বয়সকে তুড়ি মেরে তুমুল নাচ, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলছেন ৬২ বছরের 'ডান্সিং দাদি'

বয়সকে তুড়ি মেরে তুমুল নাচ, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলছেন ৬২ বছরের 'ডান্সিং দাদি'

কখনও লোক নৃত্য, কখনও বলিউডের গান আবার কখনও উদ্দাম ভাংরা নেচে সবার মন জয় করেছেন ডান্সিং দাদি

কখনও লোক নৃত্য, কখনও বলিউডের গান আবার কখনও উদ্দাম ভাংরা নেচে সবার মন জয় করেছেন ডান্সিং দাদি

  • Share this:

    #মুম্বই: মেয়েরা সংসার নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লেই চাপা পড়ে যায় অনেক ইচ্ছে, আকাঙ্ক্ষা, মনোবাসনা। চাপা পড়ে যায় সুপ্ত প্রতিভাও। কিন্তু তার মধ্যেও কেউ কেউ ৬০ পার করেও নিজের প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পান। বা বলা যেতে পারে তাঁরা সাহস দেখিয়ে সেই সুযোগ নিজেই তৈরি করে নেন। ৬২ বছরের রবি বালা শর্মাকে (Ravi Bala Sharma) এখন সোশ্যাল মিডিয়া চেনে ডান্সিং দাদি নামে। মোরাদাবাদের মেয়ে এখন মুম্বইতে ছেলের সঙ্গে থাকেন। নিজের নাচের ভিডিও Instagram-এ পোস্ট করে ডান্সিং দাদি নামে বিখ্যাত হয়েছেন তিনি।

    কখনও লোক নৃত্য, কখনও বলিউডের গান আবার কখনও উদ্দাম ভাংরা নেচে সবার মন জয় করেছেন রবি। প্রত্যেকটি নাচই তিনি দক্ষতার সঙ্গে করে দেখিয়েছেন। তবে শুধু আমজনতার বাহবা কুড়িয়েই থেমে থাকেননি, তাঁর নাচ দেখে মুগ্ধ হয়েছেন দিলজিত দোসাঞ্জের (Diljit Dosanjh) মতো অভিনেতা, ইমতিয়াজ আলির মতো পরিচালকও। কোরিওগ্রাফার টেরেন্স লুইস (Terence Lewis) তাঁর ভিডিও লাইক করে শেয়ারও করেছেন।

    দুই সন্তানের মা রবি দিল্লির সরকারি স্কুলে সঙ্গীত শিক্ষিকা হিসাবে কাজ করেছেন প্রায় ২৭ বছর। কত্থক, তবলা ও কণ্ঠসঙ্গীত শিখেছেন  ছোটবেলায়। তাঁর প্রথম গুরু বাবা শান্তি স্বরূপ শর্মা, বর্তমানে তাঁর বয়স ৯৬ বছর।

    অবসর নেওয়ার পর আবার নাচের জগতে ফিরে এসেছেন রবি, পূরণ করছেন তাঁর স্বপ্ন। এই যে আচমকা তারকা হয়ে যাওয়া এবং তরতরিয়ে বাড়তে থাকা সাফল্য, এই সব কীভাবে সামলাচ্ছেন ডান্সিং দাদি? লজ্জায় অধোবদন হয়ে রবি বলেন , '' যখন দেখলাম যে দিলজিত দোসাঞ্জের মতো তারকা আমার ভিডিও লাইক করেছেন এবং শেয়ার করেছেন,  সেটাই  আমার কাছে সেরা পুরষ্কার ছিল।''

    সবাইকে অনুপ্রাণিত করে রবি বলেছেন, তিনি প্রমাণ করতে পেরেছেন,  বয়স শুধুই একটা সংখ্যা আর চাইলে যে কোনও বয়সেই সম্মান লাভ করা যায়।

    একটি অনলাইন নাচের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য প্রথমবার ভিডিও পোস্ট করেছিলেন রবি। তার পর নেটিজেনদের উৎসাহে আরও বেশি করে নাচের দিকে মনোনিবেশ করেন। এই কাজে তাঁকে সাহায্য করেন তাঁর ছেলে, মেয়েরা।

    Published by:Rukmini Mazumder
    First published:

    লেটেস্ট খবর