• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • টয়লেটে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন? বিপদ ডাকছেন অজান্তে

টয়লেটে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন? বিপদ ডাকছেন অজান্তে

 আপনি একদিন মোবাইল ছাড়া ! ব্যাপারটা লেখা সহজ হলেও, ভাবা সহজ হলেও, ঘটনা ঘটা এতটাও সহজ নয় ৷ কারণ, ব্যস্ত জীবনে মোবাইল ছাড়া একটা মিনিট থাকাটা প্রায় অসম্ভব ৷

আপনি একদিন মোবাইল ছাড়া ! ব্যাপারটা লেখা সহজ হলেও, ভাবা সহজ হলেও, ঘটনা ঘটা এতটাও সহজ নয় ৷ কারণ, ব্যস্ত জীবনে মোবাইল ছাড়া একটা মিনিট থাকাটা প্রায় অসম্ভব ৷

আপনি একদিন মোবাইল ছাড়া ! ব্যাপারটা লেখা সহজ হলেও, ভাবা সহজ হলেও, ঘটনা ঘটা এতটাও সহজ নয় ৷ কারণ, ব্যস্ত জীবনে মোবাইল ছাড়া একটা মিনিট থাকাটা প্রায় অসম্ভব ৷

  • Share this:

    #কলকাতা: আপনি একদিন মোবাইল ছাড়া ! ব্যাপারটা লেখা সহজ হলেও, ভাবা সহজ হলেও, ঘটনা ঘটা এতটাও সহজ নয় ৷ কারণ, ব্যস্ত জীবনে মোবাইল ছাড়া একটা মিনিট থাকাটা প্রায় অসম্ভব ৷ আর এই কারণেই, দেশে-বিদেশে প্রচুর মানুষ টয়লেটেও যান মোবাইল হাতে করে ৷ কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, টয়লেটে মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়া খুব একটা স্বাস্থ্যকর অভ্যাস নয় ৷

    আরও পড়ুন: দেশে সুপার এমারজেন্সি চলছে, শিলচর নিয়ে বললেন মমতা

    চিকিৎসকরা বলছেন, মোবাইলের কভার সাধারণত রবারের তৈরি হয় ৷ আর এই রবারেই বাসা বাঁধে যাবতীয় ক্ষতিকারক ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া ৷ বাথরুমের ফ্লাশ, কল বা দরজার লক ব্যবহারের পর মোবাইলের স্ক্রিনে হাত দিলে সেখানেও জন্মাতে পারে ব্যাকটেরিয়া৷ যা থেকে টাইফয়েডের মতো অসুখও হতে পারে ৷

    আরও পড়ুন: শিলচরে গ্রেফতার তৃণমূল প্রতিনিধি দল

    টয়লেটের ভিজে পরিবেশে ব্যাকটিরিয়া দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে। ঠিক ভাবে হাত না ধোওয়া বা টয়লেট ব্যবহারের সময় সেই জায়গায় মোবাইল রাখার ফলে তাতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ই.কোলাই, সিগেল্লা এবং ক্যামফাইলোব্যাকটরের মতো ব্যাকটিরিয়া। ফোনের টাচস্ক্রিনে গ্যাসট্রো এবং স্ট্যাপের মত ক্ষতিকর ভাইরাস জন্মাতে পারে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

    টয়লেটে ব্যবহারের পর সেই ফোন আমরা বিছানায় বা খাবার জায়গায় রাখি এবং সেখানেও ব্যবহার করি। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মোবাইলে বাসা বাঁধা এই ক্ষতিকর ভাইরাস ও ব্যাকটিরিয়া খাবারের সঙ্গে লালায় মিশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে শরীরে।

    আরও ভয়ানক ব্যাপার হচ্ছে মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করার সময় যখন গরম হয়ে যায় তখন ব্যাকটেরিয়াগুলোও তাঁদের বংশবিস্তার করার উপযোগী পরিবেশ পায়।

    First published: