গর্ভাবস্থায় ম্যাজিকের মতো কাজ করে দেশী ঘি, জেনে নিন কীভাবে

গর্ভাবস্থায় ম্যাজিকের মতো কাজ করে দেশী ঘি, জেনে নিন কীভাবে
গর্ভাবস্থা হচ্ছে যে কোনও মেয়ের কাছে এমন একটি সময়, যখন বিশেষ যত্নের প্রয়োজন হয়।

গর্ভাবস্থা হচ্ছে যে কোনও মেয়ের কাছে এমন একটি সময়, যখন বিশেষ যত্নের প্রয়োজন হয়।

  • Share this:

#কলকাতা: গর্ভাবস্থা হচ্ছে যে কোনও মেয়ের কাছে এমন একটি সময়, যখন বিশেষ যত্নের প্রয়োজন হয়। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াও, বাড়ির কাছের লকেদের সাহচর্যও খুব কাজে দেয়। বাড়ির অন্যান্য মহিলারা, বিশেষ করে মা, ঠাকুমারা এই সময় অনেক ঘরোয়া টোটকার সন্ধান দেয়, যা একেক সময় ম্যাজিকের মতো কাজ করে। এই যেমন এই সময় দেশী ঘিয়ের ব্যবহার। অনেকেই জানেন না দেশী ঘিয়ের উপকারিতা ঠিক কতটা। অবশ্যই খাবারের স্বাদ আর গন্ধ এক লহমায় বাড়িয়ে দিতে দেশী ঘিয়ের কোনও জুড়ি নেই। তবে অনেকেই ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে বা কোলেস্টরল বেড়ে যাওয়ার জন্য দেশী ঘি এড়িয়ে চলেন।এতটাও ভয় পাওয়ার দরকার নেই। কারণ গর্ভাবস্থায় দেশী ঘি দিয়ে তৈরি খাবার খাওয়া কিন্তু বেশ ভাল।

কেন এই সময় প্রয়োজন হয় দেশী ঘি?বহু যুগ ধরে স্বাস্থ্যরক্ষায় এবং বিভিন্ন ক্ষত নিরাময় করার ক্ষেত্রে দেশী ঘিয়ের ব্যবহার চলে আসছে। সেই ধারা অনুসরণ করেই আধুনিক ডায়েটিশিয়ান ও পুষ্টিবিদরা এখনও রান্নায় দেশী ঘি ব্যবহার করতে বলেন। অবশ্য তার মানে এই নয় প্রচুর পরিমাণে ঘি খাওয়া যায়। কারণ কোনও খাবারই, সে যত সুস্বাদুই হোক না কেন, একগাদা খাওয় শরীরের পক্ষে ভাল নয়। প্রাচীন কালে চরক সংহিতাতেও এই উল্লেখ আছে যে মানব শরীরের পক্ষে আদর্শ হল দেশী ঘি। ভারত ছাড়াও পশ্চিমি সভ্যতাতেও ঘিয়ের উপকারিতার কথা অজানা ছিল না।

দেশী ঘিয়ে ফ্যাট আছে ঠিকই কিন্তু এই ফ্যাট গর্ভবতী মা এবং তাঁর গর্ভের সন্তানের জন্য খুব ভাল। যেহেতু এই সময় একজন মহিলাকে একটি শিশুর বাড়তি ওজন বহন করতে হয় তাই তাঁর বেশি শক্তি ও এনার্জি দুটোই প্রয়োজন হয়।একজন গর্ভবতী মহিলার অন্যদের চেয়ে ২০০-৩০০ ক্যালোরি বেশি প্রয়োজন হয়। আর এক্ষেত্রে এই দুটোই যোগায় দেশী ঘি। এর সাথে সাথে দেশী ঘি শরীরের সমস্ত টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়, ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যুকে সারিয়ে তোলে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আর শক্তপোক্ত করে তোলে। তাই গর্ভাবস্থার শেষ ট্রিমেস্টারে এক দুই চামচ ঘি খাওয়া যেতেই পারে। অবশ্য তার আগে একবার ডায়েটিশিয়ান ও ডাক্তারের পরামর্শ শুনে নেওয়া বাঞ্ছনীয়।
Published by:Akash Misra
First published: