লাইফস্টাইল

corona virus btn
corona virus btn
Loading

এই অসুখগুলো থাকলে করোনা সংক্রমণের সম্ভাবনা বেশি, সতর্কতা নয়া গবেষণার

এই অসুখগুলো থাকলে করোনা সংক্রমণের সম্ভাবনা বেশি, সতর্কতা নয়া গবেষণার

এই অসুখগুলো আগে থেকেই আছে, তাঁদের এই অতিমারীর সময় আলাদা যত্ন নেওয়া উচিৎ

  • Share this:

আমরা অনেকেই জানি যে ডিমেনশিয়া বা অন্যান্য স্নায়ুজনিত সমস্যা অনেক ক্ষেত্রে জিনঘটিত হয়। আর এই সব জেনেটিক অসুখ যাঁদের আছে, তাঁদেরই করোনাভাইরাসদ্বারা আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি। অন্তত সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এল এইরকমই কিছু তথ্য।

ব্রেন, বিহেভিয়ার অ্যান্ড ইমিউনিটি পত্রিকায় এই গবেষণাপত্র বেরিয়েছে। যেখানে স্পষ্ট ইঙ্গিত দেওয়া আছে যে যাঁদের এই অসুখগুলো আগে থেকেই আছে, তাঁদের এই অতিমারীর সময় আলাদা যত্ন নেওয়া উচিৎ।

যদিও এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র গবেষক কাইজিয়ং ই বলেছেন, এই রকম ঠিক কেন হচ্ছে সেটা তাঁরা এখনও বুঝে উঠতে পারেননি। তবে এটা জানতে পেরেছেন তাঁরা যে একজন কোভিড রোগীর ক্ষেত্রে এ ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়াটা খুব সাধারণ ব্যাপার।

এই গবেষণাটি অনেকটা উল্টো দিক থেকে করা হয়েছিল। অর্থাৎ আগে সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে তার পর গবেষণার কাজ শুরু করা হয়েছিল। গবেষকরা অনেকটাই নিশ্চিত ছিলেন যে যাঁদের স্নায়ুজনিত জেনেটিক রোগ এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিস আছে তাঁদের কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি।

গবেষণা করার সময় দু'টি ক্যাটাগোরি তৈরি করা হয়েছিল- যাঁদের কোভিড আছে এবং যাঁদের নেই। তার পর অন্তত ১০০০টি রোগ বিশ্লেষণ করে দেখা হয়েছিল যে কোন কোন ক্ষেত্রে এই ভাইরাস অনেক দ্রুত শরীরকে কাবু করতে পারে।

ইউকে বায়োব্যাঙ্ক থেকে প্রাপ্ত ডেটার উপর ভিত্তি করে গবেষকরা দেখতে চেয়েছিলেন যে আমাদের একেক জনের শরীরে জিনের যা গঠন এবং যে রকম ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশে আমরা বাস করি, তার সঙ্গে ভাইরাস সংক্রমণের সম্পর্ক কতটা গভীর। জিন বিশ্লেষণ করার পর দেখা গিয়েছে যে ACE2 ও TPMPRSS2 এই দু'টি জিন যাঁদের শরীরে আছে, তাঁদের শরীরে ভাইরাস অনেক দ্রুত প্রবেশ করে।

কাইজিয়ং বলছেন যে এই দু'টি ভিন্ন ধরনের জিন কী ভাবে করোনার সঙ্গে মোকাবিলা করছে বা কী ভাবে করোনা এই দুই প্রকারের জিনকে প্রভাবিত করছে, গবেষণার পরবর্তী ধাপে সেটাই দেখা হবে।

কোভিড ১৯ রোগীদের মধ্যে TPMPRSS2 জিনের নানারকম রূপান্তর দেখা যাচ্ছে। আপাতত বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখছেন যে মূল জিন বা TPMPRSS2 কী ভাবে এ ক্ষেত্রে তার ভূমিকা পালন করছে। এই জটিল গবেষণায় সাফল্য পাওয়ার জন্য কাইজিয়ং বিজ্ঞানকে ধন্যবাদ দিয়েছেন। বিজ্ঞানের অগ্রগতি না হলে এরকম একটি গবেষণা করা যেত না বলে তিনি মনে করছেন।

Published by: Ananya Chakraborty
First published: October 30, 2020, 5:03 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर