Home /News /life-style /
Coronavirus Explainer: সেরে উঠেই ফের হতে পারে করোনা! কত দিনের ব্যবধানে এমন হয়, সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা

Coronavirus Explainer: সেরে উঠেই ফের হতে পারে করোনা! কত দিনের ব্যবধানে এমন হয়, সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা

সেরে উঠেই ফের হতে পারে করোনা! কত দিনের ব্যবধানে এমন হয়, সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা

সেরে উঠেই ফের হতে পারে করোনা! কত দিনের ব্যবধানে এমন হয়, সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা

নতুন রিপোর্ট অনুযায়ী কোভিড-১৯-এর পুনরায় সংক্রমণের মেয়াদ আরও কমে যেতে পারে।

  • Share this:

কলকাতা: যখন একটি অসুখ থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার পর পুনরায় সেই রোগটি হয় তখন তাকে পুনঃসংক্রমণ বলা হয়। অর্থাৎ একই সংক্রামক দিয়ে ফের সংক্রমণ হলেই সেটি পুনঃসংক্রমণ বলে বিবেচিত হয়। আর বর্তমানে কোভিড-১৯-এর ক্ষেত্রে পুনরায় সংক্রমণ হওয়া বেশ সাধারণ ঘটনা হয়ে উঠেছে। ইউএস সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (CDC) অনুসারে, কোভিড-১৯-এর কারণে ভাইরাসের পুনঃসংক্রমণের অর্থ হল একজন ব্যক্তি সংক্রামিত হওয়ার পর সুস্থ হয়েছিলেন এবং পরে আবার সংক্রমিত হয়েছেন।

কোভিড-১৯ থেকে সেরে ওঠার পরে বেশিরভাগ মানুষেই পুনরায় সংক্রমণ হওয়া থেকে কিছুটা সুরক্ষা পান। যদিও স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, কোভিড-১৯-এ পুনরায় সংক্রমণ হয়। সেক্ষেত্রে অতিমারীর প্রথম দিকে কোভিড থেকে সুস্থ ব্যক্তির অন্তত ৬-৮ মাস ভাইরাসের বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকত। কিন্তু করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে সেই সময়সীমা ১২ সপ্তাহ অর্থাৎ ৩ মাসে কমে গিয়েছিল।

আরও পড়ুন-রাশিফল ২১ জুলাই; দেখে নিন কেমন যাবে আজকের দিন

এবার নতুন রিপোর্ট অনুযায়ী কোভিড-১৯-এর পুনরায় সংক্রমণের মেয়াদ আরও কমে যেতে পারে।

এখন সময়সীমা কত?

অস্ট্রেলিয়ান হেলথ প্রোটেকশন প্রিন্সিপাল কমিটির (AHPPC) সর্বশেষ পরামর্শ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ভাইরাস থেকে সেরে ওঠার পর কোনও ব্যক্তি মাত্র ২৮ দিনের মধ্যে পুনরায় সংক্রমিত হতে পারেন। অর্থাৎ আগের ১২ সপ্তাহের সময়সীমা কমিয়ে ৪ সপ্তাহ করা হয়েছে। অর্থাৎ সুস্থ হওয়ার ২৮ দিনের মধ্যে পুনরায় সংক্রমণ ঘটতে পারে।

নতুন কোভিড-১৯ সাবভ্যারিয়েন্ট কি দায়ী?

AHPPC-র মতে, ওমিক্রন সাবভ্যারিয়েন্ট বিএ.৪ এবং বিএ.৫ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ার সঙ্গে সম্পর্কিত। আগে কোভিড-১৯-এর ভ্যারিয়েন্টে সংক্রমিত হলে এবং সঠিকভাবে টিকা নেওয়া থাকলেও পুনঃসংক্রমণ দেখতে পাওয়া যাবে। পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় সাবভেরিয়েন্টের প্রভাব দেখা যাচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, ৫৩% কোভিড সংক্রমণের সিডিসি বিএ.৪ এবং বিএ.৫-কে প্রভাবশালী হিসাবে ঘোষণা করেছে।

আরও পড়ুন- জীবনে প্রকৃত ভালোবাসার মানুষটিকে পেতে চাইছেন? রইল ম্যানিফেস্টেশনের এই পাঁচ সহজ উপায়

ভাইরাস তীব্রভাবে ছড়িয়ে যাচ্ছে

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বলেছেন, সার্স-কোভ-২ ভাইরাসের নতুন ঢেউ প্রমাণ করেছে যে কোভিড-১৯-এর শেষ নেই। প্রসঙ্গত, এর আগে আটলান্টিকের রিপোর্ট অনুসারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সংক্রামক-রোগ মহামারী বিশেষজ্ঞ মারিয়া ভ্যান কেরখোভ ভাইরাসের বিস্তার প্রতিরোধ করার উপর জোর দিয়েছিলেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, ‘‘আমাদের লক্ষ্য সমস্ত সংক্রমণ প্রতিরোধ করা নয়, বরং এটির বিস্তার কমাতে হবে।’’ মারণ ভাইরাসটিকে এত তীব্র স্তরে ছড়িয়ে দিয়ে কার্যত আমরা আগুন নিয়ে খেলছি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

পরীক্ষা এবং আইসোলেশনের প্রয়োজন রয়েছে

স্বাস্থ্য আধিকারিক রবার্টসন বলেছেন, যাঁদের শরীরে কোভিড-১৯ থেকে সুস্থ হওয়ার ২৮ দিন পরে পুনরায় করোনার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে তাঁদের কোভিড টেস্ট করে নেওয়া এবং রেজাল্ট না জানা পর্যন্ত আইসোলেশনে থাকা উচিত। প্রতিবেদন অনুসারে, ১০ জুলাইয়ের পর থেকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে ২,৫৪৫টি পুনরায় সংক্রমণ ঘটেছে।

কত তাড়াতাড়ি বুস্টার নিতে হবে?

ব্রিটেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-সহ বিভিন্ন দেশে এখন চতুর্থ ভ্যাকসিন শুরু হয়েছে। যদিও ভারতে মানুষ এখনও তৃতীয় প্রতিরোধমূলক ডোজ পাচ্ছেন। সম্প্রতি সরকার ৯ মাস থেকে ৬ মাসে করোনাভাইরাসের বুস্টারের ব্যবধান কমিয়েছে। তাই কোভিড-১৯ পুনঃসংক্রমণের বিষয়ে নতুন অগ্রগতির প্রেক্ষিতে বিশেষজ্ঞরা সকলকে যত দ্রুত সম্ভব এবং নিজের নিজের দেশের নিয়ম অনুযায়ী বুস্টার ডোজ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

কাদের ঝুঁকি বেশি?

তালিকায় রয়েছেন বয়স্করা, ক্রনিক রোগ রয়েছে এমন ব্যক্তিরা, ইমিউনোকম্প্রোমাইজড ব্যক্তি এবং যাঁরা অ্যাডভান্সড চিকিৎসা নিচ্ছেন। এই ধরনের মানুষদের দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকায় দ্রুত আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই সতর্কতা মেনে চলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেক্ষেত্রে নিয়মিত মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, সঠিক হাত পরিষ্কার রাখার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং বুস্টার শট নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Published by:Siddhartha Sarkar
First published:

Tags: Coronavirus

পরবর্তী খবর