• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • গ্রুপে প্রচুর বন্ধু, কাকে বিশ্বাস করলে ভুল হবে ? জানিয়ে দেবে এই লক্ষণগুলো

গ্রুপে প্রচুর বন্ধু, কাকে বিশ্বাস করলে ভুল হবে ? জানিয়ে দেবে এই লক্ষণগুলো

এ রকম বন্ধুদের কী ভাবে সনাক্ত করা যায়, জেনে নিন

এ রকম বন্ধুদের কী ভাবে সনাক্ত করা যায়, জেনে নিন

এ রকম বন্ধুদের কী ভাবে সনাক্ত করা যায়, জেনে নিন

  • Share this:

বন্ধু শব্দটার সঙ্গে ন্যায় আজকাল খুব কমই হয়। যাঁদের বন্ধু বলা হয়, তাঁরা অনেকেই বন্ধু নন। বিপদের সময় এমন সব মানুষদের চেনা যায় ঠিকই, কিন্তু বিপদ আসার আগেই এঁরা বন্ধু সেজে ক্ষতি করতে পারেন। হয় তো আপাতদৃষ্টিতে ভালো বন্ধু, একই গ্রুপে রয়েছেন, কিন্তু কী ভাবে পিছন থেকে ক্ষতি করছেন, তা বুঝতে পারেন না অনেকেই। ব্যক্তিগত সমস্যায় হোক বা অন্যান্য বন্ধুদের সঙ্গে সমস্যায়, এঁরা ভাইটাল রোল প্লে করলেও তা আপাতদৃষ্টিতে বোঝা যায় না। এ রকম বন্ধুদের কী ভাবে সনাক্ত করা যায়, তা বলে দেয় নিচের বিষয়গুলো:

১. এক কথা বলেন, কাজ এক করেন - এমন অনেক মানুষই আছে, যাঁরা মুখে একরকম বলেন, কাজে একরকম করেন। মুখে নিজেদের বিবরণ যে ভাবে দেন, কাজে হয় তো তার উল্টোটা দেখা যায়। এইসব বন্ধুরা কিন্তু যে কোনও মুহূর্তে নিজের অবস্থান পালটে ফেলতে পারেন। যে কোনও মুহূর্তে যে কারও ক্ষতি করতে পারেন। যদি এমন মানুষ ফ্রেন্ড সার্কেলে থাকে, তা হলে অবশ্যই তার থেকে দূরে থাকা ভালো।

২. নিজের দোষ যাঁরা দেখতে পান না - নিজের দোষ না দেখে যাঁরা অন্যের দিকে বার বার আঙুল তোলেন, তারা যে কোনও সময়ে ঠকাতে পারেন। কারণ তাঁরা নিজেদের অবস্থান মেনে নিতে পারেন না। খুব ছোট ছোট বিষয়েও এই সব মানুষ যে কাউকে দোষারোপ করতে পারেন। তাই এমন মানুষ চিনে গেলে, তার থেকে দূরে থাকা ভালো।

৩. সহানুভূতি পোষণ করেন না যাঁরা - এমন হতে পারে কোনও বন্ধু খুব খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। সে সময়ে তাঁর পাশে থাকা, তাঁর প্রতি সহানুভূতি দেখানো যে কোনও বন্ধুর প্রয়োজন। কিন্তু অনেকেই এমন থাকেন, যাঁদের কোনও বিষয়ে সহানুভূতি থাকে না। তাঁদের জন্যও যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন, তাতেও তাঁদের কিছু যায়-আসে না। কেউ যদি কারও গুরুত্ব না বোঝেন, সম্পর্কের গুরুত্ব না বোঝেন, তা হলে তাঁর সঙ্গে মেলামেশা না করাই ভালো। কারণ তিনি যে কোনও মুহূর্তে ক্ষতি করতে পারেন অজান্তেই।

৪. গোপনীয়তা রাখেন না যিনি - কোনও গোপন কথা চেরে না রেখে যদি কেউ সবাইকে বলে দেন, তা হলে তাঁর সঙ্গে না মেশা ভালো। কারণ কোনও গোপন কথার সঙ্গে কারও অনুভূতি, সম্পর্ক-সহ একাধিক জিনিস জড়িয়ে থাকে। গোপনীয়তা লঙ্ঘন মানে সেই সব জায়গায় কষ্ট দেওয়া। তাই কেউ যদি কারও অনুভূতির কথা না ভাবেন, তা হলে সেই ব্যক্তির থেকে ভবিষ্যতে বড় অনিষ্টের আশঙ্কা থাকে।

৫. হঠাৎ হঠাৎ ব্যবহার পালটে যাওয়া - অনেকেই থাকেন, যাঁদের ব্যবহার মাঝে মাঝেই পালটে যায়। এতে বন্ধুত্বের ক্ষতি হয়। কাউকে বিশ্বাস করে, তাকে ভরসা করে বন্ধুত্ব এগোলে, এমন ব্যবহার কষ্ট দিতে পারে। সম্পর্ক একদম খারাপ হওয়ার আগে এমন বন্ধুদের এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

Published by:Ananya Chakraborty
First published: