হোম /খবর /লাইফস্টাইল /
পরিবারের জন্য খেটে খেটে ক্লান্তি, দিনে মাত্র আধ ঘণ্টা নিজেদের জন্যে পান মহিলারা

পরিবারের জন্য খেটে খেটে ক্লান্তি, দিনে মাত্র আধ ঘণ্টা নিজেদের জন্যে পাচ্ছেন ভারতীয় মহিলারা, রিপোর্ট

৮০শতাংশ মহিলা বাড়িতে রান্নার দায়িত্ব সামলান এবং কারও সাহায্য ছাড়াই এই কাজ করেন তাঁরা। দিনে রান্নার জন্য ১০০ মিনিট, বাচ্চা সামলাতে ১৩৩ মিনিট, এছাড়াও রয়েছে ঘর পরিষ্কার, বাজার করার মতো কাজ।

  • Last Updated :
  • Share this:

#মুম্বই: দিনে মাত্রা ৩০ মিনিট নিজের জন্য পাচ্ছেন ভারতীয় মহিলারা। নিজের কাজ বা নিজের ইচ্ছেগুলিকে পোষণ করার জন্যে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ধার্য মাত্র এতটুকু সময়। জেমিনি রান্না তেলের (Gemini Cooking Oils) তরফে একটি সমীক্ষা করা হয় যেখানে এই আশ্চর্যজনক তথ্য সামনে এসেছে। মহারাষ্ট্রের ৭৫ শতাংশ মহিলা জানিয়েছেন যে রান্না করে, বাচ্চা দেখে, সংসার সামলিয়ে আর নিজেদের জন্যে প্রায় কোনও সময়ই পান না তাঁরা।

সমীক্ষাতে আরও উঠে এসেছে যে, নাসিকের ৮৪ শতাংশ মহিলার মতে রান্নার সময়টা কিছুটা কমলে নিজেদের ইচ্ছা মত অন্য কোনও কাজ করতে পারবেন তাঁরা। নাগপুরের ৩১ শতাংশ মহিলারও একই মত।

#IgnitingAspirations জেমিনি রান্নার তেলের তরফে এই সমীক্ষার মূল লক্ষ্য হল রান্নায় গ্রাহকদের সময় বাঁচানো, বলছেন কারগিল তেল ব্যবসার মার্কেটিং (Cargill’s oils business) হেড সুবিন সিবান।

সমীক্ষার রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, গৃহকর্তৃীরা রান্নাঘরে বেশি সময় কাটান এবং করোনা অতিমারীর সময় সেটা উল্লেখযোগ্য হারে বড়েছে। ফলে নিজেদের জন্য খুবই কম সময় পাচ্ছেন তাঁরা।

এই ফলাফলের পর আমরা আরও বদ্ধপরিকর বাজারে আমাদের নতুন নিউট্রি ফ্রেশ টেকনলজি আনার ব্যাপারে। কারণ নতুন ব্যবস্থার ফলে রান্না করতে লাগবে কম সময়। তাই বাড়তি সময়ে নিজেদের কাজ মনের মতো করে সারতে পারবেন বাড়ির গৃহিনীরা। বলছেন সুবিন সিবান।

মহারাষ্ট্রের ১০টি শহরে সমীক্ষা চলে জেমিনি রান্নার তেলের পক্ষ থেকে। ১০ জনের মধ্যে ৬ জন মহিলা রান্নার থেকে সময় বাঁচিয়ে নিজেদের ইচ্ছে মতো কাজে গুরুত্ব দিতে চান। এমনই উঠে এসেছে এই সমীক্ষায়।

৮০শতাংশ মহিলা বাড়িতে রান্নার দায়িত্ব সামলান এবং কারও সাহায্য ছাড়াই এই কাজ করেন তাঁরা। দিনে রান্নার জন্য ১০০ মিনিট, বাচ্চা সামলাতে ১৩৩ মিনিট, এছাড়াও রয়েছে ঘর পরিষ্কার, বাজার করার মতো কাজ।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার(International Labour Organisation) মতে করোনার জন্যে বিশ্বে প্রায় দুই তৃতীয়াংশ মানুষ চাকরি খুইয়েছেন যার মধ্যে বেশিরভাগ মহিলা। একই সঙ্গে একটি রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মহিলারা বেশি মাত্রায় কাজে যোগদান করলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জিডিপি বেশি মাত্রায় বাড়বে।

Published by:Pooja Basu
First published: