corona virus btn
corona virus btn
Loading

#Valentines Day 2020: যৌন সংসর্গে নিরোধের ব্যবহার জানেই না যুবসমাজের অধিকাংশ

#Valentines Day 2020: যৌন সংসর্গে নিরোধের ব্যবহার জানেই না যুবসমাজের অধিকাংশ

ভারতে ২৫৩ মিলিয়ন কিশোর-কিশোরী রয়েছে (১০-১৯ বছর বয়সী)। যা জার্মানি, জাপান এবং স্পেনের সম্মিলিত জনসংখ্যার সমান। এই বিশাল সংখ্যক কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে বেশিরভাগই যৌন সক্রিয়। কেউ কেউ আবার সবে আঠারো পেরিয়েছে।

  • Share this:

ভারতে ২৫৩ মিলিয়ন কিশোর-কিশোরী রয়েছে (১০-১৯ বছর বয়সী)। যা জার্মানি, জাপান এবং স্পেনের সম্মিলিত জনসংখ্যার সমান। এই বিশাল সংখ্যক কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে বেশিরভাগই যৌন সক্রিয়। কেউ কেউ আবার সবে আঠারো পেরিয়েছে।

কিন্তু এই বয়সেও বেশিরভাগ কলেজ পড়ুয়ারা যৌনতা সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান ছাড়াই তাদের যৌন কার্যকলাপ শুরু করেন। কারণ এটি এমন একটি বিষয়, যা নিয়ে তারা পরিবার বা বন্ধু বা চেনাশোনা গন্ডিতে খুব কমই আলোচনা করতে পারে। ফলে গর্ভনিরোধ বা নিরাপদ যৌনতা নিয়ে তাঁদের কোনও জ্ঞানই থাকে না।

বিয়ে কি নিরাপদ?

ভারতে মেয়েদের ১৮ এবং ছেলেদের ২১ বছরের কমে বিবাহ আইন বহির্ভূত। কিন্তু তার থেকে কম বয়সী ছেলে- মেয়েদের বিবাহ এখনও খুব সাধারণ বিষয়। বাস্তবে ভারতবর্ষে ২৭ শতাংশ বাল্যবিবাহ হয়। যদিও যৌন সম্পর্কের আত্মপ্রকাশ ঘটে তার অনেক আগেই। ফলে কমবয়সী দম্পতিরা সচেতনতা এবং পরিকল্পনার অভাবে কোনও ধরণের গর্ভনিরোধক ব্যবহারের করেন না। এছাড়াও আমাদের পুরুষতান্ত্রিক সমাজে কনেদের কুমারীত্বের উপর প্রচুর জোর দেওয়া হয়, তাই মেয়েরা খুব শীঘ্রই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। তার উপরে তাঁদের উপরে থাকে শীঘ্র সন্তান উৎপাদনের চাপ।

“আমার বিয়ে হয়েছিল যখন আমার ২২ বছর বয়স। বউয়ের তখন ১৮। মাত্র ৪ বছরে আমাদের তিন সন্তানের জন্ম হয়। কারণ আমার গর্ভনিরোধ সম্পর্কে বিভিন্ন ভুল ধারণা ছিল। আমার ধারণা ছিল সত্যিকারের পুরুষ কখনও কন্ডোম পরে না। তৃতীয় প্রসবের পরে আমার স্ত্রী গর্ভনিরোধ সম্পর্কে কিছু পরামর্শ পেয়েছিলেন। পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতা ছিল। সব মিলিয়ে আমরা কিছু নিরোধক ব্যবহার করেছি। যদিও আমার পরিবারকে জানাইনি। কারণ তাঁরা জানতে পারলে বিশাল সমস্যা হত। জানিয়েছেন ইন্দোরের একটি দোকানের মালিক জুনেইদ (২৮)।

অনিচ্ছাকৃত গর্ভাবস্থা অনেকের কাছেই মারাত্বক সমস্যার হয়ে দাঁড়ায়। বিবাহিত বা অবিবাহিত, কম বয়সীরা অসুরক্ষিত যৌন সম্পর্কের ফলে মারাত্বক সামাজিক সমস্যার মুখোমুখি হন। এমনকি এক্ষেত্রে অযাচিত গর্ভাবস্থার পাশাপাশি অনেকেই এইচআইভি/এইডসের মতো যৌন সংক্রমণের শিকার হন।

যৌনতায় মেতে ওঠার আগে ভাবুন:

অজ্ঞতার ফলে এমন অনেকেই আছেন যাঁরা মনে করেন গর্ভনিরোধ ব্যবহার করা উচিত নয়। এমনকি তাঁরা সঙ্গীকেও নিরোধ ব্যহারে বাধা দেন। কারণ, তাঁদের মধ্যে সচেতনতার অভাব প্রকট। এছাড়াও অনেক যুবকই ভয় পান গর্ভনিরোধক রাসায়নিক কিছু থাকে। অনেকের কাছে সেগুলো কেনার মতো পর্যাপ্ত অর্থ পর্যন্ত থাকে না।

ভারতের জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি মানুষ প্রজননে সক্ষম সময়ে জন্ম নিরোধক ব্যবহার করে না।

"আমি দোকান থেকে গর্ভনিরোধক কিনি। তবে কেনার সময় ভিষণ বিব্রতবোধ করি। কারণ আমি নিশ্চিত যদি কেউ জানতে পারে আমি এগুলো কিনি, সেটা খুবই লজ্জাজনক। তাই প্রায়শই আমি নিরোডের নাম বলি না, কাগজের টুকরোতে লিখে কেমিস্টকে দিয়ে দিই। বেশিরভাগ সময়ই তাঁরা ব্রাউন পেপার ব্যাগে জড়িয়ে দেন। আপনি বিবাহিত বা অবিবাহিত, কন্ডোম বা গর্ভনিরোধক কিনুন, এ বিষয়টিতে আসলে কিছু যায় আসে না। তাঁরা আপনার দিকে তিরস্কারের চোখে তাকিয়ে থাকবরে। যেন যৌনতা কোনও মহিলার জন্য পাপ"-বলেন মোআলির বাসিন্দা পেশায় আরজে শালিনী (২২)।

Published by: Shubhagata Dey
First published: February 14, 2020, 7:47 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर