লাইফস্টাইল

corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ বাড়াতে কড়হা পান করছেন ? অতিরিক্ত পান করলে বাড়বে বিপদ !

করোনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ বাড়াতে কড়হা পান করছেন ? অতিরিক্ত পান করলে বাড়বে বিপদ !
photo source collected

নিয়ম মেনে এই আয়ুর্বেদিক ওষধিমিশ্রিত পানীয় গ্রহণ করলে কোনও ক্ষতি হবে না আর আপনার শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও অনেক বৃদ্ধি পাবে।

  • Share this:

জীবন অনেক সময়ে নিজের অজান্তেই আমাদের অনেক কিছু শিখিয়ে দিয়ে যায়। ঠিকঠাক চলতে থাকা জীবন যে আচমকা এক ভাইরাসের আক্রমণে থমকে যাবে, সেটা আমরা জানতাম না। যা কোনওদিন করিনি, ভাবিনিও, সেগুলো আজ করতে হচ্ছে।

তবে বহু মানুষের জীবনের বিনিময়ে একটা খাঁটি কথা আমরা শিখেছি। স্বাস্থ্যই সম্পদ। শরীরে যদি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা অত্যন্ত শক্তিশালী হয়, তা হলে ভাইরাস আমাদের কাবু করতে পারবে না।

করোনাকালে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য দুধ-হলুদ, কড়হা বা আয়ুর্বেদিক ওষধিমিশ্রিত পানীয় গ্রহণ করার প্রবণতা বেড়ে গিয়েছে। কাঁড়ি কাঁড়ি ওষুধ খাওয়ার বদলে এই প্রাকৃতিক দাওয়াই যে ভালো- সেই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তবে অনেকেই এই কড়হা দিনে তিন থেকে চার গ্লাস পান করছেন।

একটা কথা মাথায় রাখবেন, যে কোনও জিনিস, সেটা যত ভালোই হোক না কেন, বাড়াবাড়ি হলেই বিপদ। তাই কড়হা পানেরও কিছু নিয়ম-নীতি আছে। সেটা না মেনে নিজের খেয়াল খুশি মতো খেলে শরীর বিদ্রোহ করতে পারে।

যে যে উপাদান দিয়ে আপনি কড়হা তৈরি করছেন, সেগুলো যত বেশি সেদ্ধ করবেন বা ফোটাবেন, তত বেশি দ্রব্যগুণ বেরিয়ে আসবে- এই ধারণাও একেবারে ভ্রান্ত। বেশি ফোটানো কড়হা বেশি মাত্রায় পান করলে মুখে আলসার থেকে শুরু করে অ্যাকনে, অম্বলসহ আরও অনেক কিছু হতে পারে।

তা হলে কি কড়হা পান করবেন না? নিশ্চয়ই করবেন, তবে নিয়ম মেনে।

 সারা দিনে মাত্র হাফ কাপ কড়হাই যথেষ্ট। বেশি মানেই বেশি ভালো নয়, এটা মাথায় রাখতে হবে। এটা এতটাই শক্তিশালী যে প্রতি দিন বা দীর্ঘ সময় পান করারও প্রয়োজন নেই। কিছু দিন টানা পান করার পর দু'-একদিনের বিরতি নেবেন।

 আগেই বলেছি, উপাদান বেশি ফোটালেই তরতর করে দ্রব্যগুণ বেরিয়ে আসবে, সেটাও ভুল ধারণা। উল্টে বেশি ফোটালে কড়হা তেঁতো ও বিস্বাদ হয়ে যাবে। তখন এটা পান করতেও ভাল লাগবে না এবং অম্বল ও বুকজ্বালা হবে।

 আপনার বোধহয় জানা নেই যে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলার পাশাপাশিই কড়হা শরীরে অতিরিক্ত উত্তাপ সৃষ্টি করে। সেই কারণেই বেশি কড়হা পান করতে বারণ করা হয়। শরীর বেশি গরম হয়ে গেলে শুষ্ক হয়ে যাবে। তাই কড়হা তৈরির সময় এলাচ, গোলাপের পাপড়ি এগুলো দেবেন। এগুলো শরীর ঠাণ্ডা করে। মাঝে মাঝে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে কমলালেবু খাবেন।

অতিরিক্ত উত্তাপ তৈরি করে বলেই কড়হা পানের সঙ্গে সঙ্গে আপনার শরীরে অন্যান্য ফ্লুইড বা তরল যাওয়া উচিৎ। জল তো পান করবেনই, তার পাশাপাশি পুদিনা মেশানো জল, ডাবের জল এগুলোও পান করবেন।

নিয়ম মেনে এই আয়ুর্বেদিক ওষধিমিশ্রিত পানীয় গ্রহণ করলে কোনও ক্ষতি হবে না আর আপনার শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও অনেক বৃদ্ধি পাবে।

Published by: Piya Banerjee
First published: November 3, 2020, 6:46 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर