• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • শীতের দিন শুরু হোক এই ৩ ব্রেকফাস্ট দিয়ে, স্বাদে-স্বাস্থ্যে জীবন হোক ভরপুর!

শীতের দিন শুরু হোক এই ৩ ব্রেকফাস্ট দিয়ে, স্বাদে-স্বাস্থ্যে জীবন হোক ভরপুর!

বাইরে থেকে সোয়েটার-চাদর বা গরম জামা পরে প্রোটেকশন তো এই সময়ে নিতেই হবে। ভিতর থেকেও কিন্তু শরীর গরম রাখতে হবে।

বাইরে থেকে সোয়েটার-চাদর বা গরম জামা পরে প্রোটেকশন তো এই সময়ে নিতেই হবে। ভিতর থেকেও কিন্তু শরীর গরম রাখতে হবে।

বাইরে থেকে সোয়েটার-চাদর বা গরম জামা পরে প্রোটেকশন তো এই সময়ে নিতেই হবে। ভিতর থেকেও কিন্তু শরীর গরম রাখতে হবে।

  • Share this:

#কলকাতা: রাজ্যে ক্রমশ কমছে তাপমাত্রা। শীত প্রায় এসে গিয়েছে বললেই চলে। আমাদের রাজ্যের পাশাপাশি তাপমাত্রার পারদ নামছে অন্যান্য রাজ্যেও। এই সময়ে শরীর সুস্থ রাখা, শরীরের দিকে নজর দেওয়া খুব প্রয়োজন। এক দিকে যেমন ইমিউনিটি বাড়াতে হবে রোগ-ভোগের হাত থেকে বাঁচতে, অন্য দিকে তেমনই পেটও ভালো রাখতে হবে। খেতে হবে স্বাস্থ্যকর খাবার। বাইরে থেকে সোয়েটার-চাদর বা গরম জামা পরে প্রোটেকশন তো এই সময়ে নিতেই হবে। ভিতর থেকেও কিন্তু শরীর গরম রাখতে হবে। আমাদের ঘরেই এমন অনেক খাবার আছে যা এই সময়ে শরীর গরম রাখে, পেট ভালো রাখে। আর বানাতেও সময় লাগে না। শীতকালে এগুলো খেলে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে। দেখে নেওয়া যাক এমনই ক'টা ব্রেকফাস্টের রেসিপি! ১. মুলোর পরোটা শীতকালে খুল সহজেই মুলো পাওয়া যায়। আর এই দিয়ে বানানো যায় দারুণ সব রেসিপি। মুলো পেট ভালো রাখে। হজমের সমস্যা দূর করে। তাই চটজলদি বানিয়ে নেওয়া যেতেই পারে মুলোর এই রেসিপিটি। উপকরণ- মাঝারি আকারের একটা মুলো (গ্রেট করে নেওয়া), আটা (মেখে নিতে হবে), কাঁচা লঙ্কা একটা (কুচি করে কাটা), স্বাদ মতো নুন, সামান্য লঙ্কা গুঁড়ো, সামান্য আমচূড় পাউডার, সামান্য জিড়েগুঁড়ো, এক থেকে দুই টেবিল-চামচ রান্নার তেল। পদ্ধতি- একটি পাত্রে গ্রেট করা মুলোতে ভালো করে নুন মিশিয়ে ৫ মিনিট মতো রেখে দিতে হবে। তার পর মুলো ভালো করে চিপে অতিরিক্ত জল বের করে নিতে হবে। এর পর মুলোতে একে একে সামান্য লঙ্কা গুঁড়ো, সামান্য আমচূড় পাউডার, সামান্য জিড়েগুঁড়ো ও কাঁচা লঙ্কা কুচি দিয়ে দিতে হবে। এ বার আটার দু'টো লেচি বানিয়ে তাতে মুলোর এই মিশ্রণটা পুর হিসেবে দিয়ে দিতে হবে। তার পর বানিয়ে ফেলতে হবে মুলোর পরোটা। ২. ডিম পরোটা কেউ যদি মুলো না খান, তা হলে মুলোর পরিবর্তে ডিমও দেওয়া যায়। তবে ডিম পরোটা বানানোর পদ্ধতি একটু আলাদা। উপকরণ- একটা ডিম, আটা, ছোট একটা পিঁয়াজ (কুচি করে কাটা), ধনে পাতা (কুচি করে কাটা), কাঁচা লঙ্কা (কুচি করে কাটা), নুন, তেল। পদ্ধতি- আটা মেখে লেচি বানিয়ে বেলে নিতে হবে। এ দিকে একটি পাত্রে একটি ডিম ও তাতে পিঁয়াজ কুচি, ধনে পাতা কুচি, কাঁচা লঙ্কা কুচি ও স্বাদমতো নুন দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। এ বার তাওয়াতে সামান্য তেল দিয়ে পরোটা দিয়ে দিতে হবে। দু'দিক সামান্য লাল হয়ে ফুলে উঠলে তা একটি খুন্তি দিয়ে চিরে মাঝে ডিমের মিশ্রণ দিয়ে দিতে হবে। ভালো করে ভাজা হয়ে গেলে নামিয়ে নিলেই তৈরি ডিম পরোটা। ৩. তিল ও গুড়ের রুটি শীতকালে গুড়ও খুব সহজেই পাওয়া যায়। মিষ্টি-মিষ্টি খাবার অনেকেই খেতে পছন্দ করেন। বিশেষ করে বাচ্চারা। উপকরণ- দু'কাপ আটা, হাফ কাপ গুড় (গলিয়ে নিতে হবে), এক চা চামচ সাদা তিল, জল, ঘি বা তেল, সামান্য নুন। পদ্ধতি- একটি পাত্রে আটা নিতে হবে, তাতে গুড়, সামান্য নুন ও তিল দিয়ে দিতে হবে। প্রয়োজনে সামান্য জল দিয়ে আটা ভালো করে মেখে নিতে হবে। লেচি বানিয়ে বেলে রুটি বানিয়ে ফেলতে হবে। নামানোর সময় প্রয়োজনে ঘি বা তেল দিয়ে একটু ভেজে নেওয়া যেতে পারে। স্বাদ ভালো হবে।

Published by:Pooja Basu
First published: