হোম /খবর /লাইফস্টাইল /
অক্সিজেনের সঙ্কটে করোনা আক্রান্তের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ প্রোনিং, চটপট জেনে নিন

অক্সিজেনের সঙ্কটে করোনা আক্রান্তের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ প্রোনিং, চটপট জেনে নিন!

অক্সিমিটারে অক্সিজেন লেভেল ৯৪-এর নিচে নেমে গেলে এই প্রোনিং পদ্ধতি শুরু করা যেতে পারে।

  • Share this:

#কলকাতা: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে জেরবার গোটা দেশ। দিন দিন সংক্রমণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এক করোনায় যেন রক্ষে নেই, দোসর হয়েছে অক্সিজেন সঙ্কট। কোনও ক্রমে হাসপাতালে বেড মিললেও অক্সিজেন পেতে নাকাল হচ্ছেন রোগী ও তাঁদের পরিবার। এই পরিস্থিতিতে রোগীর প্রাণ বাঁচাতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে হোম আইসোলেশনে থেকেই চিকিৎসা চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে শ্বাসকষ্ট কমানোর জন্য দেওয়া হয়েছে 'প্রোনিং' (Proning) পদ্ধতি অবলম্বন পরামর্শও।

কী এই প্রোনিং পদ্ধতি?

এটি হল এক বিশেষ ধরনের শোওয়ার পদ্ধতি। কোনও কোভিড আক্রান্ত রোগীর যদি শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হয় এবং শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমতে থাকে তবে বালিশের উপর পেটে ভর দিয়ে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ার পরামর্শ দিচ্ছেন ডাক্তাররা। অক্সিমিটারে অক্সিজেন লেভেল ৯৪-এর নিচে নেমে গেলে এই প্রোনিং পদ্ধতি শুরু করা যেতে পারে।

কী ভাবে করবেন?

এটি অত্যন্ত সহজ একটি পদ্ধতি। এর জন্য লাগবে ৪-৫টি বালিশ। বালিশগুলির মধ্যে একটি থাকবে গলার নিচে, ১-২টি বালিশ থাকবে বুকের নিচ থেকে পেটের নিচ অবধি। এবং আরও ১টি বা ২টি বালিশ রাখতে হবে ঠিক পায়ের তলায়। এবার এর উপর সাবধানে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়তে হবে। উপুড় হয়ে টানা ৩০ মিনিট থাকার পর (পারলে ২ ঘন্টাও থাকা যেতে পারে) ৩০ মিনিট ডান দিকে ঘুরে শোয়ার পর, ৩০ মিনিটের জন্য পিঠের উপর ভর দিয়ে আধশোয়া অবস্থায় থেকে পরের ৩০ মিনিট বাঁদিক ঘুরে শুয়ে পড়তে হবে। এই প্রসেসটি পুরো হয়ে গেলে প্রথম পজিশনে অর্থাৎ উপুড় হয়ে শুয়ে থাকতে হবে আরও ৩০ মিনিট।

প্রোনিং পদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ কেন?

– এই পদ্ধতি অ্যালভেওলার ইউনিট খোলা রাখতে ও শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

– অক্সিজেনের সঙ্কটের মধ্যে এই পদ্ধতি অনেক বেশি কার্যকর হয়।

– হাইপোক্সিয়ার (Hypoxia) মতো জটিলতা রোধে প্রোনিং পদ্ধতি অবশ্যই জরুরি।

প্রোনিং কাদের করা উচিত নয়?

- গর্ভবতীরা যদি করোনায় আক্রান্ত হয়ে শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় পড়েন তবে এই পদ্ধতি তাঁদের এড়িয়ে চলতে হবে।

- যাঁদের জটিল ভেনাস থ্রোম্বোসিস (Deep Venous Thrombosis) মতো রোগ আছে।

- যাঁরা জটিল হৃদরোগে আক্রান্ত।

- শিড়দাঁড়া বা মেরুদণ্ডের সমস্যা রয়েছে যাঁদের।

- হাঁটু বা ফিমারে যাঁদের সমস্যা রয়েছে।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published:

Tags: Coronavirus