ডাক্তারখানায় বা ডায়াগনস্টিক ল্যাবে যাবেন? তার আগে জেনে নিন এই নিয়মগুলোর কথা

ডাক্তারখানায় বা ডায়াগনস্টিক ল্যাবে যাবেন? তার আগে জেনে নিন এই নিয়মগুলোর কথা

সতর্ক থাকলেই সুস্থ থাকা সহজ হবে!

সতর্ক থাকলেই সুস্থ থাকা সহজ হবে!

  • Share this:

সমস্যাটা হল, এ এমনই এক পরিস্থিতি যেখানে সংক্রমণের ভয় কখনই আমাদের পিছু ছাড়ে না। সে বদ্ধ ঘরে চার দেওয়ালের মধ্যেই হোক বা বাড়ির বাইরে।

এ বার আপনি যদি ডাক্তার দেখাতে যান বা কিছু পরীক্ষা করানোর জন্য যান ডায়াগনস্টিক ল্যাবে, তা হলে কিন্তু একটু বেশি করেই সাবধান হওয়ার প্রয়োজন আছে। কেন না এ ক্ষেত্রে এক দিকে যেমন আপনি বাড়ির বাইরে পা রাখছেন, তেমনই আবার গিয়ে পড়ছেন আরেক চার দেওয়ালের মধ্যে। আর সেই চার দেওয়াল ঘেরা জায়গা আপনার নিজের হাতে পরিষ্কার করা কমফর্ট জোন নয়। তাই মাথায় রাখুন নিচের নিয়মগুলোর কথা। দেখবেন, সতর্ক থাকলেই সুস্থ থাকা সহজ হবে!

১. অ্যাপয়েন্টমেন্ট করে তবেই যান - ডাক্তারখানা হোক বা ডায়াগনস্টিক ল্যাব, হুটহাট করে চলে যাবেন না। কেন না সবাই যদি তা করেন, তা হলে ভিড় এড়ানো যাবে না। তাই আগে থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট করে রাখুন। এতে আপনার ডাক্তার দেখানো বা পরীক্ষা করানোটাও সুনিশ্চিত হয়ে থাকবে ওই দিনে। না হলে কাজ যে হবেই- তার কিন্তু কোনও মানে নেই।

২. কোনও তথ্য লুকোবেন না - বলাই হয় যে ডাক্তার আর উকিলের কাছে কোনও তথ্য লুকোতে নেই। তবে সেটা ডাক্তারখানা বা ডায়াগনস্টিক ল্যাবের কর্মীদের ক্ষেত্রেও মেনে চলুন। আপনি যদি আগে থেকে আপনার শারীরিক অবস্থা, টেস্ট বা অন্য প্রয়োজনীয় তথ্য জানিয়ে রাখেন, তা হলে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করা দুই পক্ষেই সহজ হবে।

৩. স্যানিটাইজার সঙ্গে রাখুন - ডাক্তারখানা বা ডায়াগনস্টিক ল্যাবে গেলে এটা-ওটার ছোঁওয়া লাগবেই। তাই নিজের কাছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখুন।

৪. পয়সাকড়ির কড়চা - যদি পারেন, তা হলে অনলাইনেই পেমেন্ট করে রাখুন। সে ক্ষেত্রে ডাক্তারখানা বা ডায়াগনস্টিক ল্যাবের টাকা-পয়সা নিয়ে বাড়ি ফিরতে হবে না। যদি আপনার স্বাস্থ্যবিমা থাকে, সেটাও অ্যাপয়েন্টমেন্টের সময়েই জানিয়ে রাখবেন।

৫. নমুনা সংগ্রহ - যদি কোনও শারীরিক উপাদান পরীক্ষা এবং তার নমুনা সংগ্রহের প্রয়োজন হয়, খরচের দিক থেকে চিন্তা না থাকলে ল্যাবকর্মীকে তা আপনার বাড়ি থেকেই সংগ্রহ করতে বলুন।

Published by:Ananya Chakraborty
First published: