করোনার অনেক আগেই পৃথিবীকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে এই ভয়ানক ভাইরাসগুলি !

করোনার অনেক আগেই পৃথিবীকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে এই ভয়ানক ভাইরাসগুলি !

বিগত ছয় মাসে করোনা পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে গোটা পৃথিবীর ছবি। অতিমারীতে প্রাণ গিয়েছে কয়েক লক্ষ মানুষের।

বিগত ছয় মাসে করোনা পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে গোটা পৃথিবীর ছবি। অতিমারীতে প্রাণ গিয়েছে কয়েক লক্ষ মানুষের।

  • Share this:

বিগত ছয় মাসে করোনা পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে গোটা পৃথিবীর ছবি। অতিমারীতে প্রাণ গিয়েছে কয়েক লক্ষ মানুষের। এই রোগের জন্য দায়ী নোভেল করোনাভাইরাস ১৯। জ্বর, কাশি, গায়ে ব্যথা, শ্বাসকষ্টের সঙ্গে ঘ্রাণশক্তি, স্বাদ কমে যাওয়া এই রোগের উপসর্গ। ২০২০ সালের ১১ মার্চ কোভিড ১৯-কে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্যান্ডেমিক বা অতিমারী ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু। সারা বিশ্বে ৩৩ কোটি মানুষ এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন।

তবে কি না, করোনাই একমাত্র নয়। সভ্যতার ইতিহাসে কয়েকশো বছর ধরে নানা মহামারী এসে কেড়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণ। জেনে নেওয়া যাক সেই রকম কিছু প্রাণঘাতী মহামারীর কথা।

স্মল পক্স

১৪৯২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ছড়িয়ে পড়ে এই সংক্রমণ। সংক্রমিতের ৩০ শতাংশের মৃত্যু হয় এই রোগে। মৃতের সংখ্যাটা প্রায় ২ কোটি। এই প্যান্ডেমিকের ফলে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ধসে পড়েছিল, যার ফলে দুনিয়ার বহু অঞ্চলে উপনিবেশ গড়ে তুলতে বেশ সুবিধে হয় ইয়োরোপের।

কলেরা

১৮১৭ থেকে ১৮২৩ এর মধ্যে ভারতে এই কলেরা ছড়িয়ে পড়ে। ব্রিটিশ সৈন্যদের থেকে এই ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। খাবার এবং জলবাহিত এই ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণে দুনিয়া জুড়ে প্রায় ১৫ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়।

এইচআইভি/ এইডস

১৯৮১ সালে এই রোগের কথা প্রথম জানা যায়। এই ভাইরাস সংক্রমণে দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। এটি একটি যৌন রোগ। এই মুহূর্তে সারা পৃথিবীতে সাড়ে ৭ কোটি মানুষ এই ভাইরাসের শিকার।

সার্স

২০০৩ সালে চিনে প্রথম ধরা পড়ে এই ভাইরাস। সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম। এটি প্রথম বাদুড়ের শরীর থেকে বিড়ালের শরীরে আসে, সেখান থেকে মানুষের এই সংক্রমণ হয়। ৮০৯৬ জনের শরীরে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। হাঁচি, কাশির মধ্যে দিয়ে এই ভাইরাস অন্যের দেহে সংক্রমিত হয়।

ইবোলা

২০১৪ সালে গিনিতে প্রথম দেখা যায় এই ভাইরাস। অচিরেই ছড়িয়ে পড়ে পশ্চিম আফ্রিকার অন্যান্য দেশে। ২৮ হাজার মানুষের দেহে ইবোলা সংক্রমণ হয়।

Published by:Piya Banerjee
First published: