• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • দুর্গা পূজা ২০২০: টিনএজার সন্তান ঘরে থাকতে চাইছেন না? বকাবকি না করে এই পথে এগোন, কাজ হবেই!

দুর্গা পূজা ২০২০: টিনএজার সন্তান ঘরে থাকতে চাইছেন না? বকাবকি না করে এই পথে এগোন, কাজ হবেই!

রাগ থেকে আনন্দ, একসঙ্গে থাকা থেকে একাকিত্ব- সমস্ত আবেগই ঘিরে ধরে কিশোরমনকে। তাই ঘন ঘন মুড স্যুইংও হয়।

রাগ থেকে আনন্দ, একসঙ্গে থাকা থেকে একাকিত্ব- সমস্ত আবেগই ঘিরে ধরে কিশোরমনকে। তাই ঘন ঘন মুড স্যুইংও হয়।

রাগ থেকে আনন্দ, একসঙ্গে থাকা থেকে একাকিত্ব- সমস্ত আবেগই ঘিরে ধরে কিশোরমনকে। তাই ঘন ঘন মুড স্যুইংও হয়।

  • Share this:

#কলকাতা: টিন-এজ। কিশোর বয়সে ব্যবহার, আচার-আচরণ সব কিছুই বড় অদ্ভুত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। এটা মানসিক ও শারীরিক বিকাশের মূল সময়। এই সময়ে রাগ থেকে আনন্দ, একসঙ্গে থাকা থেকে একাকিত্ব- সমস্ত আবেগই ঘিরে ধরে কিশোরমনকে। তাই ঘন ঘন মুড স্যুইংও হয়। কখনও আপনার ছেলে-মেয়েরা প্রচণ্ড রেগে যায়। কখনও কোনও বিষয় নিয়ে অসম্ভব জেদ ধরে।

বিশেষ করে এই সমস্যা তৈরি হতেই পারে পুজোর দিনে। হয় তো আপনার সন্তান ভাবছেন যে তিনি বন্ধুদের বাড়িতে নিরাপদে থাকবেন! তাই একটু আড্ডা দিয়ে এলে কোনও ক্ষতি হবে না! ও দিকে কিছুতেই তাঁদের বোঝাতে না পেরে আপনারও মাথা গরম হয়ে উঠছে!

এই সময়টায় সব চেয়ে বেশি জরুরি হল পাশে থাকা। অর্থাৎ আপনার ছেলে-মেয়ের পাশে থাকতে হবে আপনাকে। তাদের সমস্যা শুনে ও বুঝে সমাধান করতে হবে। তাদের রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। শুধু এখনই নয়, এ সব কিছুই করতে হবে সারা বছর। আসুন দেখে নেওয়া যাক এগুলি সম্ভব কী ভাবে!

অযথা বকাবকি বা মারধর করবেন না অল্পবয়সে ছেলে-মেয়েদের অযথা বকাবকি বা মারধর করবেন না। কারণ এতে তারা বেশি বিগড়ে যেতে পারে। এক্ষেত্রে আপনাকে সংযত হবে। পরিস্থিতি বুঝে কথা বলতে হবে। প্রয়োজনে তাকে নিয়ে আলাদা করে বসতে হবে। তার রাগের কারণ জেনে অন্য উপায়ে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। এর জেরে আপনি আপনার ছেলে-মেয়েদের রাগের কারণগুলিও ধীরে ধীরে বুঝতে পারবেন।

ছেলে-মেয়েদের প্রতিটি চাহিদা পূরণ বন্ধ করুন

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চাহিদাই রাগের কারণ হয়ে যায়। কেন না, যদি আপনার ছেলে-মেয়েদের সব অভাব পূরণ করতে থাকেন আর এর পর হঠাৎ করে তা বন্ধ করে দেন, তা হলে নানা সমস্যা শুরু হয়। এই জায়গায় আপনাকে শক্ত হতে হবে। ছেলে-মেয়েদের বোঝাতে হবে, তারা যা চায় সব কিছু দেওয়া সম্ভব নয়।

ছেলে-মেয়েদের কথাও শুনুন শুধুমাত্র আপনি কথা বলবেন, এটাও ঠিক নয়। আপনার ছেলে-মেয়েদেরও কথা বলার সুযোগ দিন। তারা কী বলতে চায় শুনুন। তার রাগের কী কারণ সেটা বোঝার চেষ্টা করুন। যখন সে জোরে চেঁচিয়ে উঠছে বা রাগারাগি করছে, তখন তাকে শান্ত করে পুরো পরিস্থিতি বুঝুন।

বিষয়টিকে কখন এড়িয়ে যেতে হবে, সেটা মাথায় রাখুন বাবা-মা হিসেবে এই বিষয়টিকে ভালো করে জানতে হবে আপনাকে। আপনার জানা উচিত কোনও উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে বা রাগারাগির সময়ে কখন বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া উচিত আপনার। মাথায় রাখবেন যদি ঠিক সময়ে এড়িয়ে যেতে পারেন, তা হলে অন্তত তখন আর বড় আকার ধারণ করবে না বিষয়টি। আপনার ছেলে-মেয়েরাও সেই সময়ের জন্য শান্ত হয়ে যাবে। পরের দিকে বিষয়টি নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন আপনি।

রাগারাগি কিংবা বকাবকিরও একটি সীমা রয়েছে- ছেলে-মেয়েদের সামলাতে গিয়ে অল্প-বিস্তর বকাবকি প্রয়োজনীয়। তবে মাথার রাখুন কখন আপনি আপনার ছেলে-মেয়েকে বকাবকি করছেন। অর্থাৎ বকাবকির সঠিক সময় কোনটা। তাই রাগারাগি বা বকাবকি করারও একটা সীমা রাখুন। কারণ অতিরিক্ত বকাবকি আবার বিরূপ হতে পারে। এর খারাপ প্রভাব পড়তে পারে আপনার ছেলেমেয়ের উপর। বেশি বকলে, সাধারণত এই বিষয়টির সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে যায় তারা। পরবর্তী সময়ে আপনার এই বকাবকির আর কোনও মূল্য থাকে না তাদের কাছে। তাই সব কিছুর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। পরিস্থিতি অনুযায়ী তাদের সঙ্গে ব্যবহার করুন। দেখবেন ধীরে ধীরে আপনার ছেলেমেয়ের রাগের পাশাপাশি অস্থির পরিস্থিতিগুলিরও সমাধান হয়ে যাচ্ছে।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: