• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • আমাদের শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা কি আমাদের কোভিড ১৯ থেকে বাঁচাতে পারবে? জেনে নিন সত্যিটা

আমাদের শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা কি আমাদের কোভিড ১৯ থেকে বাঁচাতে পারবে? জেনে নিন সত্যিটা

করোনাভাইরাস (Coronavirus)-এ আক্রান্ত পুরুষদের থেকে মহিলাদের শরীরে সমস্যা কম হচ্ছে। পাশাপাশি মৃত্যুর নিরিখেও পুরুষদের থেকে কম মৃত্যু হচ্ছে মহিলাদের। বলছে নতুন সমীক্ষা। করোনা (CoronaVirus) ছড়িয়ে পড়ার শুরু থেকেই একাধিক সমীক্ষা বলেছিল, করোনায় আক্রান্ত মহিলাদের থেকে পুরুষরা রয়েছেন বেশি বিপদে। পাশাপাশি আক্রান্তের দিক থেকেও পুরুষরা এগিয়ে রয়েছেন।

করোনাভাইরাস (Coronavirus)-এ আক্রান্ত পুরুষদের থেকে মহিলাদের শরীরে সমস্যা কম হচ্ছে। পাশাপাশি মৃত্যুর নিরিখেও পুরুষদের থেকে কম মৃত্যু হচ্ছে মহিলাদের। বলছে নতুন সমীক্ষা। করোনা (CoronaVirus) ছড়িয়ে পড়ার শুরু থেকেই একাধিক সমীক্ষা বলেছিল, করোনায় আক্রান্ত মহিলাদের থেকে পুরুষরা রয়েছেন বেশি বিপদে। পাশাপাশি আক্রান্তের দিক থেকেও পুরুষরা এগিয়ে রয়েছেন।

জানেন কি- করোনা ভাইরাসের সঙ্গে কী ভাবে লড়াই করে আমাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ?

  • Share this:

সারা পৃথিবীতেই কোভিড ১৯ সংক্রমণ বেড়ে চলেছে দিন দিন। ইতিমধ্যে সারা বিশ্বে আক্রান্ত চার কোটির বেশি মানুষ। কোভিড-শহিদ হয়েছেন ১২ লক্ষ। ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা ৮৩ লক্ষ। এই পরিস্থিতিতে দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো নিয়ে জোর আলোচনা চলছে চিকিৎসকমহলে। একবার জেনে নেওয়া যাক কোভিড ১৯ ভাইরাস শরীরকে কী ভাবে আক্রমণ করে?

মারণ ভাইরাসটি চোখ, নাক, মুখ দিয়ে দেহে প্রবেশ করতে পারে। তার পর নিঃশ্বাসের সঙ্গে পৌঁছে যেতে পারে শ্বাসনালীতে। তার পর প্রবেশ করে এপিথেলিয়াল কোষে। এই পর্যায়ে দেহে করোনাভাইরাস প্রবেশ করলেও অধিকাংশ সময়ে পরীক্ষার পরেও তা ধরা পড়ে না।

আমাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা করোনা ভাইরাসের সঙ্গে যুঝতে পারে?

জন্মগত রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা থাকে আমাদের সবার মধ্যেই। নতুন কোনও ভাইরাস আক্রমণ করলে স্বাভাবিক ভাবেই আমাদের ইমিউন সিস্টেম সেই ভাইরাসের সঙ্গে লড়তে থাকে। তবে কোনও ক্ষেত্রে দরকারের চেয়ে বেশি প্রতিক্রিয়া দেখাতে শুরু করলে ইমিউন সিস্টেম গণ্ডগোল করে। কিছু প্রোটিন দেহে প্রদাহের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সংক্রমণ ছড়িয়েছে, এমন কোষকে সতর্ক করে। এই সময় কিছু সাইটোকাইন্স নিউট্রোফিলকে রক্তজ্বালিকা থেকে সংক্রমিত কলায় নিয়ে যায়। এর পর সাইটোকাইন্স মস্তিস্কের নিউরোনকে উত্তেজিত করে তোলে।

তবে শরীরে দরকারের বেশি সাইটোকাইন্স তৈরি হয়ে গেলে কিছু ক্ষেত্রে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কাজ করা বন্ধ করে দেয়। সাম্প্রতিক কিছু সমীক্ষা বলছে, শরীরের অ্যান্টিবডি কমতে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে সংক্রমণের পর। লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের গবেষকরা বলছেন জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে অ্যান্টিবডি টেস্ট করে পজিটিভ এসেছে, এমন মানুষের সংখ্যা ২৬ শতাংশ কমেছে।

এক নজরে জেনে নেওয়া যাক হার্ড ইমিউনিটি তত্ত্বটি কী!

এটি এমন এক পরিস্থিতি যেখানে জনসংখ্যার একটি নির্দিষ্ট শতাংশ একটি নির্দিষ্ট রোগসংক্রামক প্যাথোজেনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ তৈরি করতে পারে। যার জেরে জনসংখ্যার বাকি অংশের মধ্যে সেই সংক্রমণ ছড়ায় না। একটি নির্দিষ্ট শতাংশের মানুষের মধ্যে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়ে গেলে, তাঁরা আর গোষ্ঠীর অন্য সদস্যকে সংক্রমিত করতে পারবেন না। এর ফলে সংক্রমণ শৃঙ্খল ভেঙে পড়বে এবং সব চেয়ে ঝুঁকির মধ্যে যাঁরা রয়েছেন তাঁরাও সংক্রমিত হওয়া থেকেও বাঁচবেন। কিন্তু ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা থাকবে না। যা চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে। যদিও বিজ্ঞানীদের মত- এখনই হার্ড ইমিউনিটির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কিছু বলার সময় আসেনি। যদি বলা হয়, তবে তা ভুল বলা হবে!

Published by:Ananya Chakraborty
First published: