• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • দুশ্চিন্তা নেই, শীতের সময়েও ডায়াবেটিক রোগীরা নিশ্চিন্তে খেতে পারেন এই খাবারগুলো!

দুশ্চিন্তা নেই, শীতের সময়েও ডায়াবেটিক রোগীরা নিশ্চিন্তে খেতে পারেন এই খাবারগুলো!

তার পর দেখা যায়, যাদের এই ব্রাউন ফ্যাট রয়েছে, তাদের মধ্যে ৪.৬ শতাংশ মানুষের টাইপ ২ ডায়াবেটিস রয়েছে। কিন্তু যাদের ব্রাউন ফ্যাট নেই, তাদের মধ্যে ৯.৫ শতাংশের টাইপ ২ ডায়াবেটিস রয়েছে। এদিকে ব্রাউন ফ্যাট নেই এমন ২২.২ শতাংশ মানুষের অ্যাবনরমাল কোলেস্টেরল রয়েছে, কিন্তু যাদের ব্রাউন ফ্যাট রয়েছে তাদের মধ্যে মাত্র ১৮.৯ শতাংশের কোলেস্টেরল রয়েছে।

তার পর দেখা যায়, যাদের এই ব্রাউন ফ্যাট রয়েছে, তাদের মধ্যে ৪.৬ শতাংশ মানুষের টাইপ ২ ডায়াবেটিস রয়েছে। কিন্তু যাদের ব্রাউন ফ্যাট নেই, তাদের মধ্যে ৯.৫ শতাংশের টাইপ ২ ডায়াবেটিস রয়েছে। এদিকে ব্রাউন ফ্যাট নেই এমন ২২.২ শতাংশ মানুষের অ্যাবনরমাল কোলেস্টেরল রয়েছে, কিন্তু যাদের ব্রাউন ফ্যাট রয়েছে তাদের মধ্যে মাত্র ১৮.৯ শতাংশের কোলেস্টেরল রয়েছে।

ডায়াবেটিস মেলিটাস (Diabetes Mellitus) হল এমন একটি অসুখ যাতে রক্তে চিনির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। কারণ ইনসুলিন নামের হরমোন তখন গ্লুকোজকে ভাঙতে পারে না।

  • Share this:

#কলকাতা: ডায়াবেটিস মেলিটাস (Diabetes Mellitus) হল এমন একটি অসুখ যাতে রক্তে চিনির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। কারণ ইনসুলিন নামের হরমোন তখন গ্লুকোজকে ভাঙতে পারে না। এই অসুখের নিরাময় পুরোপুরি হয় না বলেই সুগার বা বাড়তি চিনি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যঙ্গ যেমন চোখ, কিডনি, হার্ট এগুলো বিকল করে দেয়। তাই ডায়াবেটিক রোগীদের সব সময় নির্দিষ্ট একটি ডায়েটের মধ্যে রাখা হয় যাতে তাঁদের রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রিত থাকে। শীতকালে ঠাণ্ডাজনিত স্ট্রেস থেকে রক্তে চিনির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। তবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কিছু খাবার আছে যা শীতকালেও ডায়াবেটিক রোগীরা নিশ্চিন্তে খেতে পারবেন। শীতকালে মধুমেহ যাঁদের আছে, তাঁদের জন্য সবার আগে খাওয়া দরকার সবজি। গাজর, মুলো, বিটরুট, পালং শাক, সরষে শাক, বাঁধাকপি, ফুলকপি, ব্রোকোলি, উচ্ছে, বিনস, মটরশুঁটি ও ভুট্টার দানা খাওয়া যায়। বিশেষ করে গাজর, মুলো আর বিটে আছে ফাইবার এবং A, B 6, C, E ও K’র মতো জরুরি ভিটামিন। এ ছাড়াও এতে আছে জিঙ্ক, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, কপার, আয়োডিন ও ম্যাগনেসিয়াম। নিয়মিত ইনসুলিন নিঃসরণের জন্য জিঙ্ক খুব উপকারী। সবজির সঙ্গে সঙ্গে ফলও খেতে হবে। কমলালেবু, মুসাম্বি, আপেল, পেয়ারা, বেদানা ও কিউয়ি ডায়বেটিক রোগীদের জন্য ভালো। সাইট্রাস ফলে আছে ভিটামিন সি যা একটি খুব ভালো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। উল্লেখিত ফলগুলোতে আছে মাইক্রো ও ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট, ভিটামিন ও খনিজ। এই সবগুলোই টিস্যুর ক্ষয় রোধ করে। রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়লে টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তার জন্য ডায়াবেটিক রোগীদের উচিৎ লিন মিটস, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড যুক্ত মাছ ও ডিম খাওয়া। এতে কার্বোহাইড্রেট কম থাকায় কোনও অসুবিধা নেই। রেড মিট বা পাঁঠার মাংস এড়িয়ে চলাই ভালো। মনে রাখতে হবে যে একজন ডায়াবেটিক রোগীর উচিৎ কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা। ভাত ও আলু তাই কম খাওয়া উচিৎ। সাদা ভাত ও আলুর গ্লাইসেমিক ইনডেক্সও বেশি। পরিবর্তে ব্রাউন রাইস খাওয়া যেতে পারে। কার্বোহাইড্রেট হলেও ব্রাউন রাইসে ফাইবার ও পুষ্টিগুণ সাদা ভাতের চেয়ে বেশি।

Published by:Akash Misra
First published: