• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • মঙ্গলের মাটিতে বাড়বে গাছ, জোগাবে ফল; অ্যাভোকাডো নিয়ে কী বলছে বিজ্ঞানীদের পরীক্ষা?

মঙ্গলের মাটিতে বাড়বে গাছ, জোগাবে ফল; অ্যাভোকাডো নিয়ে কী বলছে বিজ্ঞানীদের পরীক্ষা?

অ্যাভাকাডো এমনিতেই বেশি পাওয়া যায় না। বৈজ্ঞানিকদের এই আবিষ্কারের ফলে এখন থেকে বেশি পরিমাণে অ্যাভাকাডো উৎপন্নও করা যাবে।

অ্যাভাকাডো এমনিতেই বেশি পাওয়া যায় না। বৈজ্ঞানিকদের এই আবিষ্কারের ফলে এখন থেকে বেশি পরিমাণে অ্যাভাকাডো উৎপন্নও করা যাবে।

অ্যাভাকাডো এমনিতেই বেশি পাওয়া যায় না। বৈজ্ঞানিকদের এই আবিষ্কারের ফলে এখন থেকে বেশি পরিমাণে অ্যাভাকাডো উৎপন্নও করা যাবে।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: এক আশ্চর্য পদ্ধতিতে এ বার অ্যাভাকাডোর বীজ সংরক্ষণ করতে চলেছেন বিজ্ঞানীরা। মানুষ পরবর্তী সময়ে মঙ্গল গ্রহে তো বসতি স্থাপন করলেও করতে পারে। আর তখন যদি হাতের কাছে নিয়মিত খাবারের জোগান দেওয়া না যায়, তা হলে চলবে কী করে? শুনতে অদ্ভুত লাগলেও তাই এটাই সত্যি- ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে মূলত মানুষের মঙ্গলের কথা ভেবেই অ্যাভাকাডোর বীজ সংরক্ষণের এ হেন প্রক্রিয়া শুরু করলেন ক্যুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটির বৈজ্ঞানিকরা।

প্রক্রিয়াটা কী?

অ্যাভাকাডোর বীজ সংরক্ষণ করার জন্য এবং চটপট গাছের বৃদ্ধির জন্য তা রাখা হবে তরল নাইট্রোজেনে। তবে তরল নাইট্রোজেন রাখার আগে বীজ মুড়ে নেওয়া হবে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে। তার পরে ক্রিয়োটিউবে রেখে এই সংরক্ষণ প্রক্রিয়াটি চালাতে হবে। এর ফলে দুই মাস বাদেই গাছে পাতা চলে আসবে বলে দাবি করছেন ক্যুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটির বৈজ্ঞানিকরা।

এ বার জানা যাক ক্রিয়োপ্রিজার্ভিং কাকে বলে!

ক্রিয়োপ্রিজার্ভিং-এর ফলে জিনিসের সেলুলার স্ট্রাকচার একই থাকে। মূলত আইভিএফ পদ্ধতিতে -৩২০ ডিগ্রি ফারেনহাইটে শুক্রাণু এবং ডিম্বাণু সংরক্ষণের জন্য এটা কাজে লাগানো হয়। বৈজ্ঞানিকরা বিভিন্ন ধরনের ক্যুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটির বৈজ্ঞানিকরা গাছ ক্রিয়োপ্রিজার্ভ করতে গিয়ে লক্ষ্য করেছেন যে ৮০% ক্ষেত্রেই গাছগুলি ঠিকঠাক ভাবে বেড়ে উঠছে। ইউনিভার্সিটি সেন্টার ফর হর্টিলকালচার সায়েন্সের প্রফেসর নিনা মিটার জানিয়েছেন, এগুলোকে স্পেস-এজ অ্যাভাকাডো বলা যেতেই পারে। মানুষ যখন মঙ্গলে যাবে, তখন এই গাছগুলিও ক্রিয়ো-ফ্রোজেনের পর পাঠানো হবে।

অ্যাভাকাডো এমনিতেই বেশি পাওয়া যায় না। বৈজ্ঞানিকদের এই আবিষ্কারের ফলে এখন থেকে বেশি পরিমাণে অ্যাভাকাডো উৎপন্নও করা যাবে। ক্যুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটির এক ছাত্র ক্রিস ও'ব্রায়েন জানান, এই পদ্ধতিতে অ্যাভাকাডো সংরক্ষণ করলে পোকামাকড়, দাবানল এবং বিভিন্ন ছত্রাকের সংক্রমণের হাত থেকেও এই ফল বাঁচবে।

তরল নাইট্রোজেনের তাপমাত্রা কমাতে কোনও বিদ্যুতের দরকার পড়ে না। তাই এই পদ্ধতিতে বিনা বিদ্যুতেই অ্যাভাকাডো ঠিকমতন সংরক্ষিত থাকবে। গবেষকদের উদ্দেশ্য শুধু অ্যাভাকাডো সংরক্ষণই নয়, এর উৎপাদনও বাড়ানো। অ্যাভাকাডো সংরক্ষণের গবেষণা আজ থেকে ৪০ বছর আগে থেকে চললেও বিজ্ঞানীরা এই প্রথম গবেষণায় সাফল্য পেয়েছেন। অবশ্য এই ক্রিয়োপ্রিজার্ভ পদ্ধতিতে কলা, আঙ্গুর এবং আপেলও সংরক্ষণ করা হয়।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: