ঠিক যেন পাপড়ি মেলা ফুল, সোনার 'স্তনবৃন্তের আচ্ছাদনী' নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে

ঠিক যেন পাপড়ি মেলা ফুল, সোনার 'স্তনবৃন্তের আচ্ছাদনী' নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে

দেখে মনে হবে যেন পাপড়ি মেলা কোনও ফুল, বানানো সলিড সোনায়

  • Share this:

দেখে মনে হবে পাপড়িমেলা কোনও ফুল, বানানো সলিড সোনায়... স্তনবৃন্তের আচ্ছাদনী! একসময়ে সাজের প্রধান অনুসঙ্গ ছিল ।  ২০১১ সালে আমেরিকার একটি নিলাম ঘরে বিক্রির জন্য আসে এক্কেবারে ফুলের মত দেখতে সোনার এই স্তনবৃন্ত আচ্ছাদনী । ব্যবহার করা হত গয়নার মতোই।   বাহারি সাজের সঙ্গে স্তনবৃন্ত ঢাকতে ব্যবহার করা হত এই বিশেষ পোশাক।

প্রত্নতত্ত্ববিদদের একাংশের মতে, প্রাচীনকলে যৌনতা নিয়ে ছুঁত্‍মার্গ ছিল  না। ১০০ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ রোমের বাসিন্দারা এই স্তনবৃন্ত আচ্ছাদনী বা 'নিপল কভার' ব্যবহার করতেন। প্রত্নতত্ত্ববিদদের আরেকাংশের দাবি, পম্পেইয়ের যৌন কর্মীরা এই জাতীয় স্তনবৃন্ত আচ্ছাদনী ব্যবহার করতেন। অনেকের মতে, এর উত্‍পত্তি মিশরে। মমিদের ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হত এটি।

১০০০ খ্রিস্টপূর্বের একটি মমি, মৃত্যুকালে যার বয়স ছিল ১৩ বছর , সেটির মধ্যে মেলে এই স্তনবৃন্ত আচ্ছাদনীটি । ১৯২০ সাল নাগাদ বেলি ডান্সার বা লিটল ইজিপ্ট ডান্সারদের ক্ষেত্রে এ জাতীয় প্রসাধনী দেখতে পাওয়া যেত। খ্রিস্টিয় প্রথম শতক কিংবা ১৯ শতকের আমেরিকার যৌনপল্লিতেও এরকম আচ্ছাদনী পরার চল ছিল। জানা যায়, মার্কিন সমাজ এই স্তনবৃন্ত আচ্ছাদনীকে কুরুচিকর মনে করত। তবে, প্রত্নতত্ত্ববিদদের অনেকেই মনে করেন, এটি আসলে প্রাচীন ঘোড়ার জিনের অংশ। নিলামে ওঠার পরও সেই স্তনবৃন্তের আচ্ছাদনী নিয়ে বিতর্ক কিছু কম হয় না। বিক্রি হয় কয়েক কোটি টাকায়।

First published: February 10, 2020, 5:34 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर