লম্বা চুলের জন্যই ছিল বিশ্বজোড়া খ্যাতি, ১২ বছর পর সেই চুলই ছেঁটে ফেললেন ভারতের রাপুনজেল!

লম্বা চুলের জন্যই ছিল বিশ্বজোড়া খ্যাতি, ১২ বছর পর সেই চুলই ছেঁটে ফেললেন ভারতের রাপুনজেল!

লম্বা চুলের জন্যই ছিল বিশ্বজোড়া খ্যাতি, ১২ বছর পর সেই চুলই ছেঁটে ফেললেন ভারতের রাপুনজেল!

এক সময়ে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম উঠেছিল নীলাংশির, সেই চুল তিনি কেটে ফেলেছেন।

  • Share this:

#গুজরাত: জার্মান রূপকথার কেশবতী কন্যা রাপুনজেলের কথা সবাই জানেন। লম্বা সোনালি চুল ছিল তার। তবে বাস্তবে এরকমই লম্বা চুলের অধিকারিণী ছিলেন নীলাংশি পটেল (Nilanshi Patel)। ছিলেন বলছি কারণ যে চুলের জন্য এক সময়ে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম উঠেছিল নীলাংশির, সেই চুল তিনি কেটে ফেলেছেন।

গুজরাতের মোদাসা অঞ্চলের নীলাংশির যখন মাত্র ১৬ বছর বয়স, তখন তাঁর চুলের দৈর্ঘ্য ছিল ৫ ফিট ৭ ইঞ্চি। এটা ছিল ২০১৮ সালের কথা। এর পর নীলাংশি ১৮-তে পা দেওয়ার আগেই তাঁর চুল আরও দ্রুত বেড়ে গিয়ে ৬ ফিট ৬.৭ ইঞ্চি হয়ে যায়। তিনি তখন স্থির করেন যে একজন টিন এজার হিসেবে সব চেয়ে লম্বা চুলের রেকর্ড করবেন। নীলাংশির যখন ৬ বছর বয়স ছিল, তখন তাঁর চুল কাটার অভিজ্ঞতা ছিল ভয়ানক। সম্ভবত তাঁর মনের মতো চুল সেই সময়ে কাটা হয়নি। সেই থেকে নীলাংশি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে তিনি আর চুল কাটবেন না। সেই ৬ বছর বয়স থেকে চুল বাড়িয়েই যাচ্ছিলেন তিনি। ১২ বছর ধরে নিজের প্রতিজ্ঞা রেখেছিলেন তিনি আর মনের ইচ্ছে পূর্ণ করে তিনি গিনেস বুকে নামও তুলেছেন।

https://www.youtube.com/watch?v=24tEL1Aewo0

গুজরাতের স্থানীয় মানুষ তাঁকে ডাকেন রাপুনজেল বলে। আর এই নামটা বেশ পছন্দই করেন নীলাংশি। তিনি বলেছেন যে এই চুল ছিল তাঁর লাকি চার্ম, তাঁর কাছে এই চুল অত্যন্ত শুভ। তাই ১২ বছর পর যখন এই চুল কেটে ফেলার দিন এল, নীলাংশির আবেগপ্রবণ হয়ে পড়াটা খুবই স্বাভাবিক ছিল। তবে তিনি ভেবে রেখেছিলেন যে চুল এক সময়ে তাঁকে এত খ্যাতি দিয়েছে, তাঁকে শুধুই কেটে ফেলে দেওয়া উচিত নয়। বরং সেটা এমন ভাবে ব্যবহার করা উচিত যাতে মানুষের কাজে লাগে।

মা কামিনীবেনের সঙ্গে আলোচনা করে নীলাংশি স্থির করেন যে এই চুল তিনি একটি মিউজিয়ামে দান করবেন যাতে সেটা দেখে বাকিরা অনুপ্রাণিত হয়। কামিনীবেনও নিজের চুল দেবেন বলে ভেবেছেন। নীলাংশি খুব চিন্তায় ছিলেন যে চুল কেটে ফেললে তাঁকে কেমন দেখতে লাগবে। অবশ্য মেঘবরণ চুলের অধিকারিণীর দাবি- মানুষের আসল সৌন্দর্য থাকে তাঁর অন্তরে, তাই চুল থাকল বা থাকল না কিছু এসে যায় না!

Published by:Pooja Basu
First published: