লাইফস্টাইল

corona virus btn
corona virus btn
Loading

ড্রপলেটস উবে গেলেও থেকে যেতে পারে করোনাভাইরাস, কী বলছে নতুন গবেষণা?

ড্রপলেটস উবে গেলেও থেকে যেতে পারে করোনাভাইরাস, কী বলছে নতুন গবেষণা?

গবেষণা বলছে, করোনার ভাইরাসগুলি স্টিল বা তামার সারফেসে ১৬ থেকে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।

  • Share this:

দীর্ঘ দিন লকডাউনের পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়েছে পরিস্থিতি। খুলেছে অফিস-খুলছে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ও। এই পরিস্থিতিতে রাস্তাঘাটে বেরিয়ে কাজ করতে হচ্ছে প্রায় সকলকেই। বাসে-ট্রামে চড়ে অফিস যাওয়া, অফিসে গিয়ে চেয়ারে বসে কাজ, ক্যান্টিনে খাওয়াদাওয়া- সবই হচ্ছে আগের মতোই। সঙ্গে মাস্ক বা স্যানিটাইজার থাকলেও তা ব্যবহার হচ্ছে শুধুমাত্র মুখে এবং হাতে। কিন্তু এই যে বাসে-ট্রামে বসা হচ্ছে, দরজার হাতলে হাত দেওয়া কিংবা ক্যান্টিনের চেয়ারে বসা হচ্ছে, তাতে তো আর বার বার স্যানিটাইজার লাগানো হচ্ছে না। করা হচ্ছে না ডিজইনফেক্টও। আর এতে আরও বেশি ছড়াচ্ছে SARS-CoV-2। গবেষকরা জানাচ্ছেন, যে কোনও পৃষ্ঠতলে বা সারফেসে করোনার ভাইরাস বেঁচে থাকতে পারে অনেক দিন পর্যন্ত। আর সেখান থেকে বাড়তে পারে সংক্রমণ।

মুম্বই IIT-র একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, প্রথমে ড্রপলেটের মাধ্যমে সারফেসে ভাইরাস যায়। কিন্তু ১৫ থেকে ২০ মিনিট বা আধঘণ্টার মধ্যেই ড্রপলেটের পার্টিক্যাল উবে যায় ও ভাইরাসগুলি মাইক্রোপ্লাস্টিক প্যানকেকের মতো বা ফিল্মের মতো পাতলা হয়ে সারফেসের গায়ে লেগে থাকে। গবেষণা বলছে, করোনার ভাইরাসগুলি স্টিল বা তামার সারফেসে ১৬ থেকে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। পলিপ্রপেলিনের সারফেসে ১৫০ ঘণ্টা পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে ও একদম ছোট আকারের ভাইরাস গ্লাস সারফেসে ৮০ ঘণ্টা পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে এবং অন্যকে সংক্রমিত করতে পারে।

তবে, এই ড্রপলেটসের পার্টিকলস বাস্পীভূত হওয়ার সময়টা অবশ্য আবহাওয়ার উপরে নির্ভর করে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। মুম্বই IIT-র অধ্যাপক রজনীশ ভরদ্বাজ ও অমিত আগরওয়াল একটি গবেষণায় দেখেন, কফ বা থুতুর মাধ্যমে ছড়ানো ভাইরাস মাস্ক পরলে যে পুরোপুরি আটকে যায় তা নয়। মাস্ক পরলে সেখানে বাধা পেয়ে এর সাইজ কমে যায় মাত্র। পরে তাঁরা কম্পিউটার মডেলিং ও অ্যাডভানসড ফিজিক্স প্রয়োগ করে বোঝার চেষ্টা করেছেন, ড্রপলেটস কত তাড়াতাড়ি করোনার ভাইরাস ছড়ায়! তবে, ফিজিক্স অফ ফ্লুইডের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ড্রপলেটস কোনও সারফেসে পড়ার পর ধীরে ধীরে তার স্থূলতা কমতে থাকে। কিন্তু তাতে ভাইরাসের পরিমাণ আগের মতোই থেকেই যায়। তাই তাঁরা পরামর্শ দিচ্ছেন, দরজার হাতল, চেয়ারের হাতল, সিট বা এ ধরনের যে সব সারফেস বার বার ব্যবহার হয়, মানুষ হাত দেয়, সেই সারফেসগুলি বার বার ডিজইনফেক্ট করা উচিৎ।

Published by: Piya Banerjee
First published: November 27, 2020, 4:52 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर