাশাপাশি এই ক্লাসগুলো একজন শিশুকে আত্মনির্ভর ও আত্মবিশ্বাসীও করে তোলে। এগুলো সবার সঙ্গে শিখতে পেরে তারা খুশিও হয়, আবার নিয়ম-শৃঙ্খলার মাধ্যমে আগের চেয়ে অনেকটা আত্মনিয়ন্ত্রণ করতে শিখে যায়।


২) নাটক আর সুরের জাদুতেও কাজ দেয়- সবার যে মার্শাল আর্ট বা সাঁতারের মতো শারীরিক কসরত ভাল লাগবে, তার কোনও মানে নেই। যদি দেখা যায় গানবাজনার প্রতি বাচ্চার আগ্রহ আছে, তা হলে সেতার, বাঁশি, বেহালা বা তবলার মতো বাদ্যযন্ত্র শেখার ক্লাসে ভর্তি করে দেওয়া যেতে পারে। মনের মতো বিষয় শিখতে পারলে বাচ্চার ভাল লাগবে এবং এই বিষয়ে আরও বেশি আগ্রহ গড়ে উঠবে। এখন অনেক প্রতিষ্ঠানই কমবয়েসি বাচ্চাদের নাটক শেখায়। নাটক একটি ডিসিপ্লিন সমৃদ্ধ শিল্প। এই নিয়ম মানার মধ্যে দিয়ে নাটক করা বা শেখা বাচ্চাকে অনেকটাই সাহায্য করে।

৩) ঘরের কাজে বাচ্চাকে নিযুক্ত করা- গান বাজনা শেখা হোক বা সাঁতার, এখন করোনা আবহে অনেক কিছুই সম্ভব নয়। অনলাইনে এগুলো শেখা যায় বটে কিন্তু এতে একজন হাইপার-অ্যাকটিভ শিশুর খুব একটা লাভ হয় না। তাই এ রকম পরিস্থিতিতে বাচ্চাকে দিয়ে ঘরের ছোট ছোট কাজ করাতে হবে। জল ভরতে দেওয়া, নিজের পড়ার টেবিল গুছিয়ে রাখতে দেওয়া- এগুলো করানো যায়। সকালে উঠে বাচ্চা যদি নিজে নিজে রুটিন তৈরি করে নেয়, তা হলে বেশ ভাল হয়। এতে সে সারাদিন কী কী করবে, তার একটা ধারনা তৈরি হবে।

৪) পজিটিভ ভাবে বিষয়টি সামলাতে হবে- যারা অতিমাত্রায় এনার্জেটিক হয়, তাদের বেশিরভাগ সময় মনঃসংযোগের অভাব হয়। কারণ তারা একটা কাজ অসম্পূর্ণ রেখে অন্য কাজ করে। এটা না করে, বাচ্চাকে যদি বলা যায় যে কোনও নির্দিষ্ট কাজ শেষ করলে সে পুরষ্কার পাবে, তা হলে এই কৌশল অনেক সময়ে কাজে দেয়।

৫) নিজের মতো সময় ব্যবহার করতে দেওয়া- শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এটাও একটা উপায়। সব কাজ যে উদ্দেশ্য নিয়ে করতে হবে তার কোনও মানে নেই। তাই কিছুটা সময় বাচ্চাকে নিজের মতো ছেড়ে দিতে হবে। সে যদি খেলতে চায়, ছবি আঁকতে চায় বা লাফালাফি করতে চায়, তা হলে সেটা তাকে করতে দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে। এতে তার এনার্জি অনেকটাই কাজে লাগবে এবং একই কাজ করতে করতে সে ক্লান্ত হয়ে পড়বে।মায়ের হাতে ছাড়া খাবে না; বাচ্চা ভোলাতে মুখে স্ত্রীর ছবি আটকালেন যুবক! তার পর?

Published by:Rukmini Mazumder
First published: