সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব বেশি সময় দিলে দাঁতে ব্যাথাও হতে পারে, বলছে গবেষণা

সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব বেশি সময় দিলে দাঁতে ব্যাথাও হতে পারে, বলছে গবেষণা

গবেষণা বলছে যে যাঁরা সব চেয়ে বেশি সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় কাটান, তাঁদের রাত্রে ভালো ঘুম হচ্ছে না এবং তাঁরা দাঁতের সমস্যায় ভুগছেন।

গবেষণা বলছে যে যাঁরা সব চেয়ে বেশি সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় কাটান, তাঁদের রাত্রে ভালো ঘুম হচ্ছে না এবং তাঁরা দাঁতের সমস্যায় ভুগছেন।

  • Share this:

#তেল আভিভ: ইজরায়েলের তেল আভিভ বিশ্ববিদ্যালয় সাম্প্রতিক গবেষণালব্ধ কিছু তথ্য শেয়ার করেছে। এই তথ্য খুবই চিন্তাজনক পরিস্থিতির উদ্রেক করেছে। গবেষণা বলছে যে যাঁরা সব চেয়ে বেশি সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় কাটান, তাঁদের রাত্রে ভালো ঘুম হচ্ছে না এবং তাঁরা দাঁতের সমস্যায় ভুগছেন। এই গবেষণা করার জন্য সমীক্ষা চালানো হয়েছে দুই রকমের গ্রুপের উপরে। একদল যাঁরা স্মার্টফোন ব্যবহার করেন আর এক দল যারা কোশার ফোন ব্যবহার করেন। কোশার ফোন ব্যবহার করেন ইজরায়েলের অতিরিক্ত গোঁড়া সম্প্রদায়। যারা মনে করেন ফোনে বেশি অ্যাপ থাকলে তাঁরা ধর্মচ্যুত হবেন। কোশার ফোনে সেই কারণেই বেশিরভাগ অ্যাপ ডাউনলোড করা যায় না।

দুই রকমের দলের উপরেই সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে যে বেশিরভাগ ব্যক্তি যাঁরা স্মার্টফোন ব্যবহার করেন, তাঁরা দিনের বেলায় দাঁতের সমস্যায় ভুগছেন। কোশার ফোন যাঁরা ব্যবহার করেন তাঁদের মধ্যে মাত্র ৬% এই সমস্যায় ভুগছেন। আর সেই কারণেই এই গবেষণা করেছেন তাঁরা পরামর্শ দিয়েছেন যে সবারই উচিৎ সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে কিছুটা হলেও রাশ টানতে।

দেখা গিয়েছে যে যাঁরা নিয়মিত ফোন ব্যবহার করেন এবং দিনের বেশ কিছুটা সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় কাটান, তাঁদের ঘুমের প্যাটার্ন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ২০% নিয়মিত ফোন ব্যবহারকারীরা বলেছেন যে তাঁরা বেশিরভাগ রাতেই উঠে পড়েন। জীবন থেকে কিছু মিস হয়ে গেল না তো, এই ভেবেই তাঁদের ঘুম ভেঙে যায়।

এই কিছু একটা মিস হয়ে গেল না তো প্রবণতা থেকেই নানা সমস্যার উৎপত্তি হচ্ছে বলে মনে করছেন গবেষক ডক্টর পেসিয়া ফ্রিডম্যান রুবিন। রুবিন বলেছেন যে অনেকেই ক্রমাগত ফোন চেক করতে থাকেন যাতে কোনও কিছু মিস হয়ে না যায়। এঁরা Facebook, Whatsapp-সহ নানা অ্যাপ সর্বদা খুলে রাখেন। আর এর থেকেই জন্ম নিচ্ছে মানসিক চাপ ও অবসাদ।

তবে রুবিন মেনে নিয়েছেন যে মানুষের জীবনে প্রযুক্তির প্রয়োজন অনস্বীকার্য। কিন্তু তাঁর মানে এই নয় যে এর কুপ্রভাব সম্পর্কে আমরা সচেতন হব না। সবাইকে জানতে এবং বুঝতে হবে যে শরীর ও মনের উপরে ফোনের কী রকম প্রভাব পড়ছে!

Published by:Pooja Basu
First published: