হোম /খবর /লাইফস্টাইল /
বয়সে বড়, শরীরে একস্ট্রা মেদ ! এমন মহিলাই কী পছন্দ? কী ভাবে সামলাবেন এমন সম্পর্ক

বয়সে বড়, শরীরে একস্ট্রা মেদ ! এমন মহিলাই কী পছন্দ? কী ভাবে সামলাবেন এমন সম্পর্ক, জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা!

সাধারণ ভাবে আমাদের সমাজে স্থূলকায়াদের নিয়ে বেশ পরিহাসই করা হয়। তার উপরে তাঁরা বয়স্কা হলে তো কথাই নেই

  • Last Updated :
  • Share this:

#নয়াদিল্লি: সবার আগে একটা ইংরেজি প্রতিশব্দের কথা না বললেই নয়- Big Beautiful Woman বা BBW। Big বলতে এ ক্ষেত্রে বয়স আর ওজন দুই বোঝায়। সাধারণ ভাবে আমাদের সমাজে স্থূলকায়াদের নিয়ে বেশ পরিহাসই করা হয়। তার উপরে তাঁরা বয়স্কা হলে তো কথাই নেই, ধরেই নেওয়া হয় যে তাঁদের শারীরিক চাহিদা বলে কিছু থাকতে পারে না। কিন্তু বিশেষজ্ঞা পল্লবী জানিয়েছেন যে তাঁর কাছে মাঝে মধ্যেই এমন অনেক প্রশ্ন আসে যার সঙ্গে সরাসরি ভাবে জড়িত আছেন এই স্থূলকায়া, সুন্দরী নারীরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তেমনই এক ২৪ বছরের যুবকের কথা বলা যাক! ওই যুবক জানিয়েছিলেন যে শারীরিক ভাবে এমন নারীর প্রতি আকর্ষণ বোধ করেন যিনি বয়সে তাঁর চেয়ে অন্তত ১০-১৫ বছরের বড় এবং বেশ স্থূলকায়া। কখনও কখনও তাঁদের মধ্যে বয়সের ব্যবধান ২০ বছরেও গিয়ে ঠেকেছে। এঁরা সবাই বিবাহিতা। আর সেই জন্যেই তাঁর একটা পরামর্শের প্রয়োজন ছিল। ওই যুবক বুঝতে পারছিলেন না যে তিনি ঠিক করছেন কি না!

সাফ বক্তব্য পল্লবীর- তিনি অন্যায় কিছু করছেন না। ওই যুবকের যে তাঁদের ভালো লাগে, এটা জেনে নারী হিসেবে পল্লবীরও ভালো লেগেছে। আর তার ঠিক পরেই তিনি বিশ্লেষণ করেছেন যে কেন অল্পবয়সী পুরুষ বয়সে বড় নারীর প্রতি আকৃষ্ট হন!

আসলে যৌনতা যতটা না শারীরিক চাহিদা, তার চেয়েও ব্যাপারটা অনেক বেশি করে মানসিক! বয়সে বড় বলেই এই নারীরা মানসিক দিক থেকে অনেক বেশি পোক্ত হন। তাঁরা যৌনতায় সমানে সমানে অংশ নেন, নিজের চাহিদার কথা মুখ ফুটে সঙ্গীকে বলেন। নিজে যেমন তৃপ্ত হন সঙ্গীর দ্বারা, তেমনই অন্য পক্ষের কী ভালো লাগছে সেটাও তাঁদের বুঝতে অসুবিধা হয় না। ফলে, যৌন অভিজ্ঞতা বেশির ভাগ সময়েই মধুর হয়। বয়সে বড় এই নারী যদি বিবাহিতা হন, তা হলে তিনি অল্পবয়স্ক পুরুষসঙ্গীকে গভীরতর সম্পর্কে যাওয়ার জন্যও জোর দেন না। ফলে আননদ উপভোগের দিকটা দুই তরফেই নির্ভার থাকে। এই সম্পর্ক কোনও পুরুষের একাধিক নারীর সঙ্গে থাকলেও অসুবিধে নেই, নারীর ক্ষেত্রেও বিপরীত ক্রমেও কথাটা প্রযোজ্য!

তবে আবার বলতে হয়, যৌনতার সঙ্গে মনটিও তো জড়িয়ে থাকে, যাকে অনেক দিক থেকেই প্রভাবিত করে সমাজ। অতএব যদি সব কিছু হয়ে যাওয়ার পরে কোনও অপরাধবোধ কাজ করে, তা হলে কারও এমন সম্পর্কে না থাকাই ভালো হবে। কেন না, এর থেকে পরে তৈরি হতে পারে গভীর মানসিক অবসাদ। শারীরিক সুখের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ মানসিক স্বাস্থ্য, এটা তাই মাথায় না রাখলেই নয়!

Published by:Akash Misra
First published:

Tags: Lifestyle