হোম /খবর /লাইফস্টাইল /
বাসমতী তো অনেক হল! স্বাদে-সুগন্ধে কম নয় দেশের এই চালগুলোও

বাসমতী তো অনেক হল! স্বাদে-সুগন্ধে কম নয় দেশের এই চালগুলোও

আসুন দেখে নেওয়া যাক সাত ধরনের এমনই সুগন্ধী ও সুস্বাদু চাল, যা একবার খেলেই বহু দিন পর্যন্ত স্বাদ লেগে থাকবে জিভে।

  • Last Updated :
  • Share this:

#কলকাতা: সুপার মার্কেট হোক বা শপিং মল, সাধারণত আমরা বাসমতী চালের দিকেই নজর দিই। কিন্তু বাসমতী ছাড়াও দেশের নানা প্রান্তে বহু বছরের পুরনো বেশ কয়েকটি চাল রয়েছে। এই চালগুলি স্বাদে ও গন্ধে অতুলনীয়। আসুন দেখে নেওয়া যাক সাত ধরনের এমনই সুগন্ধী ও সুস্বাদু চাল, যা একবার খেলেই বহু দিন পর্যন্ত স্বাদ লেগে থাকবে জিভে।

১. আম্বেমোহরমহারাষ্ট্রে উৎপন্ন হয় এই বিশেষ ধরনের চাল। খুব তাড়াতাড়ি রান্না হয়ে যায় চালটি। আর এই জন্যই বিখ্যাত আম্বেমোহর। চালের গন্ধও দারুণ। চালের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে GI ট্যাগও। দীর্ঘদিন ধরেই এই চালের তুমুল জনপ্রিয়তা রয়েছে মহারাষ্ট্রে।

২. মুলান কাজমাস্বাদে ও গন্ধে চালটি অনেকটাই ভিন্ন। ওয়াইনাড়ের এই চাল সবচেয়ে বেশি বিখ্যাত পাল পায়সম ও মালাবার বিরিয়ানির জন্য। তবে কেরলের ওয়াইনাড় জেলায় এখন খুব অল্প চাষিই এই চাল উৎপন্ন করেন।

৩. গোবিন্দভোগপশ্চিমবঙ্গের একটি বিখ্যাত চাল হল গোবিন্দভোগ। জন্মাষ্টমীতে এই চালের ভোগ বানিয়ে ভগবান কৃষ্ণকে দেওয়ার রীতি রয়েছে। এখান থেকেই চালটির নাম হয়ে যায় গোবিন্দভোগ। পুজো, উৎসব হোক কিংবা বিয়েবাড়ি, গোবিন্দভোগ চালের পায়েসের কথা আর আলাদা করে বলার প্রয়োজন পড়ে না।

৪. সিরাগা সাম্বাতামিলনাড়ুতে অত্যন্ত জনপ্রিয় এই বিশেষ ধরনের চাল। নানা পরব-উৎসবে এই চালের পোলাও তৈরি করে খান তামিলনাড়ুর লোকজন। উল্লেখ্য, এই রাজ্যের দু'টি জনপ্রিয় বিরিয়ানির মধ্যেও যোগসূত্র হিসেবে কাজ করে সিরাগা সাম্বা। এই সিরাগা সাম্বা দিয়েই তৈরি করা হয় দিন্ডিগুল বিরিয়ানি ও আম্বুর বিরিয়ানি। তামিলনাড়ুতে অন্যান্য চালের থেকে এর দামও বেশি।

৫. মুস্ক বুডজিকাশ্মীর উপত্যকায় চাষ করা হয় এই বিশেষ ধরনের সুগন্ধী চাল। বলা বাহুল্য, একসময় জম্মু-কাশ্মীরে প্রতিটি বিয়ে বাড়ির মেনুতেই থাকত এই চালের তৈরি পদ। তবে পরের দিকে উৎপাদন কমে যায় আর জনপ্রিয়তাও কমতে থাকে মুস্ক বুডজির। স্বস্তির খবর হল, বর্তমানে স্থানীয় কৃষি দপ্তর এই ধরনের চাল উৎপাদনে ফের নজর দিয়েছে।

৬. রাঁধুনি পাগলচালটির একটা নিজস্ব গন্ধ রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের নানা জেলায় এই চাল খুব বিখ্যাত, কিন্তু বাংলার বাইরে চালটির তেমন জনপ্রিয়তা নেই। এই চালের ভাত খুব সহজেই হজম হয়ে যায়। বিশেষ করে চিংড়ির মালাইকারি বা কষা মাংসের সঙ্গে রাঁধুনি পাগল চালের ভাত দারুণ জমে।

৭. চাক হাও আমুবিএটি কালো রঙের দেখতে। অদ্ভুত সুগন্ধযুক্ত এই চাল মণিপুরের পার্বত্য অঞ্চলে চাষ করা হয়। এতে রয়েছে অ্যান্থোসায়ানিন, যা আপনার হৃদযন্ত্র ভালো রাখে। স্বাদেও মিষ্টি। এই চাল দিয়ে তৈরি মণিপুরের ব্ল্যাক রাইস ক্ষীর খুবই সুস্বাদু হয়। ফুটন্ত দুধে চাল দিয়ে ক্ষীর তৈরি করার সময় পুরো ক্ষীরটাই একটা হালকা বেগুনি রঙের দেখতে হয়। তাই স্বাদের পাশাপাশি এই পদ দেখতেও দারুণ হয়।

Published by:Simli Raha
First published:

Tags: Basmati, Rice