ভূতচতুর্দশীতে কেন ১৪ বাতি, কেন ১৪ শাক?

ভূতচতুর্দশীতে কেন ১৪ বাতি, কেন ১৪ শাক?

ঠিক যেমন ভূতচতুর্দশীতে ১৪ বাতি ও ১৪ শাক খাওয়ার রীতি ৷ কিন্তু জানেন এই রীতির নেপথ্যে রয়েছে কি কারণ?

ঠিক যেমন ভূতচতুর্দশীতে ১৪ বাতি ও ১৪ শাক খাওয়ার রীতি ৷ কিন্তু জানেন এই রীতির নেপথ্যে রয়েছে কি কারণ?

  • Share this:

    #কলকাতা: করোনা আবহেই এবার বাঙালির সব উৎসব ৷ তা পয়লা বৈশাখ পালন হোক কিংবা বাঙালির মহা উৎসব দুর্গাপুজো ৷ আতঙ্ক নিয়ে দুর্গাপুজোর ৪ দিন কেটে গিয়ে এখনও বিজয়ার আমেজ ৷ সামনেই কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো ৷ রাজ্যের ঘরে ঘরে লক্ষ্মীর আরধনায় মেতে উঠবে বাঙালি ৷ তারপরই কালীপুজো ও দীপাবলি ৷ আলোর উৎসবে নতুন করে আনন্দ খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা ও করোনার অন্ধকার কাটিয়ে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের আহ্বান ৷ তবে যতই করোনা আবহ হোক না কেন, নিয়মনীতির ব্যাপারে কোনও ফাঁক রাখতে চাইছেন না কেউ-ই ৷ ঘরে বসেই যতটা সম্ভব পুজোর আচার-অনুষ্ঠানে ব্যস্ত সবাই ৷ ঠিক যেমন ভূতচতুর্দশীতে ১৪ বাতি ও ১৪ শাক খাওয়ার রীতি ৷ কিন্তু জানেন এই রীতির নেপথ্যে রয়েছে কি কারণ? আসলে মঙ্গল কামনায় কালিপুজোর আগের দিন  ১৪ প্রদীপ জ্বালানো হয় ভূতচতু্র্দশীর সন্ধেতে। সঙ্গে নিয়ম রয়েছে, ১৪ রকম শাক খাওয়ার ৷   শাস্ত্রমতে, অশুভ শক্তিকে বিনাশ করতে এবং অতৃপ্ত আত্মাদের তুষ্ট করতে এই দিনে ১৪ শাক খাওয়া হয় এবং সন্ধেতে ১৪ টি প্রদীপ জ্বালানো হয়। ঘোর অমাবস্যায় অন্ধকার দূর করতেই দীপ জ্বালানোর রেওয়াজ। আর ১৪টি শাক খাওয়ার নিয়মটি এসেছে প্রধানত স্বাস্থ্যরক্ষার্থে। কারণ ঠান্ডার আমেজ এসে যায় এই সময়। সিজন চেঞ্জের সময় প্রধানত শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতেই ১৪টি শাক খাওয়া দরকার।  এই ১৪ রকমের শাক হল- ওল, কেঁউ, বেতো, সর্ষে, কালকাসুন্দে, নিম, জয়ন্তী, শাঞ্চে, হিলঞ্চ, পলতা, শৌলফ, গুলঞ্চ, ভাঁটপাতা এবং শুষণী। শরীর ভালো রাখতে গ্রিন ভেজিটেবিলস এর বিকল্প যে কিছু হতে পারে না, তা তো সকলেই জানেন৷ বিশেষত আয়ুর্বেদ এবং কবিরাজি শাস্ত্রে এই শাকগুলির গুণ অসীম।

    Published by:Akash Misra
    First published:

    লেটেস্ট খবর